উহুরু কেনিয়াত্তা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
উহুরু কেনিয়াত্তা
কেনিয়ার নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি
কার্যালয় গ্রহণ
৯ এপ্রিল, ২০১৩
প্রধানমন্ত্রী রাইলা ওদিঙ্গা
উপরাষ্ট্রপতি উইলিয়াম রুতো
উত্তরসূরী মুয়াই কিবাকি
কেনিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী
কার্যালয়ে
১৭ এপ্রিল, ২০০৮ – ৯ এপ্রিল, ২০১৩
Serving with মুজালিয়া মুদাভাদি
রাষ্ট্রপতি মুয়াই কিবাকি
প্রধানমন্ত্রী রাইলা ওদিঙ্গা
পূর্বসূরী পদ সৃষ্ট
উত্তরসূরী নির্ধারিত হয়নি
অর্থমন্ত্রী
কার্যালয়ে
২ জানুয়ারি, ২০০৯ – ২৬ জানুয়ারি, ২০১২
রাষ্ট্রপতি মুয়াই কিবাকি
প্রধানমন্ত্রী রাইলা ওদিঙ্গা
পূর্বসূরী আমোজ কিমানিয়া
উত্তরসূরী রবিনসন নেরু গিথায়ে
বাণিজ্যমন্ত্রী
কার্যালয়ে
১৭ এপ্রিল, ২০০৮ – ২ জানুয়ারি, ২০০৯
রাষ্ট্রপতি মুয়াই কিবাকি
প্রধানমন্ত্রী রাইলা ওদিঙ্গা
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়
কার্যালয়ে
২ জানুয়ারি, ২০০৮ – ১৬ এপ্রিল, ২০০৮
রাষ্ট্রপতি মুয়াই কিবাকি
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম নাইরোবি কেনিয়া
(১৯৬৯-১০-২৬) ২৬ অক্টোবর ১৯৬৯ (বয়স ৪৫)
জাতীয়তা কেনিয়ান
রাজনৈতিক দল টিএনএ
অন্যান্য রাজনৈতিক
দল
কানু
পিএনইউ (২০০৭-২০১২)
জুবিলি অ্যালায়েন্স (২০১২-বর্তমান)
দাম্পত্য সঙ্গী মার্গারেট গাকু (বিবাহ - ১৯৯১)
সম্পর্ক জোমো কেনিয়াত্তা (বাবা)
সন্তান
অধ্যয়নকৃত শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান
সেন্ট মেরি'জ স্কুল[১]
অ্যামহার্স্ট কলেজ
ওয়েবসাইট www.uhuru.co.ke

উহুরু মুইগাই কেনিয়াত্তা (সোয়াহিলি: Uhuru Muigai Kenyatta; জন্ম: ২৬ অক্টোবর, ১৯৬১) নাইরোবিতে জন্মগ্রহণকারী কেনিয়ার বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি কেনিয়ার চতুর্থ রাষ্ট্রপতি হিসেবে বর্তমানে দেশ পরিচালনা করছেন। এর পূর্বে তিনি কেনিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। গাটুন্ডু সাউথ কন্সটিটুয়েন্সি থেকে সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি। এছাড়াও, কেনিয়া আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়ন বা কানু'র সভাপতি ছিলেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

জোমো কেনিয়াত্তা ছিলেন তার বাবা। ১৯৬৪-১৯৭৮ সাল পর্যন্ত জোমো কেনিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। কেনিয়া'র কিকাইয়ু জাতিগোষ্ঠীর লোক হিসেবে তাকে রাজনৈতিক জীবন গড়তে ব্যাপক সহায়তা করে। সোয়াহিলি ভাষায় উহুরু শব্দের অর্থ স্বাধীন। নাইরোবির সেন্ট মেরিজ স্কুলে পড়াশোনা করেন। সেখান থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়নের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যামহার্স্ট কলেজে ভর্তি হন।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত কেনিয়াত্তা মার্গারেট গাকু কেনিয়াত্তার সাথে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের সংসারে জোমো, নিনা ও জাবা নামীয় তিন সন্তান রয়েছে। তিনি ক্যাথলিক ধর্মে বিশ্বাসী।

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে তিনি তদানীন্তন রাষ্ট্রপতি ড্যানিয়েল আরপ মোইয়ের সরকারে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হন। রাজনৈতিক পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা স্বত্ত্বেও তিনি মোইয়ের আশীর্বাদপুষ্ট ছিলেন। ডিসেম্বর, ২০০২ সালের কানু দলের প্রার্থী হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেনিয়াত্তা অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু বিরোধী প্রার্থী মোয়াকি কিবাকি'র কাছে বিশাল ব্যবধানে হেরে যান। এরপর সংসদে তিনি বিরোধীদলীয় নেতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

