নাদিয়া কোমেনিচি
| নাদিয়া কোমেনিচি | |
|---|---|
| ব্যক্তিগত তথ্য | |
| পূর্ণ নাম | নাদিয়া এলেনা কোমেনিচি |
| প্রতিনিধিত্ব দেশ | |
| জন্ম | নভেম্বর ১২, ১৯৬১ ওয়ানস্টি |
| শৃঙ্খলা | ডব্লিউএজি |
| জিম | ন্যাশনাল ট্রেনিং সেন্টার |
| প্রাক্তন কোচ | বেলা ক্যারোলি; মার্তা ক্যারোলি |
| কারিওগ্রাফার | গেজা পোজার |
| Eponymous skills | কোমেনিচি স্যালটো (আনইভেন বার) |
| অবসর | ১৯৮১ |
নাদিয়া কোমেনিচি (রোমানিয়া উচ্চারণ: [ˈnadi.a koməˈnet͡ʃʲ]; জন্মঃ ১২ নভেম্বর, ১৯৬১) বিশ্বখ্যাত জিমন্যাস্ট হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত প্রতিভা। পুরো নাম 'নাদিয়া এলেনা কোমেনিচি'। তাঁর জন্ম রোমানিয়ায়।
১৯৭৬ সালে কানাডার কুইবেক প্রদেশের মন্ট্রিলে অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে তিনি ৩টি স্বর্ণপদক জয়লাভ করেন। এই অলিম্পিক আসরে তিনি খুবই বিরল প্রকৃতির জিমন্যাস্টদের একজন হিসেবে চিহ্নিত হন যিনি যে-কোন অলিম্পিকের জিমন্যাস্ট ইভেন্টে সর্বমোট ১০ স্কোরের মধ্যে ১০ স্কোরই গড়ে সকলকে বিস্মিত করেন।
এছাড়াও, তিনি ১৯৮০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে ২টি স্বর্ণপদক লাভ করেছিলেন। বিশ্বের অন্যতম সেরা জিমন্যাস্টদের একজন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন তিনি তাঁর স্বমহিমায়।[১][২][৩]
পরিচ্ছেদসমূহ |
শৈশবকাল [সম্পাদনা]
নাদিয়া কোমেনিচি রোমানিয়ার ঘিওর্ঘি ঘিওরঘিউ-দেজ (বর্তমান ওয়ানস্টি) প্রদেশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ঘিওর্ঘি এবং মা স্টিফানিয়া-আলেকজান্দ্রিয়ানা।[৪][৫] তাঁর গর্ভবতী মা একটি রাশিয়ান চলচ্চিত্র দেখছিলেন যাতে নায়িকার নাম ছিল নাদিয়া। নাদিয়া শব্দটির অর্থ হচ্ছে 'আশা'। এরপর তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে তিনিও তার কন্যারও নাম রাখবেন নাদিয়া। নাদিয়া'র একটি ছোট ভাই রয়েছে যার নাম আদ্রিয়ান।[৬]
শুরুর কথা [সম্পাদনা]
নাদিয়া কিন্ডারগার্টেনে অধ্যয়নের মাধ্যমে শিক্ষাজীবন শুরু করেন। কিন্ডারগার্টেনের স্থানীয় একটি 'ফ্ল্যাকার' নামীয় দল ছিল ও সেখানে তিনি জিমন্যাস্ট হিসেবে প্রশিক্ষণ নেন। তাঁকে পূর্ণাঙ্গভাবে সহায়তা করেন - 'ডানকান' এবং 'মানটিনু' নামীয় দুইজন কোচ।[৭][৮]
ছয় বছর বয়সে ছোট্ট নাদিয়া বেলা কেরোলি'র পরীক্ষামূলক জিমন্যাসটিক্স বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানেই কেরোলি তাঁর প্রতিভা সম্পর্কে অবগত হন। বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে তাকে জিমন্যাসটিক্সের 'কার্টহুইল' ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে দেখেন ও চিহ্নিত করেন।[৯][১০][১১] ১৯৬৮ সালে নাদিয়া ক্যারোলিজের সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন। তখন তার বয়স ছিল ৭ বছর। ওয়ানস্টিতে বেলা এবং তাঁর স্ত্রী মার্তা'র প্রতিষ্ঠিত জিমন্যাস্টিকস্ বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে তিনি ছিলেন প্রথম ব্যাচের ছাত্রীদের একজন। অপ্রিয় হলেও সত্যি যে, ক্যারোলি বিদ্যালয়ে অনেক ছাত্র থাকলেও কোমেনিচিই ছিলেন একমাত্র ছাত্রী যিনি কয়েকবছর বাড়ী থেকে নিয়মিতভাবে বিদ্যালয়ে গমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। কারণ, তিনি ঐ এলাকায় বসবাস করতেন।[১২]
