ডার্কথ্রোন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ডার্কথ্রোন

নক্টার্নো কাল্টো ও ফ্রেনরিজ ২০০৫ সালে
প্রাথমিক তথ্যাদি
উদ্ভব কোলবোতন, নরওয়ে
ধরন ব্ল্যাক মেটাল
ক্রুস্ট পাঙ্ক (সাম্প্রতিক কালে)
ডেথ মেটাল (প্রাথমিকভাবে)
স্পীড মেটাল (সাম্প্রতিক কালে)
কার্যকাল ১৯৮৭–বর্তমান
লেবেল পিস ভাইল রেকর্ডস, মুনফগ রেকর্ডস
ওয়েবসাইট www.darkthrone.no
সদস্যবৃন্দ
নক্টার্নো কাল্টো
ফ্রেনরিজ

ডার্কথ্রোন একটি নরওয়েজীয় ব্ল্যাক মেটাল ব্যান্ড। ১৯৮৭ সালে তারা ডেথ মেটাল ব্যান্ড হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও পরে ১৯৯১ সালে তারা ব্ল্যাক মেটাল ব্যান্ড হিসেবে আত্ন প্রকাশ করে ও নরওয়েজীয় ব্ল্যাক মেটাল দৃশ্যপটে আবির্ভূত হয় চালিকাসূত্র হিসেবে। বেশির ভাগ সময়ে ডার্কথ্রোনে দুইজন মিউজিশিয়ানই ছিলেন নক্টার্নো কাল্টো ও ফ্রেনরিজ যারা এখনও মুলাধারার সংগীত থেকে বাইরে।[১] ক্রুস্ট পাঙ্ক ধরনের দিকে তাদের কাজ মোড় নেয় ২০০৬ সাল থেকে।

পরিচ্ছেদসমূহ

ডেথ মেটালের বছরগুলো [সম্পাদনা]

তাদের নাম শুরুতে ছিল ব্ল্যাক ডেথ। ১৯৮৮ ও ১৯৮৯ সালে তারা ৪টি ডেমো বের করে যা হলো ল্যান্ড অব ফ্রস্ট, আ নিউ ডাইমেনশন, থুল্কান্ড্রা ও ক্রোমলিচ। তারা পিস ভাইল রেকর্ডসের সাথে চুক্তিভুক্ত হয় ৪টি অ্যালবাম প্রকাশের জন্য। ১৯৯০ সালে তারা তাদের প্রথম অ্যালবাম সোলসাইড জার্নি বের করে। এটা ছিল একটা প্রকৃত টেকনিক্যাল ডেথ মেটাল অ্যালবাম যাতে আবার ব্ল্যাক মেটালের উপাদানও ছিল। তারা আস্তে আস্তে ব্ল্যাক মেটালের গানের দিকে ঝুকে পড়তে থাকে। ১৯৯৭ সালে তারা তাদের সংকলিত অ্যালবাম গোটলর্ড বের করে।

ব্ল্যাক মেটাল বছরগুলো [সম্পাদনা]

১৯৯১ সালে তারা ব্ল্যাক মেটালের সৌন্দর্যচর্চায় মনোনিবেশ করে এবং কাল্পনিক নাম ও মুখ সাদা রঙ মাখা শুরু করে। ১৯৯২ সালে আ ব্লেজ ইন দ্যা নর্দান স্কাই নামের অ্যালবামে বের করে তারা, যা ছিল তাদের প্রথম ব্ল্যাক মেটাল অ্যালবাম। তাদের লেবেল পিস ভাইল রেকর্ডস সংশয়ে ছিল তাদের এই চূড়ান্ত রকমের বিবর্তন নিয়ে।[২] ১৯৯৩ সালের জুন-জুলাইয়ের দিয়ে আন্ডার আ ফিউনারেল মুন নামের তাদের ৩য় অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। এই অ্যালবামটি তাদের সম্পূর্ণ ব্ল্যাক মেটাল ব্যান্ড হিসেবে পরিণত করে ও এটা একটা ইতিহাস হয়ে থাকবে এই ধারার সংগীতের বিকাশে ও উন্নতিতে। ১৯৯৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাদের অ্যালবাম ট্রান্সসিলভানিয়ান হাঙ্গার প্রকাশ পায়। এতা কিছুটা বিতর্কিত, কারণ এখানে ভার্গ ভিকারনেস-এর লিখা কিছু গান ছিল ও এর বুকলেটে লিখা ছিল নরওয়েজিয়ান আর্য ব্ল্যাক মেটাল। এই অ্যালবামটির রেকর্ডিং ছিল কাচা, কম বিশ্বস্ত ও সহজ ধরনের।

