বিষয়বস্তুতে চলুন

হাশিমা দ্বীপ

স্থানাঙ্ক: ৩২°৩৭′৪০″ উত্তর ১২৯°৪৪′১৮″ পূর্ব / ৩২.৬২৭৭৮° উত্তর ১২৯.৭৩৮৩৩° পূর্ব / 32.62778; 129.73833
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হাশিমা
স্থানীয় নাম:
端島

ডাকনাম: Battleship Island
২০০৮ সালে
ভূগোল
অবস্থানপূর্ব এশিয়া
আয়তনে ক্রমনাই
প্রশাসন
এলাকানাগাসাকি
জনপরিসংখ্যান
জনসংখ্যা০ (২০১১)
হাশিমার অবস্থান

হাশিমা দ্বীপ বা গানাকানজিমা (端島 বা 軍艦島) জাপানের নাগাসাকি থেকে ১৫ কিলোমিটার[] (৯ মাইল) দূরে অবস্থিত একসময়ের ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল কিন্তু বর্তমানে জনশূন্য। বিশ্বের ৫০৫টি জনমানবহীন দ্বীপের মধ্যে হাশিমা দ্বীপ অন্যতম।[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৮৮৭ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত হাশিমা দ্বীপটি ছিল ঘনবসতিপূর্ন এবং এখানে প্রচুর কয়লা খনি থাকায় অনেক শিল্প কারখানা গড়ে উঠেছিল। দ্বীপটির চারপাশে প্রচুর ভবন ও এর চারদিকে দেওয়ালের বেষ্ঠনী আছে। ১৮৯০ সালে এখানে শিল্প-কারখানা গড়ে উঠতে শুরু করে। ১৯১৬ সালে এখানে জাপানের সবচেয়ে বড় কনক্রিট ৯ স্টোরেজ ভবন গড়ে উঠে।[] এই ভবনটি টাইফুনের হাত থেকে বাঁচার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ১৯৫৯ সালে ১৬ একর আয়তনের এই দ্বীপটির জনসংখ্যা পৌঁছায় ৫২৫৯ জনে।[] এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল প্রতি বর্গ কি.মি. এ ৮৩,৫০০ জন। ১৯৬০ সালে হাশিমা ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনত্বপূর্ণ শহরগুলোর একটি।

১৯৬০ সালের পর থেকে জাপান তথা সমগ্র বিশ্বে কয়লার পরিবর্তে তেলের ব্যবহার শুরু হলে হাশিমা তথা সারা বিশ্বে কয়লার ব্যবহার কমে যায়। ফলে ধীরে ধীরে এখানকার কয়লা উত্তোলনকারী কম্পানীগুলো বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৭৪ সালে নাগাসাকি কর্তৃপক্ষ অনুষ্ঠানিক ভাবে খনিগুলো বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত দ্বীপটি জনশূন্য অবস্থায় আছে। এজন্য এ দ্বীপকে অনেকে ভূতুরে দ্বীপও বলে থাকে।[] এভাবে ৩৫ বছর বন্ধ থাকার পর দ্বীপটি পুনরায় পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়।[]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Hashima: The Ghost Island"। গ্রীষ্ম ২০০২। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৩
  2. "দ্য ঘোস্ট আইল্যান্ড গানাকানজিমা"Daily Manob Kantha। ৫ মে ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৩[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. Der Spiegel (Article) (German ভাষায়), DE{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক).
  4. "10 Weirdest Urban Ecosystems On Earth"। ১৭ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৩
  5. Burke-Gaffney, Brian (গ্রীষ্ম ১৯৯৬), "Hashima: The Ghost Island", Crossroads: A Journal of Nagasaki History and Culture (4), UWOSH: ৩৩–৫২, আইএসএসএন 0919-6102
  6. "Abandoned 'Battleship Island' to reopen to public in Nagasaki"। Japan। The Mainichi Daily News। ২১ এপ্রিল ২০০৯। ২২ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৩

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]