১৯৬৯ সালে নাদিয়া তাঁর প্রথম 'রোমানিয়ান ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশীপে' জিমন্যাসটিক্সে ১৩শ স্থান অধিকার করেন। এক বছর পর ১৯৭০ সালে তিনি তাঁর নিজ শহরে জিমন্যাসটিক্সের একটি দল গঠন করেন এবং রোমানিয়ার ইতিহাসে কনিষ্ঠতম জিমন্যাস্ট হিসেবে জয়লাভ করেন।[৪] ১৯৭১ সালে তিনি তাঁর জীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পান। যুগোস্লাভিয়া সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সাথে রোমানিয়ার দ্বি-দেশীয় প্রতিযোগিতায় তিনি শিরোপা লাভ করে দলকে স্বর্ণপদক উপহার দেন। পরবর্তীতে কয়েকবছর জুনিয়র হিসেবে অনেক জাতীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণসহ হাঙ্গেরী, ইটালী, পোল্যান্ড - প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে দ্বি-দেশীয় খেলায় অংশ নেন।[১৩]
১১ বছর বয়সে ১৯৭৩ সালে দ্রুঝবা'য় অনুষ্ঠিত জুনিয়র ফ্রেন্ডশীপ টুর্ণামেন্টে কোমেনিচি 'অল-রাউন্ড' ইভেন্টে স্বর্ণপদক জয়ের পাশাপাশি জিমন্যাস্টিক্সের 'ভল্ট' এবং 'আনইভেন বার' ইভেন্টে শিরোপা লাভ করেন।[১৩][১৪]
মন্ট্রিল অলিম্পিক, ১৯৭৬ [সম্পাদনা]
মাত্র ১৪ বছর বয়সে কানাডার মন্ট্রিলে অনুষ্ঠিত ১৯৭৬ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতায় নাদিয়া কোমেনিচি অন্যতম সেরা তারকা খেলোয়াড়ের মর্যাদা লাভ করেছিলেন। প্রতিযোগিতায় দলের অংশ হিসেবে তিনি আনইভেন বার খেলায় তাঁর সেরা ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। ১৮ জুলাই, ১৯৭৬ তারিখটি ছিল বিশ্বক্রীড়াঙ্গনে অন্যতম স্মরণীয় একটি দিন। এদিন তিনি ঐ ইভেন্টে ১০ পয়েন্টের মানদণ্ডের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ১০ পয়েন্টই অর্জন করে উপস্থিত সকলকে হতবাক ও বিস্মিত করেছিলেন।[১৫]
আধুনিক অলিম্পিকে জিমন্যাসটিক্সের ইতিহাসে ১০ স্কোরটি যে-কোন স্তরের প্রতিযোগী হিসেবে প্রথমবারের মতো নাদিয়া কোমেনিচিকে করতে দেখা যায়। কিন্তু ঐ সময়কার স্কোরবোর্ডের দূর্বলতাজনিত কারণে ১০.০ স্কোরটি সঠিকভাবে প্রদর্শিত হয়নি। নাদিয়া'র পূর্ণাঙ্গ স্কোরকে বোর্ড উল্লেখ করেছিল ১.০ হিসেবে![১৬] এছাড়াও কোমেনিচি আরো অতিরিক্ত ৬ বার ১০.০ স্কোর অর্জন করেছিলেন। বারে শিরোপাধারী হন এবং ফ্লোরে ব্রোঞ্জ পদক লাভ করেন। রোমানিয়ার দলটি দলগতভাবে প্রতিযোগিতায় ২য় স্থান অধিকার করেছিল।[১৭]
অবসরগ্রহণ [সম্পাদনা]
সকল পর্যায়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থেকে ১৯৮১ সালে কোমেনিচি অবসর নেন। আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর অবসর গ্রহণের অনুষ্ঠান ১৯৮৪ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এতে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি বা আইওসি'র চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।[১৬]
সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড [সম্পাদনা]
কোমেনিচি অনেকগুলো দাতব্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন। ১৯৯৯ সালে তিনি ১ম অ্যাথলেট হিসেবে জাতিসংঘে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন। সেখানে তিনি আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক বর্ষ, ২০০০-এর শুভেচ্ছা বক্তব্য পেশ করেছিলেন। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক বিশেষ অলিম্পিক ক্রীড়ায় পরিচালকমণ্ডলীর ভাইস-চেয়ারম্যান এবং মাসকুল্যার ডাইস্ট্রোফি অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালকমণ্ডলীর সহ-সভাপতি হিসেবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।[১৭][১৮] এছাড়াও, তিনি ব্যক্তিগতভাবে বুখারেস্টভিত্তিক 'নাদিয়া কোমেনিচি চিলড্রেনস্ ক্লিনিকের' সাথে জড়িত আছেন। ক্লিনিকটি স্বল্পমূল্যের পাশাপাশি বিনামূল্যে সামাজিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রোমানিয়ার শিশুদেরকে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করে আসছে।[১৬]
