পাতাগোনিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পাতাগোনিয়া

পাতাগোনিয়া দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত একটি অঞ্চল। আর্জেন্টিনা এবং চিলি উভয় দেশের কিছু অংশ সমন্বয়ে গঠিত পাতাগোনিয়া। সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্যের অধিকারী হওয়ার জন্য পাতাগোনিয়া বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত। সারা বিশ্ব থেকে অসংখ্য পর্যটক পাতাগোনিয়া বেড়াতে আসে। পাতাগোনিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে রয়েছে আন্দিজ পর্বতমালা। আন্দিজ পর্বতমালার পূর্বাঞ্চল থেকে কলোরাডো নদীর দক্ষিণদিক পর্যন্ত পাতাগোনিয়া অঞ্চল বিস্তৃত। এর পশ্চিমে চিলির ভালভিদিয়া শহর অবস্থিত।[১]

পাতাগোনিয়া শব্দটি উদ্ভূট হয়েছে পাতাগোন শব্দ থেকে।[২] পাতাগোনিয়া অঞ্চলের স্থানীয় মানুষদের বর্ণনা করে ১৫২০ সালে পাতাগোন শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন বিখ্যাত পর্তুগিজ পর্যটক ম্যাগিলান। ধারণা করা হয় যে, পাতাগোনিয়া আদিম অধিবাসীদের গড় উচ্চতা ছিল ১৮০ সেন্টিমিটার, যেখানে তৎকালীন স্প্যানিশ মানুষের গড় উচ্চতা ছিল ১৫৫ সেন্টিমিটার।[৩]

পাতাগোনিয়ার আর্জেন্টাইন অংশের মধ্যে রয়েছে নিউকুইন, রিও নিগ্রো, চুবুট এবং সান্টা ক্রুজ, বুয়েনস আইরেস প্রদেশ।[৪] আপরদিকে পাতাগোনিয়ার চিলির অংশে রয়েছে ভালভিদিয়া অঞ্চল, লিয়াংকিউই, আইসেন এবং ম্যাগালেন্স। এছাড়া তিয়েরা দেল ফিগোর এবং কেপ হর্নের পশ্চিমাংশও পাতাগোনিয়ার মধ্যে অবস্থিত।

আর্জেন্টাইন অংশ[সম্পাদনা]

নিউকুইন[সম্পাদনা]

নিউকুইন নদী

নিউকুইন পাতাজ্ঞোনিয়ার প্রায় ৯৪০৭৮ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে রয়েছে। লিমায় নসী এবং নিউকুইন নদী এ অঞ্চলে অবস্থিত। নিউকুইন নদী দক্ষিণে নাহুয়েল-হুয়াপি লেকের উত্তর তীড় অবধি বিস্তৃত।

নিউকুইনের উত্তর অঞ্চলে গবাদি পশুর জন্য বিস্তৃত চারণভূমি রয়েছে। ট্রাফুল লেক ও নাহুয়েল-হুয়াপি লেকের তীর ধরে অবস্থিত বনে বিপুল পরিমাণে মূল্যবান কাঠ পাওয়া যায়। নিউকুইন নদীর নাব্যতা পূর্বের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে, তবে এর পানি অনত্র সঞ্চালনের ব্যবস্থা রয়েছে। তাই এই নদীর তীড় ধরে লোকালয় গড়ে উঠেছে।

আন্দিজ পর্বতমালার দিকে মাটির উর্বতা অনেক বেশি। তাই এদিকে কৃষি কাজ এবং পশু পালন করা হয়। এই অঞ্চলে ট্রমিন আগ্নেয়গিরি অবস্থিত। পশ্চিমে খনি আহরণ করা হয়, যদিও এখনো এর অনেক জায়গার অনুসন্ধান করা হয়নি। ধারণা করা হয় এখানে সোনা, রূপা, তামা বিপুল পরিমাণে রয়েছে। এই অঞ্চলের পাশে নরকুইন ও লাস লেজাস উপত্যকা অবস্থিত। লাস লেজাসে আর্জেন্টাইন সেনাবাহিনীর ক্যাম্প রয়েছে। এছাড়া এখানে অতি উৎকৃষ্ট মানে কাঠ পাওয়া যায়। এই দু’টি উপত্যকা রিও ম্যলিও, হুচুলফাকুইন লেক ও চিমুইন নদীর দিকে অগ্রসর হয়েছে। এদিকে বেশ কিছু গ্রাম রয়েছে; যেমন- জুনিন লস আন্দিস, সান মার্টিন লস আন্দিস। এর পাশে রয়েছে বিখ্যাত আপেল বাগান, যা যিশু খ্রিস্টের অনুসারীরা গড়ে তুলেছিল।

