বিষয়বস্তুতে চলুন

অধিজগৎ (জীববিদ্যা)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(Domain (biology) থেকে পুনর্নির্দেশিত)
Australian green tree frog (Litoria caerulea) (Litoria caerulea)
Scanning electron micrograph of S. aureus; false color added
Electron micrograph of Sulfolobus infected with Sulfolobus virus STSV1.
ত্রি-সাম্রাজ্য পদ্ধতি যা ইউকারিয়া (প্রতিনিধি, অষ্ট্রেলিয় সবুজ বৃক্ষ ব্যাঙ, বামে), ব্যাক্টেরিয়া (প্রতিনিধি, S. aureus, মধ্যে) ও আর্কিয়া (প্রতিনিধি, Sulfolobus, ডানে) দ্বারা গঠিত।
অধিজগৎজগৎপর্বশ্রেণীবর্গপরিবারগণ
জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাসের প্রধান আটটি শ্রেণীবিন্যাস ক্রমের নিন্মতম থেকে উচ্চতম পর্যায় পর্যন্ত ক্রমবিভক্তি। অন্তর্বর্তী অপ্রধান ক্রমগুলো দেখানো হয়নি।

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিভাজনএ অধিজগৎ বলতে, আমেরিকান অণুজীববিদ ও জৈবপদার্থবিদ কার্ল বেইসের ত্রি-সাম্রাজ্য পদ্ধতির সর্বোচ্চ বর্গীয় স্থানকে বোঝায়। ১৯৯০ সালে তার প্রকাশ করা তিনটি অধিজগতের জীবনবৃক্ষ অনুসারে, তিনটি অধিজগৎ হ'ল - আর্কিয়া, ব্যাক্টেরিয়া ও ইউকারিয়া (সংকোষকেন্দ্রীয়)।[] একে প্রথম দুটি অধিজগতের সকল সদস্য প্রকোষকেন্দ্রীয় অণুজীব বা কোষকেন্দ্রহীন এককোষী অণুজীব। সুনির্দিষ্ট কোষকেন্দ্র থাকা ও প্রায় সকল বহুকোষী জীব সংকোষকেন্দ্রীয় অধিজগতের অন্তর্ভুক্ত। অধিজগৎসমূহকে কয়েকটি জগতে ভাগ করা হয়েছে।

বিকল্প শ্রেণিবিভাজন সমূহ

[সম্পাদনা]

জীবজগতের এসব প্রস্তাবিত বিকল্প শ্রেণিবিভাজন সমূহঃ

  • দ্বি-সাম্রাজ্য পদ্ধতি বা অতিঅধিরাজ্য পদ্ধতিঃ প্রকোষকেন্দ্রীয় (মোনেরা) ও সংকোষকেন্দ্রীয় নামে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়।[]
  • ইউকাইট হাইপোথিসিসঃ ব্যাকটেরিয়া ও আর্কিয়া (আর্কিয়া ও ইউকারিয়াকে ধরে) নামে দুটি অধিজগতে ভাগ করা হয়েছিল। এই প্রস্তাবটি জেমস অ্যা লেক ও সঙ্গীরা, ১৯৮৪ সালে প্রকাশ করেন।[][][]

উপরের কোনো একটি পদ্ধতিতেও কোষবিহীন জীবসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি৷ ২০১১ সালে ভাইরাস দের নিয়ে একটি চতুর্থ অধিরাজ্যের সম্ভাবনার কথা আলোচনা করা হয়।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Woese C, Knor O, Wheelis M (১৯৯০)। "Towards a natural system of organisms: proposal for the domains Archaea, Bacteria, and Eucarya."Proc Natl Acad Sci USA৮৭ (12): ৪৫৭৬–৯। বিবকোড:1990PNAS...87.4576Wডিওআই:10.1073/pnas.87.12.4576পিএমসি 54159পিএমআইডি 2112744। ২৭ জুন ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১০{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক)
  2. Mayr, Ernst (১৯৯৮)। "Two empires or three?"Proc Natl Acad Sci USA৯৫ (17): ৯৭২০–৯৭২৩। ডিওআই:10.1073/pnas.95.17.9720পিএমসি 33883পিএমআইডি 9707542। ১৩ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০১১
  3. Archibald, John M. (২৩ ডিসেম্বর ২০০৮)। "The eocyte hypothesis and the origin of eukaryotic cells"Proceedings of the National Academy of Sciences (ইংরেজি ভাষায়)। ১০৫ (51): ২০০৪৯–২০০৫০। ডিওআই:10.1073/pnas.0811118106আইএসএসএন 0027-8424পিএমসি 2629348পিএমআইডি 19091952। ১৮ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২১{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পিএমসি বিন্যাস (লিঙ্ক)
  4. Lake, J. A.; Henderson, E.; Oakes, M.; Clark, M. W. (১ জুন ১৯৮৪)। "Eocytes: a new ribosome structure indicates a kingdom with a close relationship to eukaryotes"Proceedings of the National Academy of Sciences (ইংরেজি ভাষায়)। ৮১ (12): ৩৭৮৬–৩৭৯০। ডিওআই:10.1073/pnas.81.12.3786আইএসএসএন 0027-8424পিএমসি 345305পিএমআইডি 6587394। ১৮ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২১{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পিএমসি বিন্যাস (লিঙ্ক)
  5. Williams, Tom A.; Foster, Peter G.; Cox, Cymon J.; Embley, T. Martin (২০১৩)। "An archaeal origin of eukaryotes supports only two primary domains of life"Nature (ইংরেজি ভাষায়)। ৫০৪ (7479): ২৩১–২৩৬। ডিওআই:10.1038/nature12779আইএসএসএন 1476-4687