মুনফগ রেকর্ডসের সাথে [সম্পাদনা]

তারা এরপর মুনফগ রেকর্ডসের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় যা ছিল স্যাটারিকন ব্যান্ডের স্যাটায়ের মালিকানায়। ১৯৯৫ সালে তাদের অ্যালবাম পাঞ্জারফাউস্ট মুক্তি পায়। এটাতেও তাদের আগের অ্যালবামের মত রেকর্ডিং মান ছিল যদিও তা ভালো গ্রহণযোগ্যতা পায়। ১৯৯৬ সালে তাদের অ্যালবাম টোটাল ডেথ মুক্তি পায় যাতে অন্য চারজন ব্ল্যাক মেটাল মিউজিশিয়ান গান লেখে। ১৯৯৯ সালে তাদের র‍্যাভিশিং গ্রিমনেস মুক্তি পায়। এতে কেল্টিক ফ্রস্ট ব্যান্ডের প্রাথমিক কাজের প্রভাব ছিল লক্ষ্যণীয়। ২০০১ সালে তাদের অ্যালবাম প্লেগওয়াইল্ডার মুক্তি পায়।[৩] ২০০৬ সালে প্রকাশিত তাদের দ্যা কাল্ট ইজ অ্যালাইভ অ্যালবামটি নরওয়েজিয় চার্টের ২২ নাম্বারে অবস্থান পায়। ২০১০ সালে তাদের সর্বশেষ অ্যালবাম সার্কেল দ্যা ওয়াগন মুক্তি পায় যাতে ক্রুস্ট পাঙ্ককের প্রভাব ছিল।

বর্তমান সদস্য [সম্পাদনা]

  • নক্টার্নো কাল্টো
  • ফ্রেনরিজ

ডিস্কোগ্রাফি [সম্পাদনা]

স্টুডিও অ্যালবাম [সম্পাদনা]

  • সোলসাইড জার্নি (১৯৯১)
  • আ ব্লেজ ইন দ্যা নর্দান স্কাই (১৯৯২)
  • আন্ডার আ ফিউনারেল মুন (১৯৯৩)
  • ট্রান্সসিলভানিয়ান হাঙ্গার (১৯৯৪)
  • পাঞ্জারফাউস্ট (১৯৯৫)
  • টোটাল ডেথ (১৯৯৬)
  • র‍্যাভিশিং গ্রিমনেস (১৯৯৯)
  • প্লেগওয়াইল্ডার (২০০১)
  • হেট দেম (২০০৩)
  • শার্ডনিক ওয়ারথ (২০০৪)
  • দ্যা কাল্ট ইজ অ্যালাইভ (২০০৬)
  • ফড (২০০৭)
  • ডার্কথ্রোনস এ্যান্ড ব্ল্যাক ফ্লাগস (২০০৮)
  • সার্কেল দ্যা ওয়াগন (২০১০)

ডেমো [সম্পাদনা]

  • ল্যান্ড অব ফ্রস্ট (১৯৮৮)
  • আ নিউ ডাইমেনশন (১৯৮৮)
  • থুল্কান্ড্রা (১৯৮৯)
  • ক্রোমলিচ (১৯৮৯)
  • গোটলর্ড (১৯৯১)

তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]

  1. Amateur fanzine link
  2. "Peaceville Records Biography"http://peaceville.com/index.php?cid=2। সংগৃহীত 2007-08-20
  3. Smith, Brad. "Interview with Darkthrone"

বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]