রিও নিগ্রো[সম্পাদনা]

রিও নিগ্রো পাতাগোনিয়ার ২০৩,০১৩ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত। আটলান্টিক মহাসাগর থেকে আন্দিজ পর্বতমালা পর্যন্ত এই অঞ্চল অবস্থিত। এই অঞ্চলটির আকার অনেকটা লম্বাটে, যার মধ্যভাগ দিয়ে রেলওয়ে চলে গেছে নিউকুইনে। এছাড়া এদিকে রিও নিগ্রোর প্রশাসনিক শহর ভিদমা অবস্থিত।

চুবুট[সম্পাদনা]

পুয়েলো লেক, চুবুট

আর্জেন্টিনার চুবুট পাতাগোনিয়ার প্রায় ২২৪,৬৮৬ বর্গকিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত। রিও নিগ্রোর মত প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী চুবুট। রাওসান চুবুটের রাজধানী। এটি চুবুট নদীর সম্মুখে অবস্থিত। শহরটি ১৮৬৫ সালে ওয়েলস হতে আগত কতিপয় ঔপনিবেশিক দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। এই অঞ্চলের অন্যান্য নদী প্রশান্ত মহাসাগরে পতিত হয়েছে। যেমন- প্যালেনা, রিও কিসনিস।

সান্টা ক্রুজ[সম্পাদনা]

সান্তা ক্রুজ আর্জেন্টাইন পাতাগোনিয়ার সবচেয়ে বড় প্রদেশ এবং সর্বাধিক বড় প্রশাসনিক এলাকা। এটি ২৯৩,৯৯৩ বর্গকিমি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। সান্তা ক্রুজের আবহাওয়া প্রধাণত ঠান্ডা। এখানে বেশ কয়েকটি গভীর জলের লেক রয়েছে। আন্দিজ পর্বতের পাদদেশে রয়েছে বিস্তির্ণ বরফাবৃত ভূমি। সান্তা ক্রুজের আটলান্টিক মহাসাগরের তীরবর্তী এলাকা সমুদ্রপৃষ্ঠের ১০৫ মিটার নিচে অবস্থিত। এটি দক্ষিণ গোলার্ধের সবচেয়ে নিচু ভূমি।

জলবায়ু[সম্পাদনা]

পাতাগোনিয়ার জলবায়ু প্রধানত শুষ্ক এবং ঠান্ডা। এর পূর্বাঞ্চল, পশ্চিমাঞ্চলের চেয়ে উষ্ণ, বিশেষ করে গ্রীষ্মে। এর কারণ দক্ষিণের বিষুবীয় অঞ্চল হতে আগত সমুদ্র ঢেউ। অন্যদিকে পাতাগোনিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের তীরের সমুদ্র ঢেউ শীতল। তবে শীতকালে পাতাগোনিয়াতে তীরবর্তী অঞ্চল হতে অপেক্ষাকৃত বেশী ঠান্ডা পড়ে। যেমন- পুয়ের্তো মন্টে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ডিগ্রী সেলসিয়াস। কিন্তু এর চরম তাপমাত্রা এবং -১.৫ ডিগ্রী। বাহ্‌লা ব্ল্যান্স, আটলান্টিক সাগরের তীরে অবস্থিত একটি অঞ্চল। এখানে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ১৫ ডগ্রী সেলসিয়াস। তবে এখানকার চরম তাপমাত্রার ব্যাপ্তি পুয়ের্তো মন্টের চেয়ে অনেক বেশী। চরম তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রী এবং -৫ ডিগ্রী। পাতাগোনিয়ার সর্ব দক্ষিণের পুন্টা অ্যারিনাতে গড় তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং বার্ষিক গড় চরম তাপমাত্রা ২৪.৫ ডিগ্রী এবং -২ ডিগ্রী। এখানে বায়ু প্রধানত পশ্চিম হতে আসে।[১]