২০০৫ সালের জানুয়ারির শেষদিকে কেনিয়াত্তা কানু'র সভাপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নিকোলাস বিয়তকে পরাভূত করেন।[২] একই বছরে কেনিয়ার সংবিধান সংশোধনের খসড়া প্রস্তাবের বিপক্ষে দলকে নেতৃত্ব দেন। লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি এবং অরেঞ্জ ডেমোক্র্যাটিক মোভমেন্ট দলের সাথে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটান। এরফলে খসড়া সংবিধানটি উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে বাতিল হয়ে যায়।

নভেম্বর, ২০০৬ সালে বিয়তের নেতৃত্বে কানু দলের প্রধানের পদ থেকে কেনিয়াত্তা ক্ষমতাচ্যুত হন। কিন্তু কেনিয়াত্তা এ সিদ্ধান্ত অন্যায় ও অগ্রহণযোগ্যরূপে আখ্যায়িত করেন।[৩][৪] ২৮ ডিসেম্বর, ২০০৬ তারিখে কেনিয়ার হাইকোর্ট উহুরু কেনিয়াত্তাকে কানু'র সভাপতি পদে পুণর্বহাল করে।[৫] ২৮ জুন, ২০০৭ তারিখে উচ্চ আদালত কেনিয়াত্তাকে পার্টি প্রধান হিসেবে নিশ্চিত করে এবং বিয়তের অপর্যাপ্ত প্রামাণ্য দলিলে কেনিয়াত্তাকে অন্য দলে যোগদানের বিষয়টি অস্বীকার করে।[৬]

ডিসেম্বর, ২০০৭ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তিনি পুণরায় কিবাকি সরকারের বিরুদ্ধে পুণঃনির্বাচনে অংশ নেন। জানুয়ারি, ২০০৮ সালে কিবাকি সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হন। বিভিন্ন দলের সম্মিলনে গঠিত সরকারে এপ্রিল, ২০০৮ সালে উপ-প্রধানমন্ত্রী ও বাণিজ্য মন্ত্রী হন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন[সম্পাদনা]

৪ মার্চ, ২০১৩ তারিখে কেনিয়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে উহুরু কেনিয়াত্তা রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ও উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে উইলিয়াম রুতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। গৃহীত ১২,৩৩৮,৬৬৭ ভোটের মধ্যে তিনি ৬,১৭৩,৪৩৩ ভোট পান যা মোট ভোটের ৫০.০৩%।[৭] পঞ্চাশ শতাংশের বেশী ভোট পাওয়ায় তিনি প্রথম পর্বে বিজয়ী হন ও শীর্ষস্থানীয় দুই জন প্রার্থীর মধ্যে পুণরায় নির্বাচনের প্রয়োজন পড়েনি।[৮] ফলে স্বাধীন নির্বাচন ও সীমানা নির্ধারণ কমিশন (আইইবিসি) ৯ মার্চ, ২০১৩ তারিখে তাঁকে কেনিয়া প্রজাতন্ত্রের চতুর্থ রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা করে।[৯][১০][১১][১২] রাইলা ওদিঙ্গা ৪৩.৪% ভোট পেয়ে আটজন প্রার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় হন। রাইলা নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতির কথা তুলে ধরেন এবং নতুন বিচার ব্যবস্থায় এ ফলাফলের বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হবেন বলে ঘোষণা দেন।

বিতর্ক[সম্পাদনা]

৮ মার্চ, ২০১১ তারিখে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে কেনিয়া প্রজাতন্ত্রে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটনে সম্পৃক্ততার ৫টি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২৭ ডিসেম্বর, ২০০৭ থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ তারিখ পর্যন্ত নির্বাচন-পরবর্তীকালে পূর্ব পরিকল্পনামাফিক, অর্থসংস্থান ও সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে কেনিয়াত্তা অরেঞ্জ ডেমোক্র্যাটিক মুভমেন্টের সমর্থকদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা-হামাঙ্গায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।[১৩] হত্যা, ধর্ষণ, নিপীড়ন ও অন্যান্য অমানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

রাজনৈতিক দফতর
পূর্বসূরী
প্রযোজ্য নয়
কেনিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী
২০০৮-২০১৩


উত্তরসূরী
TBD
পূর্বসূরী
মুয়াই কিবাকি
কেনিয়ার রাষ্ট্রপতি
নির্বাচিত

২০১৩-বর্তমান


দায়িত্ব/অবশ্য কর্তব্য

টেমপ্লেট:Current Kenyan MPs টেমপ্লেট:ICC indictees (NavBox) টেমপ্লেট:2013 presidential candidates,Kenya টেমপ্লেট:2002 presidential candidates, Kenya টেমপ্লেট:Kenya-Ministers of Finance