২০০৩ সালে রোমানিয়া সরকার তাঁকে 'অনাররী কনসাল জেনারেল' হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত করে। রোমানিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বি-পক্ষীয় সম্পর্ক আরো মজবুত, দৃঢ় ও জোরদার করার লক্ষ্যেই এ নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি ওকলেহোমা অঙ্গরাজ্যের নরম্যান অফিসে নিজ দায়িত্ব সুচারুরূপে পালন করে যাচ্ছেন।[১৯]
সম্মাননা [সম্পাদনা]
- আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কোমেনিচি'র অসামান্য প্রতিভা সম্পর্কে সম্যক জ্ঞাত হয় এবং ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনালের বিবেচনায় ১৯৭৫ সালে 'বছরের সেরা মহিলা অ্যাথলেট' হিসেবে তাঁকে নির্বাচন করে।[২০]
- ১৯৭৬ সালে তিনি বিবিসি কর্তৃক বহিঃর্বিশ্বের অ্যাথলেট ক্যাটাগরীতে 'বছরের সেরা ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব' নির্বাচিত হন।[২১] এছাড়াও, একই বছরে তিনি এপি বা এসোসিয়েটেড প্রেস কর্তৃক 'বছরের সেরা মহিলা ক্রীড়াবিদ' হিসেবে নির্বাচিত হন।[২২] 'ইউপিআই' কর্তৃক বছরের সেরা ক্রীড়াবিদের পদবীও তিনি ফেরত পান।[২০] রোমানিয়ায় ফিরে আসলে কোমেনিচি তৎকালীন সোভিয়েট ইউনিয়ন এবং ওয়ারশ জোটভূক্ত দেশগুলো কর্তৃক প্রবর্তিত সম্মানসূচক পদবী 'হিরো অব সোশ্যালিস্ট লেবার'-এ নাম অন্তর্ভূক্ত হয়।[৭]
- নাদিয়া কোমেনিচি আইওসি থেকে সর্বোচ্চ সম্মাননা হিসেবে অলিম্পিক অর্ডার লাভ করেন। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি থেকে ১৯৮৪ এবং ২০০৪ সালে এ বিরল সম্মাননা প্রাপ্তির অধিকারীনি হন তিনি। একমাত্র ক্রীড়াবিদসহ সর্বকনিষ্ঠ ক্রীড়াবিদ হিসেবে তিনি দু'বার এ সম্মানের অধিকারী হন। এছাড়াও, তিনি 'ইন্টারন্যাশনাল জিমন্যাসটিক্স হল অব ফেমে' অন্তর্ভূক্ত হয়েছেন।[২৩]
- ২০০০ সালে 'লরিয়াস ওয়ার্ল্ড স্পোর্টস একাডেমী' কর্তৃক কোমেনিচি শতাব্দীর সেরা অ্যাথলেট হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন।[২৪]
বৈবাহিক জীবন [সম্পাদনা]
১৯৯১ সালে রোমানিয়া থেকে নাদিয়া কানাডায় অবস্থান করতে থাকেন। ঐ বছরেই মন্ট্রিলে অবস্থানের সময় আমেরিকান জিমন্যাস্ট বার্ট কোনারের সাথে একত্রিত হন তিনি। তাঁদের মধ্যে প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল আমেরিকান কাপে ১৯৭৬ সালে। কোনার নাদিয়াকে ওকলেহোমায় বসবাসের প্রস্তাব দেন। ১২ নভেম্বর, ১৯৯৪ সালে নাদিয়া কোমেনিচি তাঁর ৩৩তম জন্মদিনে বিবাহ সম্পর্কীয় চুক্তিতে আবদ্ধ হন। কম্যুনিজমের পতন এবং নিকোলাই চসেস্কু'র মৃত্যুর পর বার্ট কোনারকে সাথে নিয়ে তিনি প্রথমবার রোমানিয়ায় ফিরে আসেন। ২৭ এপ্রিল, ১৯৯৬ সালে বুখারেস্টে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এই বিবাহ অনুষ্ঠানটি রোমানিয়ায় টেলিভিশনের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। পরবর্তীতে সাবেক 'প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে' এ দম্পত্তির বিবাহ-পরবর্তী সম্বর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।[১৭][২৫]
২৯ জুন, ২০০১ সালে নাদিয়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব লাভ করেছিলেন। পাশাপাশি রোমানিয়ার পাসপোর্টও বহন করতেন তিনি। অর্থাৎ, তিনি দ্বৈত নাগরিকত্বের অধিকারীনি ছিলেন।[৭]
