ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৭-এর লোগো

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার মাইক্রোসফট কর্পোরেশন এর উদ্ভাবিত এবং এখন পর্যন্ত সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রথমে যখন আই-ই (ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার) বাজারে ছাড়া হয় তখন এটিকে কিনতে হত। কিন্তু মাইক্রোসফট কর্পোরেশন ব্রাউজার বাজারে নিজের আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে নতুন মার্কেটিং স্ট্রাটেজি ঠিক করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে আই-ই কে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ফ্রি জুড়ে দেয়া হয়। আর এর পর থেকেই শুরু হয় আই-ই এর উত্থান। আই-ই ৬ বাজারে আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছিল বহু বছর ধরে। কিন্তু মোজিলা ফায়ারফক্স বাজারে আসার পর এর একক আধিপত্যে চির ধরে। মোজিলা ফায়ারফক্স ওপেন সোর্স বিধায় এর ডেভেলপমেন্ট খুব দ্রুত হয়। ট্যাব-ব্রাউজিং এবং বাড়তি নিরাপত্তা আই-ই কে বাধ্য করে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে। আর এই লক্ষ্যে মাইক্রোসফট উদ্ভাবন করে তাদের ব্রাউজারের নতুন ভার্সন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৭।

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের বিভিন্ন সংস্করণ[সম্পাদনা]

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৭[সম্পাদনা]

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৭ বিশেষ ফিচার-সমুহঃ

  1. ট্যাব-ব্রাউজিং
  2. সম্প্রসারিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা (Extended security system)
  3. সম্প্রসারণযোগ্য অনুসন্ধান ব্যবস্থা (Extensible search system) (ফায়ারফক্স এর মত)
  4. পপ-আপ ব্লকার
  5. ফিড এজেন্ট (লাইভ বুকমার্ক)

দুর্বলতাঃ

  1. বিজ্ঞাপন রোধক (এড ব্লকার) নেই।
  2. ধীর গতিতে কাজ করে।(ডায়াল-আপ ব্যবহারকারীগন এটা ভালো বুঝতে পারবেন)
  3. প্লাগ-ইন এর অভাব।

এটা সত্যি যে, আই-ই ৭ ফায়ারফক্স এর আগ্রাসন বন্ধ করার জন্যই মাইক্রোসফট এর পক্ষ থেকে পালটা জবাব, কিন্তু অনেকেরই ধারণা ফায়াফক্স এর গ্রোথ রেট এর কাছে আই-ই ৭ শেষ পর্যন্ত টিকতে পারবে না।

বহিসংযোগ[সম্পাদনা]