জেমস বুকানন ডিউক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জেমস বুকানন ডিউক
BuckDuke.jpg
জন্ম ডিসেম্বর ২৩, ১৮৫৬
Durham, North Carolina
মৃত্যু অক্টোবর ১০, ১৯২৫ (৬৮ বছর)
নিউ ইয়র্ক শহর, নিউ ইয়র্ক
সমাধি ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়
মোট সম্পত্তি US$140 million at the time of his death (approximately 1/652nd of US GNP)[১]
দাম্পত্য সঙ্গী Lillian Fletcher McCredy (m. 1904–1906) «Did not recognize date. Try slightly modifying the date in the first parameter.–Did not recognize date. Try slightly modifying the date in the first parameter.»"Marriage: Lillian Fletcher McCredy to জেমস বুকানন ডিউক" Location: (linkback://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%B8_%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A8_%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%95)
Nanaline Holt Inman (m. 1907–1925) «Did not recognize date. Try slightly modifying the date in the first parameter.–Did not recognize date. Try slightly modifying the date in the first parameter.»"Marriage: Nanaline Holt Inman to জেমস বুকানন ডিউক" Location: (linkback://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%B8_%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A8_%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%95)
সন্তান Doris Duke
পিতা-মাতা Washington Duke
আত্মীয় Benjamin Newton Duke, brother
James B. Duke House on Fifth Avenue, New York

জেমস বুকানন ডিউক আধুনিক সিগারেটের উদ্ভাবক। সভ্যতার ইতিহাসের ভয়ংকরতম উদ্ভাবন বলা যায় একে। বিংশ শতাব্দীতে প্রায় ১০ কোটি মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী এই সিগারেট।[২][৩]

পরিচ্ছেদসমূহ

প্রাথমিক জীবন [সম্পাদনা]

ডিউক চ্যাপেলএর সামনে জেমস বুকানন ডিউকের মূর্তি।

ডিউক ১৮৮০ সালে ২৪ বছর বয়সে তামাকের ব্যবসা শুরু করেন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার ডারহামে। যন্ত্রের সাহায্যে নিখুঁতভাবে উৎপাদিত আধুনিক সিগারেটকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। জেমস বনস্যাক নামের একজন প্রকৌশলীর উদ্ভাবিত যন্ত্র সিগারেট উৎপাদনে বিপ্লব এনেছিল। এই যন্ত্র উদ্ভাবনের আগে চুরুট ও পাইপ ব্যবহার করে তামাক সেবন করা হতো। তামাক চিবিয়েও খাওয়া হতো।[২][৩]


ব্যবসায়িক জীবন [সম্পাদনা]

ডিউক চ্যাপেলএর সামনে জেমস বুকানন ডিউকের মূর্তি।

এই মার্কিন নাগরিক ১৯০২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন তামাক বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি)। সিগারেটের অব্যাহত বিশ্বায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে বিএটি। তাই ডিউককে ‘মৃত্যুর সওদাগর’ বলেন অনেকেই। ডারহামের ট্রিনিট্রি কলেজকে তিনি ১০ কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি অর্থ দিয়েছিলেন। তাঁর নামানুসারে ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ হয় ডিউক ইউনিভার্সিটি। ইতিহাসবিদ জর্ডান গুডম্যান বলেন, ডিউককে নায়ক ও খলনায়ক উভয় বিশেষণই দেওয়া যেতে পারে। ব্যবসায় ব্যাপক সাফল্য বিবেচনায় তাঁকে নায়ক বলা যেতেই পারে। আর ধূমপানকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়ে বড় সমস্যা তিনিই তৈরি করেছেন। ভয়াবহ পরিণতি বিবেচনায় ডিউককে তুলনা করা যেতে পারে মারণাস্ত্র একে-৪৭ আবিষ্কারক কালাশনিকভ, পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক জে রবার্ট ওপেনহাইমার ও ডিনামাইটের আবিষ্কারক আলফ্রেড নোবেলের সঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক রবার্ট প্রক্টর বলেন, ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর উদ্ভাবন সিগারেট। [২][৩]

তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]

  1. Klepper, Michael; Gunther, Michael (1996), The Wealthy 100: From Benjamin Franklin to Bill Gates—A Ranking of the Richest Americans, Past and Present, Secaucus, New Jersey: Carol Publishing Group, p. xiii, আইএসবিএন 978-0-8065-1800-8, OCLC 33818143
  2. ২.০ ২.১ ২.২ ‘মৃত্যুর সওদাগর’ ডিউক!,বিবিসি, দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ১৪-১১-২০১২ খ্রিস্টাব্দ।
  3. ৩.০ ৩.১ ৩.২ মৃত্যুদূত সিগারেটের আবিষ্কারক জেমস বুকানন ডিউক,বিবিসি, বাংলাদেশের খবর। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ১৪-১১-২০১২ খ্রিস্টাব্দ।

বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]