ওকলেহোমা শহরেই নাদিয়া কোমেনিচি-বার্ট কোনার দম্পত্তির ১ম সন্তান জন্মগ্রহণ করে। ডাইল্যান পল কোনার নামীয় পুত্রসন্তানটি ৩ জুন, ২০০৬ সালে ভূমিষ্ঠ হয়।[২৬][২৭]
সাংস্কৃতিক অঙ্গনে [সম্পাদনা]
- ১৯৮৪ সালে "নাদিয়া" শিরোনামে টেলিভিশনের মাধ্যমে আত্মজীবনীমূলক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ The Columbia Electronic Encyclopedia, 6th ed. (2007)। "Gymnastics"। infoplease.com। http://www.infoplease.com/ce6/society/A0822234.html। সংগৃহীত September 6, 2007।
- ↑ British Olympic Association (2007)। Gymnastics history "British Olympic Association"। British Olympic Association। http://www.olympics.org.uk/sporthistory.aspx?gt=S&sp=GA Gymnastics history। সংগৃহীত September 6, 2007।
- ↑ "Munchkin leads European charge of gymnastics" CBC sports, June 3, 2008
- ↑ ৪.০ ৪.১ "Olympic Champion Nadia Comăneci Young Athlete, August 1978
- ↑ Letters to a Young Gymnast. Comăneci, Nadia. 2004, Basic Books. ISBN 0-465-01276-0 pg. 4
- ↑ Letters to a Young Gymnast. Comăneci, Nadia. 2004, Basic Books. ISBN 0-465-01276-0 pg. 5
- ↑ ৭.০ ৭.১ ৭.২ Whatever Happened to Nadia Comăneci? Barbara Fisher and Jennifer Isbister, 2003, Gymnastics Greats.com
- ↑ Letters to a Young Gymnast. Comăneci, Nadia. 2004, Basic Books. ISBN 0-465-01276-0 pg.
- ↑ "Olympic Champion Nadia Comăneci Young Athlete, August 1978
- ↑ Letters to a Young Gymnast. Comăneci, Nadia. 2004, Basic Books. ISBN 0-465-01276-0 pg. 17–19
- ↑ "Nadia Awed Ya Frank Deford, Sports Illustrated, August 2, 1976
- ↑ Letters to a Young Gymnast. Comăneci, Nadia. 2004, Basic Books. ISBN 0-465-01276-0 pg. 19
- ↑ ১৩.০ ১৩.১ List of competitive results Gymn-Forum
- ↑ Letters to a Young Gymnast. Comăneci, Nadia. 2004, Basic Books. ISBN 0-465-01276-0 pg. 27–28
- ↑ "Biography: COMANECI, Nadia"। U.S. Gymnastics Hall of Fame। http://www.usghof.org/files/bio/n_comaneci/n_comaneci.html। সংগৃহীত 17 July 2011।
- ↑ ১৬.০ ১৬.১ ১৬.২ "Still A Perfect 10" Olympic Review, Paul Ziert, 2005
- ↑ ১৭.০ ১৭.১ ১৭.২ Legends: Nadia Comăneci International Gymnast magazine
- ↑ "MDA's Perfect 10s" Muscular Dystrophy Association
- ↑ Diplomatic List, Office of the Chief of Protocol, U.S. Department of State. Summer 2006. Accessed January 28, 2007.
- ↑ ২০.০ ২০.১ UPI Athletes of the Year
- ↑ List of winners, BBC Sports Personality of the Year (Overseas) BBC press office
- ↑ Associated Press Athletes of the Year MSN Encarta. Archived 2009-11-01.
- ↑ "Nadia Comaneci"। International Gymnastics Hall of Fame। http://www.ighof.com/honorees/honorees_nadia.html। সংগৃহীত May 12, 2007।
- ↑ "Nadia Comaneci"। CNN। July 7, 2008। http://www.cnn.com/2008/SPORT/04/29/nadiacomaneci/index.html।
- ↑ "Nadia Tumbles over Wedding" Cincinnati Post, April 6, 1996
- ↑ "Nadia Comăneci, Bart Conner Welcome Baby Boy" Associated Press, June 6, 2006
- ↑ "Former Gymnasts Nadia Comăneci and Bart Conner Baptized Their First Child, Dylan Paul" Catalina Iancu, Jurnalul National, August 28, 2006