পাবলো পিকাসো

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এটি একটি স্পেনীয় নাম; প্রথম পারিবারিক নাম হল Ruiz এবং দ্বিতীয় নাম Picasso.
পাবলো পিকাসো
পাবলো পিকাসো, ১৯০৮–১৯০৯
জন্মের নাম পাবলো, দিয়েগো, জোসé, ফ্রান্সিসকো ডি পাওলা, হুয়ান নেপোমুসিনো, মারিয়া ডি লস রেমিডিওস, সিপিয়ানো ডে লা সান্তিসিমা ত্রিনিদাদ, রুইজ পিকাসো[১]
জন্ম (১৮৮১-১০-২৫)২৫ অক্টোবর ১৮৮১
Málaga, স্পেন
মৃত্যু ৮ এপ্রিল ১৯৭৩(১৯৭৩-০৪-০৮) (৯১ বছর)
Mougins, ফ্রান্স
জাতীয়তা স্প্যানিশ
ক্ষেত্র চিত্র, অঙ্কন, ভাস্কর্য প্রিন্টমেকিং, মৃৎশিল্প, পর্যায় নকশা, লেখা
প্রশিক্ষণ José Ruiz y Blasco (বাবা),
Real Academia de Bellas Artes de San Fernando
আন্দোলন কিউবইজম, পরাবাস্তবাদ
কাজ Les Demoiselles d'Avignon (১৯০৭)
গের্নিকা (১৯৩৭)
The Weeping Woman (1937)

পাবলো রুইজ ই পিকাসো (/pɪˈkɑːs, -ˈkæs/;[২] স্পেনীয়: [ˈpaβlo piˈkaso]; ২৫ অক্টোবর ১৮৮১ – ৮ এপ্রিল ১৯৭৩), যিনি পাবলো পিকাসো হিসেবে পরিচিত, ছিলেন একজন স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী, ভাষ্কর, প্রিন্টমেকার, মৃৎশিল্পী, মঞ্চ নকশাকারী, কবি এবং নাট্যকার। বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত এবং অত্যন্ত প্রভাবশালী শিল্পী হিসেবে তিনি কিউবিস্ট আন্দোলনের সহ-পতিষ্ঠাতা, গঠনকৃত ভাস্কর্যের[৩][৪] উদ্ভাবন, কোলাজের সহ-উদ্ভাবন, এবং চিত্রশৈলীর বিস্তৃত ভিন্নতার কারণে অধিক পরিচিতি লাভ করেন। তার বিখ্যাত কাজের মধ্যে রয়েছে প্রোটো-কিউবিস্ট লেস ডেমোইসেরেস ডি’আভিগনন (১৯০৭) এবং স্প্যানের গৃহ যুদ্ধের বিরুদ্ধে আঁকা গোর্নিকা (১৯৩৭)।

পিকাসো, হেনরি মাতিসে এবং মার্সেল ডচাম্প এই তিনজন শিল্পী ২০শ শতাব্দীর শুরুতে প্লাস্টিক আর্টে বৈপ্লবীয় উন্নতি সাধনের মাধ্যমে চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য, প্রিন্টমেকিং এবং মৃৎশিল্পে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটান।

পিকাসো ২০শ শতাব্দীর শিল্পে একজন শ্রেষ্ঠ-পরিচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৮৯০ সালের পূর্বে বাবার অধীনে পিকাসোর প্রশিক্ষণ শুরু হয়। তার সে সময়কার অগ্রগতি ফুটে উঠে বার্সেলোনায় মুইজিও পিকাসোতে সংগৃহীত চিক্রকর্মগুলোতে। জাদুঘরটি যে কোন প্রধান শিল্পীর প্রারম্ভিক কাজের সংগ্রহের জন্য প্রখ্যাত।

উল্লেখযোগ্য শিল্পকর্ম[সম্পাদনা]

  • ল্য মুঁল্যা দ্য লা গালেৎ
  • দ্য ব্লু রুম
  • ওল্ড গিটারিস্ট
  • সেল্‌ফ-পোট্রেট
  • টু নুডস
  • থ্রি মুজিশিয়ানস্‌
  • মডেল অ্যান্ড ফিশবৌল
  • গুয়ের্নিকা

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]