কন্ডোলিৎসা রাইস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কন্ডোলিৎসা রাইস


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬৬তম পররাষ্ট্রমন্ত্রী
In office
২৬ জানুয়ারি, ২০০৫ – ২০ জানুয়ারি, ২০০৯
President জর্জ ডব্লিউ. বুশ
Deputy রিচার্ড আর্মিটেজ (২০০৫)
রবার্ট জোয়েলিক (২০০৫–২০০৬)
জন নেগ্রোপন্টে (২০০৭–২০০৯)
Preceded by কলিন পাওয়েল
Succeeded by হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২০তম জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা
In office
২০ জানুয়ারি, ২০০১ – ২৬ জানুয়ারি, ২০০৫
President জর্জ ডব্লিউ. বুশ
Deputy স্টিফেন হ্যাডলি
Preceded by স্যান্ডি বার্গার
Succeeded by স্টিফেন হ্যাডলি

In office
১৯৯৩ – ১৯৯৯
Preceded by জেরাল্ড জে. লিবারম্যান
Succeeded by জন এল. হ্যানেসি

Born নভেম্বর ১৪, ১৯৫৪ (1954-11-14) (বয়স ৫৭)
বার্মিংহাম, আলাবামা
Political party রিপাবলিকান
Alma mater ইউনিভার্সিটি অফ ডেনভার
ইউনিভার্সিটি অফ নটর ডেম
Profession অধ্যাপক, প্রভোস্ট, কূটনীতিক, রাজনীতিক
Religion প্রেজবিটেরিয়ান
Signature

কন্ডোলিৎসা রাইস (ইংরেজি ভাষা: Condoleezza Rice) (জন্ম: ১৪ নভেম্বর, ১৯৫৪), যিনি কন্ডোলিজা রাইস নামেও পরিচিত, পেশাগত জীবনে একজন অধ্যাপক, কূটনীতিক, লেখিকা, ও জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ। তিনি কলিন পাওয়েলের পর যুক্তরাষ্ট্রের ৬৬তম পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রপতি জর্জ ডব্লিউ. বুশের মন্ত্রীসভায় দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আফ্রো-আমেরিকান নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সেই সাথে কলিন পাওয়েলের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো মন্ত্রীসভার দ্বিতীয় আফ্রো-আমেরিকান ব্যক্তিত্ব, ও ম্যাডেলিন অলব্রাইটের পর দ্বিতীয় নারী ব্যাক্তিত্ব। জর্জ ডব্লিউ বুশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম মেয়াদের মন্ত্রীসভায় রাইস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কন্ডোলিৎসা রাইস স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের একজন অধ্যাপক, এবং তিনি প্রভোস্ট হিসেবে সেখানে ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। রাষ্ট্রপতি জর্জ এইচ.ডব্লিউ. বুশের মেয়াদকালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিকেন্দ্রীকরণজার্মান পুনঃএকত্রীকরণের সময় রাইস রাষ্ট্রপতির সোভিয়েতপূর্ব ইউরোপ সংক্রান্ত উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে রাইস তাঁর কার্যক্রম শুরুর সময় তিনি ট্রান্সফর্মেশনাল ডিপ্লোমেসি নামক একটি নতুন কূটনৈতিক নীতির সূচনা করেন, যা মূলত বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যে গণতন্ত্রের দিকে আলোকপাত করে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের প্রতি তাঁর সমর্থনের কারণে হামাস নির্বাচনে বিপুলভাবে জয়ী হওয়ার পরেও চাপের মুখে পড়ে। এছাড়া হামাসের প্রতি চাপ ছিলো বিভিন্ন ইসলামি সামরিক সংগঠন, সৌদি আরব, মিশর ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলোর।[১]

মার্চ ২০০৯-এ রাইস পুনরায় স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ও থমাস বারবারা স্টিফেনসন সিনিয়র ফেলো হিসেবে হুভার ইন্সস্টিটিউশনে ফিরে আসেন।[২][৩]

সূচিপত্র

[সম্পাদনা] পাদটীকা

  1. Board of Directors. প্রকাশক: Millennium Challenge Corporation. http://www.mcc.gov/about/boardofdirectors/index.php। সংগৃহীত হয়েছে: January 21, 2009. "The Secretary of State is the Chair of the Board..." 
  2. Condi Rice website at Stanford University. প্রকাশক: Fsi.stanford.edu. http://fsi.stanford.edu/people/condoleezzarice/। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-05-27. 
  3. Condoleezza Rice. Condi Rice website at the Hoover Institution. প্রকাশক: Hoover.org. http://www.hoover.org/bios/rice.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-05-27. 

[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা] রচনাপঞ্জি

[সম্পাদনা] আরো পড়ুন

[সম্পাদনা] প্রাতিষ্ঠানিক বই

  • John P. Burke; "Condoleezza Rice as NSC Advisor A Case Study of the Honest Broker Role" Presidential Studies Quarterly v 35 #3 pp 554+.
  • James Mann. Rise of the Vulcans: The History of Bush's War Cabinet (2004)

[সম্পাদনা] জনপ্রিয় বই ও বক্তৃতা

[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ

কন্ডোলিৎসা রাইস সম্পর্কে আরও তথ্য পেতে হলে উইকিপিডিয়ার সহপ্রকল্পগুলোতে অনুসন্ধান করে দেখতে পারেন:

Wiktionary-logo-en.svg সংজ্ঞা, উইকিঅভিধান হতে
Wikibooks-logo.svg পাঠ্যবই, উইকিবই হতে
Wikiquote-logo.svg উক্তি, উইকিউক্তি হতে
Wikisource-logo.svg রচনা সংকলন, উইকিউৎস হতে
Commons-logo.svg ছবি ও অন্যান্য মিডিয়া, কমন্স হতে
Wikinews-logo.png সংবাদ, উইকিসংবাদ হতে

নিজস্ব হাতিয়ারসমূহ
নামস্থান

বিকল্পসমূহ
কার্যক্রম
পরিভ্রমন
মুদ্রণ/এক্সপোর্ট
সরঞ্জাম
অন্যান্য ভাষাসমূহ