বৃষ্টি বা তুষারপাত পাতাগোনিয়াতে নির্দিষ্ট ঋতুভিত্তিক। যেমন- আর্জেন্টিনার ভিলা লা অ্যাঙ্গসটুরাতে মে মাসে সর্বাধিক ৪৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টি ও তুষারপাত হয়। জুন মাসে এর পরিমাণ ২৯৭ মিলি, ২৭৩ মিলি জুলাইতে। অন্যদিকে ফেব্রুয়ারীতে এর পরিমাণ ৮০ এবং মার্চে ৭২। শহরের মোট বৃষ্টি বা তুষারপাত ২০৭৪ মিলি। এখানে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বেশী বৃষ্টিপাত হয়। পশ্চিমের কিছু অঞ্চলে, বিশেষ চিলির দিকে ৪০০০ মিলি বা তার বেশি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়। আবার উত্তরপূর্বে অবস্থা প্রায় ভিন্ন। এখানে গ্রীষ্মকালে বজ্রপাতের সময় অধিকাংশ বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। কিন্তু এর মোট পরিমাণ ৫০০ মিলির বেশী হয় না। অনেক জায়গায় তা ৩০০ মিলির নিচেও থাকে। পাতাগোনিয়ার পশ্চিমে চিলির অংশের শীতল সামুদ্রিক জলবায়ু বিদ্যমান। এখানে গ্রীষ্মকালীন তাপমত্রা দক্ষিণে ১৪ ডিগ্রী থেকে উত্তরে ১৯ ডিগ্রী পর্যন্ত বিরাজ করে। তীরবর্তী অঞ্চলে তুষারপাতের পরিমাণ কম। দক্ষিণে তুষারপাতের পরিমাণ বেশী। কুয়াশা এখানে বেশী তীব্র হয়না।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

পাতাগোনিয়ার প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকান্ড খনিজ আহরণ, তিমি শিকার, পশুপালন এবং কৃষিকর্ম (গম ও ফল আবাদ)। ১৯০৭ সালে এখানে একটি চেলের খনি আবিষ্কৃত হওয়ার পর তেল আহরণও একটি অর্থনৈতিক কর্মকান্ড হিসেবে শুরু হয়েছে।[৫] স্থানীয় অর্থনীতির জন্য জালানি উৎপাদন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাতাগোনিয়ার আর্জেন্টাইন অংশের খনি আহরণ, কৃষি দ্রব্যাদি পরিবহণ এবং জালানি শিল্পের জন্য রেললাইন স্থাপনের পরিকল্পনা করে হয়েছিল। বুয়েন্স আইরেস থকে সান কার্লোস পর্যন্ত একটি রেললাইন স্থাপন ইতোমধ্যে করা হয়েছে। পাতাগোনিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে কাঠ সংগ্রহ ঐতিহাসিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকান্ড হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে।

পশুপালন[সম্পাদনা]

ঊনবিংশ শতকের শেষের দিকে প্রচলিত হওয়া মেষ পালন পাতাগোনিয়ার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকান্ড। প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের সময় মেষ পালন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। বিশ্ববাজারে উলের দাম হ্ররাস পেলে আর্জেন্টিনায় মেষ পালন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বর্তমানে, আর্জেন্টিনার ১৫মিলিয়ন মেষের প্রায় অর্ধেক পাতাগোনিয়ায়লালন পালন করা হয়। এদিকে আর্জেন্টিনার উত্তরে মেষ পালন কমে যাচ্ছে। চুবুট সবচেয়ে বেশী উল প্রস্তত করে, দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সান্তা ক্রুজ। ২০০২ সালে বিশ্ববাজারে উলের চাহিদা বৃদ্ধি পেলে পাতাগোনিয়াতেও মেষ পালন বাড়ে।

পাতাগোনিয়ায় অন্যান্য গবাদি পশুর পরিমাণ কম। এখানে অল্প সংখ্যক শুয়োর এবং ঘোড়া রয়েছে। মেষ পালন স্বল্প কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করলেও তা পল্লী অঞ্চলের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ঐসমস্ত অঞ্চলে অন্যান্য কর্মসংস্থানের অভাব।

পর্যটন[সম্পাদনা]

