নিউট্রিনো

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
নিউট্রিনো/প্রতিনিউট্রিনো
FirstNeutrinoEventAnnotated.jpg
The first use of a hydrogen bubble chamber to detect neutrinos, on November 13, 1970. A neutrino hit a proton in a hydrogen atom. The collision occurred at the point where three tracks emanate on the right of the photograph.
গঠন মৌলিক কণা
পরিসংখ্যান Fermionic
প্রজন্ম First, second and third
মিথষ্ক্রিয়া Weak interaction and gravitation
প্রতীক ν
e
, ν
μ
, ν
τ
, ν
e
, ν
μ
, ν
τ
প্রতিকণা Antineutrinos are possibly identical to the neutrino (see Majorana fermion).
তত্ত্ব

ν
e
(Electron neutrino): Wolfgang Pauli (1930)
ν
μ
(Muon neutrino): Late 1940s

ν
τ
(Tau neutrino): Mid 1970s
আবিষ্কার ν
e
: Clyde Cowan, Frederick Reines (1956)
ν
μ
: Leon Lederman, Melvin Schwartz and Jack Steinberger (1962)
ν
τ
: DONUT collaboration (2000)
ধরন 3 – electron neutrino, muon neutrino and tau neutrino
ভর Small, but non-zero. See the mass section.
ইলেকট্রিক চার্জ e
Spin 1/2
Weak hypercharge −1
BL −1
X −3

নিউট্রিনো (ইংরেজি: Neutrino, ইংরেজি উচ্চারণ: /njuːˈtriːnoʊ/, ইতালীয় উচ্চারণ: [neuˈtriːno]) হচ্ছে বৈদ্যুতিক চার্জবিহীন, দুর্বল সক্রিয় ক্ষুদ্র পারমাণবিক কণা। ধারণা করা হয়, এই ক্ষুদ্র কণা অশূন্য ভরের কণা। পর্দাথের মধ্য দিয়ে এই কণা প্রায় অবিকৃতভাবে চলাচল করতে পারে। নিউট্রিনো অর্থ হচ্ছে 'ক্ষুদ্র নিরপেক্ষ কণা'। গ্রীক বর্ণ নিউ (ν) দিয়ে একে প্রকাশ করা হয়।

সেপ্টেম্বর ২০১১-তে গবেষকরা ঘোষণা করেন, নিউট্রিনো আলোক কণা থেকে দ্রুত বেগসম্পন্ন।

নিউট্রিনোর গতি[সম্পাদনা]

নিউট্রিনো যদিও ভরহীন হয়, তাহলে আইনস্টাইনের তত্ত্ব অনুযায়ী তার গতি হবে আলোর গতির সমান, আর যদি ভর থাকে, তাহলে গতি হবে আলোর গতির চেয়ে কম। কিন্তু অপেরা পরীক্ষণের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে নিউট্রিনোর গতি হলো আলোর গতির ১.০০০০২৫ গুণ (০.০০২৫ শতাংশ বেশি)। স্বাভাবিকভাবেই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।[১]

নিউট্রিনোর প্রকারভেদ[সম্পাদনা]

নিউট্রিনো তিন প্রকার।

১. ইলেকট্রন নিউট্রিনো

২. মিউ নিউট্রিনো

৩. টাউ নিউট্রিনো

নিউট্রিনোর ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৩১- বিজ্ঞানী উলফগ্যাং পাউলি নিউট্রিনোর অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা করেন ও ভবিষ্যদ্বাণী করেন। ইলেকট্রনের ভর, শক্তি, ভরবেগ ইত্যাদির হিসাব মিলাতে গিয়ে তিনি এটি লক্ষ্য করেন।

১৯৩২- এনরিকো ফার্মি এর নাম দেন নিউট্রিনো।

১৯৩৪- এনরিকো ফার্মি নিউট্রিনোকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি তত্ত্ব দাঁড় করান।

১৯৫৬- পরীক্ষার মাধ্যমে সর্বপ্রথম নিউট্রিনো আবিষ্কার করা হয়।

১৯৬২- নিউট্রিনোর অন্য একটি প্রকার ‘মিউ নিউট্রিনো’ আবিষ্কার।

১৯৬৮- সূর্য থেকে আগত নিউট্রিনো খুঁজে পেতে বিজ্ঞানীরা প্রথম পরীক্ষা চালায়।

১৯৭৮- স্ট্যানফোর্ড লিনিয়ার এসিলারেটরে টাউ লেপটন আবিষ্কৃত হয়। তাতে টাউ নিউট্রিনোর অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা করা হয়। এবং তাতে সে কণার ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়।

১৯৮৫- নিউট্রিনোর ভর শূন্য নয় এমন ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

১৯৮৭- ক্যামিওক্যান্ড ও রাশিয়ান টিম সুপারনোভা থেকে আগত নিউট্রিনো শনাক্ত করে।

১৯৮৮- নিউট্রিনোর একটি প্রকার আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানীদের নোবেল পুরস্কার প্রদান।

১৯৮৯- ক্যামিওক্যান্ড আরেকটি গবেষণায় সূর্য থেকে আগত নিউট্রিনো পরিমাপ করে এবং দেখতে পায় সূর্য থেকে যে পরিমাণ নিউট্রিনো ছুটে আসার কথা সে পরিমাণ আসে না। কম আসে।

১৯৯০- আই.বি.এম. সূর্যের আগত তিন ভাগের এক ভাগ নিউট্রিনো বিষয়ক সমস্যার সঠিক কারণ খুঁজে পায়।

১৯৯৮- এই সময়ে বিজ্ঞানীরা একেবারে নিশ্চিত হয়ে ঘোষণা করলেন যে নিউট্রিনোর ভর আছে।

২০০০- ভবিষ্যদ্বাণী করা টাউ নিওট্রিনোকে খুঁজে পাওয়া যায়।

২০০২- সূর্যের নিউট্রিনো সমস্যার সমাধানের জন্য বিজ্ঞানীদের নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. www.prothom-alo.com
  2. Ghost of the Universe; Frank Close

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]