ইউনিভার্সিটি অফ ইন্সব্রুক
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
| ইউনিভার্সিটি অফ ইন্সব্রুক | |
|---|---|
| Leopold-Franzens-Universität Innsbruck | |
| স্থাপিত | ১৬৬৯ (বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে) |
| ধরন | সরকারী |
| অ্যাকাডেমিক স্টাফ | ১৫ টি |
| প্রশাসন স্টাফ | ২০০৯: ১৬৭ জন অধ্যাপক অন্যান্য কর্মকর্তা ২৬৯৩ |
| ছাত্র | ২৫,৭৪০ |
| অস্নাতক | ১০,৯৯২ |
| পোস্ট-স্নাতক | ১৭২৩ |
| ডক্টরেট ছাত্র | ৩৮৫৪ |
| অবস্থান | ইন্সব্রুক, অস্ট্রিয়া |
| ওয়েবসাইট | www.uibk.ac.at |
ইউনিভার্সিটি অফ ইন্সব্রুক (জার্মান ভাষায়: Leopold-Franzens-Universität Innsbruck) অস্ট্রিয়ার টিরোল প্রদেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যাপিঠ। ১৬৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষার্থী সংখ্যার দিক দিয়ে অস্ট্রিয়ায় বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম, ইউনিভার্সিটি অফ ভিয়েনার পরেই। বর্তমানে এতে ১৫ টি অনুষদ এবং ৭৩ টি ইনস্টিটিউট আছে। ২০১০-১১ মৌসুমে টাইমস হায়ার এডুকেশন এর জরিপ অনুসারে ইন্সব্রুক পৃথিবীর ১৮৭ তম ভাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং অস্ট্রিয়ার সর্বোত্তম বিশ্ববিদ্যালয়।[১]
পরিচ্ছেদসমূহ |
অনুষদসমূহ [সম্পাদনা]
- ক্যাথলিক ধর্মতত্ত্ব
- আইন
- ব্যবসায় বাণিজ্য
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান
- অর্থনীতি ও পরিসংখ্যান
- শিক্ষা বিজ্ঞান (সাইকোথেরাপি)
- দর্শনের ইতিহাস
- দর্শন ও সংস্কৃতি বিজ্ঞান
- জীববিজ্ঞান
- রসায়ন ও ফার্মাকোলজি
- ভূগোল ও বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান
- গণিত, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞান
- মনোবিজ্ঞান ও ক্রিড়াবিজ্ঞান
- স্থাপত্য
- পুরকৌশল
ইন্সব্রুকের বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব [সম্পাদনা]
নোবেল বিজয়ী [সম্পাদনা]
- হান্স ফিশার - ১৯১৬-১৮ পর্যন্ত ইন্সব্রুকে শিক্ষকতা করেছেন। রসায়নে নোবেল পুরস্কার পান ১৯৩০ সালে।
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস - ১৯৩১-৩৭ পর্যন্ত ইন্সব্রুকে ছিলেন। মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ফ্রিৎস প্রেগল - ১৯১৩-১৬ পর্যন্ত ইন্সব্রুকের মেডিক্যাল রসায়ন বিভাগে অধ্যাপনা করেন। পরিমাণগত জৈব মাইক্রো-সংশ্লেষে অবদানের জন্য ১৯২৩ সালে রসায়নে নোবেল পান।
- আডোলফ ভিন্ডাউস - ১৯১৬-১৮ পর্যন্ত মেডিক্যাল রসায়ন বিভাগে ছিলেন। স্টেরল নিয়ে গবেষণার জন্য১৯২৮ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।