বিংশ শতাব্দীড় দ্বিতীয়ার্ধে পর্যটন পাতাগোনিয়ার অর্থনীতিরএকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে পরিণত হয়। আগে থেকে এটি একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল হিসেবে পরিগণিত হয়েছিল। তবে ১৯৫০ এর দশক হতে এখানে দক্ষিণ আমেরিকা এবং অন্যান্য দেশ থেকে পর্যটক আসতে শুরু করে। এখানকার জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে ভ্যালদেস পেনিনসুলা, টরেস পেইন জাতীয় পার্ক,উসুয়াইয়া, তিয়েরা ফুয়েগো। পর্যটনের কারণে এখানে নতুন বাজারের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত লোকজ ও কারুশিল্প বাজারের প্রধান সামগ্রী।[৫]

বিদেশের অনেক বিত্তবান পাতাগোনিয়াতে জমি কিনতে শুরু করেছে, এর উদ্দেশ্য কৃষিকাজ নয়- শৌখিন। ইতালির ব্যবসায়ী লুসিয়ানো বেনিটন পাতাগোনিয়ার সবচেয়ে বেশি জমির মালিক।[৫][৬]

জালানি[সম্পাদনা]

চিলির সরকারের অনুরোধে স্পেনের কোম্পানি এন্ডেসা পাতাগোনিয়ার চিলি অংশের নদীতে কয়েকটি জল-বিদ্যুৎ বাধ নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা পরিবেশগত ভারসয়াম্যের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। প্রথম প্রস্তাবিত বাধ পাতাগোনিয়ার বেকার ও প্যাসকুয়া নদীতে নির্মিত হবে। এছা বিখ্যাত ফুতালিফু নদী ও সান্তা ক্রুজ নদীতেও বাধ নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই বাধগুলি পাতাগোনিয়ার পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য ও মাছের প্রজননকে বাধাগ্রস্ত করবে। এছাড়া কৃষিজ আবাদ এবং জমির উর্বরতা বিনষ্টেরও সমূজ সম্ভাবনা রয়েছে। এসব জল-বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ উচ্চ ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক লাইনের মাধ্যমে উত্তরাংশে ১২০০ মেইল দূরের শিল্প এলাকায় ননিয়ে যাওয়া হবে।

চিলি সরকার বিবেচনা করছে, এই বিদ্যুৎ স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অন্যপক্ষ বলছে এটি পাতাগোনিয়ার বিকাশমান পর্যটন শিল্পকে ধ্বংশ করবে। অন্যান্য দেশের এরকম অভিজ্ঞতা থেকে এখনো প্রমাণ মেলেনি যে বৈদ্যুতিক সরবরাহ লাইন স্থাপনের কারণে পর্যটন শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ Patagonia: Natural History, Prehistory and Ethnography at the Uttermost End of the Earth, C. McEwan, L.A. and A. Prieto (eds), Princeton University Press with British Museum Press, 1997. ISBN 0-691-05849-0
  2. Antonio Pigafetta, Relazione del primo viaggio intorno al mondo, 1524: "Il capitano generale nominò questi popoli Patagoni." The original word would probably be in Magellan's native Portuguese (patagão) or the Spanish of his men (patagón). It has been interpreted later as "big foot" but the etymology refers to a literary character in a Spanish novel of the early XVI century (see text).
  3. Fondebrider, Jorge (2003)। "Chapter 1 – Ámbitos y voces"। Versiones de la Patagonia (Spanish ভাষায়) (1st edition সংস্করণ)। Buenos Aires, Argentina: Emecé Editores S.A.। পৃ: 29। আইএসবিএন 950-04-2498-3 
  4. Población y Economía টেমপ্লেট:Es
  5. ৫.০ ৫.১ ৫.২ Time Out Patagonia, Cathy Runciman (ed), Penguin Books, 2002. ISBN 0-14-101240-4
  6. 'The Invisible Colours of Benetton', Mapuche International Link, accessed 2006-08-11

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

স্থানাঙ্ক: ৪১°৪৮′৩৭″ দক্ষিণ ৬৮°৫৪′২৩″ পশ্চিম / ৪১.৮১০১৫° দক্ষিণ ৬৮.৯০৬২৭° পশ্চিম / -41.81015; -68.90627