হাশিমা দ্বীপ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
হাশিমা
স্থানীয় নাম:
端島

ডাকনাম: Battleship Island
端島2011.JPG
সমুদ্র থেকে ধারন করা চিত্রে হাশিমা (সেপ্টেম্বর, ২০১১)
ভূগোল
অবস্থানপূর্ব এশিয়া
আয়তনে ক্রমনাই
প্রশাসন
এলাকানাগাসাকি
জনপরিসংখ্যান
জনসংখ্যা০ (২০১১)
হাশিমার অবস্থান

হাশিমা দ্বীপ বা গানাকানজিমা (端島 বা 軍艦島) জাপানের নাগাসাকি থেকে ১৫ কিলোমিটার[১] (৯ মাইল) দূরে অবস্থিত একসময়ের ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল কিন্তু বর্তমানে জনশূন্য। বিশ্বের ৫০৫টি জনমানবহীন দ্বীপের মধ্যে হাশিমা দ্বীপ অন্যতম।[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৮৮৭ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত হাশিমা দ্বীপটি ছিল ঘনবসতিপূর্ন এবং এখানে প্রচুর কয়লা খনি থাকায় অনেক শীল্প কারখানা গড়ে উঠেছিল। দ্বীপটির চারপাশে প্রচুর ভবন ও এর চারদিকে দেওয়ালের বেষ্ঠনী আছে। ১৮৯০ সালে এখানে শিল্প-কারখানা গড়ে উঠতে শুরু করে। ১৯১৬ সালে এখানে জাপানের সবচেয়ে বড় কনক্রিট ৯ স্টোরেজ ভবন গড়ে উঠে।[৩] এই ভবনটি টাইফুনের হাত থেকে বাঁচার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ১৯৫৯ সালে ১৬ একর আয়তনের এই দ্বীপটির জনসংখ্যা পৌঁছায় ৫২৫৯ জনে।[৪] এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল প্রতি বর্গ কি.মি. এ ৮৩,৫০০ জন। ১৯৬০ সালে হাশিমা ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনত্বপূর্ণ শহরগুলোর একটি।

১৯৬০ সালের পর থেকে জাপান তথা সমগ্র বিশ্বে কয়লার পরিবর্তে তেলের ব্যবহার শুরু হলে হাশিমা তথা সারা বিশ্বে কয়লার ব্যবহার কমে যায়। ফলে ধীরে ধীরে এখানকার কয়লা উত্তলনকারী কম্পানীগুলো বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৭৪ সালে নাগাসাকি কর্তৃপক্ষ অনুষ্ঠানিক ভাবে খনিগুলো বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত দ্বীপটি জনশূন্য অবস্থায় আছে। এজন্য এ দ্বীপকে অনেকে ভূতুরে দ্বীপও বলে থাকে।[৫] এভাবে ৩৫ বছর বন্ধ থাকার পর দ্বীপটি পুনরায় পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়।[৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Hashima: The Ghost Island"। Summer ২০০২। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৫-২৪ 
  2. "দ্য ঘোস্ট আইল্যান্ড গানাকানজিমা"Daily Manob Kantha। ৫ মে ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৫-২৪ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. Der Spiegel (Article) (German ভাষায়), DE .
  4. "10 Weirdest Urban Ecosystems On Earth" 
  5. Burke-Gaffney, Brian (Summer ১৯৯৬), "Hashima: The Ghost Island", Crossroads: A Journal of Nagasaki History and Culture, UWOSH (4): 33–52, আইএসএসএন 0919-6102 
  6. "Abandoned 'Battleship Island' to reopen to public in Nagasaki"। Japan। The Mainichi Daily News। ২১ এপ্রিল ২০০৯। ২২ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৩ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

  • "The way to world heritage Gunkanjima" (Japanese ভাষায়)। 
  • "Gunkan-jima tour" (Japanese ভাষায়)। 
  • "Gunkanjima Concierge" (Gunkanjima Landing and Cruise Tour)) (Japanese ভাষায়)।  [Also available in English]
  • "Abandoned Japanese Island" (Documentary video of a local returning)। Videosift। 
  • "Battle Royale locations"। ১০ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৩ 
  • "Thoughts on "Gukanjima – View of an Abandoned Island"" (essay)। Japan: NE। 
  • "Hashima" (Japanese ভাষায়)। Itscom। ২০ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল (Photos taken by a Japanese photographer) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৩ 
  • "Gunkanjima: Ruins of a Forbidden Island" (Account of urban exploration)। Michael Gakuran। 
  • "Project 1"। USA: Surface below। ৬ জুলাই ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৩ 
  • "Gunkanjima"। FR: David Arnaud। ১২ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল (Journey by a french urban photographer) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৩ 
  • "Hashima, the Model of Dead City"। Japan। ১২ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৩ 
  • Hashima, l'illusion d'une île by François Bougon, in Le Monde's M weekly, with a visual dossier by Yves Marchand and Romain Meffre comparing current photos of the ruined installations with black and white photos from the island's "golden" days.

স্থানাঙ্ক: ৩২°৩৭′৪০″ উত্তর ১২৯°৪৪′১৮″ পূর্ব / ৩২.৬২৭৭৮° উত্তর ১২৯.৭৩৮৩৩° পূর্ব / 32.62778; 129.73833