হ য ব র ল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(হ-য-ব-র-ল থেকে পুনর্নির্দেশিত)
হযবরল
Adobe Scan 30-Jun-2022 1.jpg
হযবরল প্রচ্ছদ
লেখকসুকুমার রায়
অঙ্কনশিল্পীসুকুমার রায়
দেশভারতবর্ষ
ভাষাবাংলা
ধরনরম্য রচনা
প্রকাশকপ্রথম : ইউ রায় এন্ড সন্স দ্বিতীয় : সিগনেট প্রেস

হ য ব র ল হল সুকুমার রায় রচিত একটি রম্য রচনা।[১] হ য ব র ল বাংলা সাহিত্যের ননসেন্স ধারার একটি শ্রেষ্ঠরচনা। রচনাটির শৈল্পিক সৌন্দর্য ও তাৎপর্য বোঝাতে গিয়ে অনেকে একে এলিস ইন দ্য ওয়ান্ডারল্যান্ডের সাথে তুলনা করেন যদিও দুটি গল্প সুরে-স্বভাবে, সাংস্কৃতিক পটভূমি, ও ভাষিক কারুকার্যে সম্পূর্ণভাবে আলাদা।[২]

বিষয়বস্তু[সম্পাদনা]

গল্পটা শুরু হয় একটা বাচ্চা ছেলের ঘুম থেকে উঠার মধ্যে দিয়ে। গরমকালে ঘাম মোছবার জন্য রুমালটা তুলতে গিয়ে সে দেখে তার রুমাল একটা বেড়াল হয়ে গেছে। বেড়ালটার সাথে সে গল্প করতে শুরু করে এবং বুঝতে পারে বেড়ালটা উল্টোপাল্টা কথা বলছে।

First Signet Edition of HA JA BA RA LA by Satyajit Ray

পরে ছেলেটার দেখা হয় কাকেশ্বর নামক দাঁড়কাক সাথে যে বিদঘুটে হিসাব করে। এরপরে একে একে উদো আর বুদো, হিজিবিজবিজ, ব্যাকরণ শিং, নেড়া, সজারু, প্যাঁচা ইত্যাদি আরও অনেক চরিত্রের অনুপ্রবেশ ঘটে আর বাড়তে থাকে বিশৃঙ্খলা। গল্পের চূড়ান্ত সমাপ্তি ঘটে বাচ্চা ছেলেটির ঘুম থেকে উঠার মধ্যে দিয়ে।

চরিত্রসমূহ[সম্পাদনা]

চন্দ্রবিন্দু

চন্দ্রবিন্দু হল একটি অদ্ভুত মোটাসোটা লাল টকটকে বেড়াল। সে কথায় কথায় এক চোখ বন্ধ করে ফ্যাচফ্যাচ করে হাসতে থাকে।

শ্রীকাকেশ্বর কুচকুচে

৪১নং গেছোবাজার, কাগেয়াপট্টি-এর বাসিন্দা এই দাঁড়কাক, যে বিদঘুটে রকমের হিসাব করে।

উদো আর বুদো

উদো আর বুদো যমজ ভাই। এরা কখনো ঝগড়া করে, আবার কখনো বন্ধুত্ব করে। দেহের আকৃতি দেড় হাত, পা পর্যন্ত সবুজ রঙের দাড়ি, হাতে হুঁকো যাতে কোন কল্কে নেই। টাকের উপর খড়ি দিয়ে কেউ একটা কিছু লিখছে।

হিজিবিজবিজ

একটা বিদঘুটে দেখতে জন্তু যে বিভিন্ন জিনিস কল্পনা করে আর সেইগুলো ভেবে হাসে।

ব্যাকরণ শিং, বি.এ. খাদ্যবিশারদ

একটি রামছাগল যে বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রাখে। যেমনঃ ছাগলে কি না খায়।

নেড়া

বিভিন্ন অদ্ভুত গান গায়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Lesley D. Clement; Leyli Jamali (৩০ জুলাই ২০১৫)। Global Perspectives on Death in Children’s Literature। Taylor & Francis। পৃষ্ঠা 164–। আইএসবিএন 978-1-317-59948-7 
  2. "Sukumar Ray Breaking ground with literary nonsense"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১০-১০-৩০। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-১০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]