হালিমাহ মোহামেদ সাদিক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
হালিমাহ মোহামেদ সাদিক
حاليمه بنت محمد ساديقوي
নগর উন্নয়ন, বাসস্থান ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক উপমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
১৬ মে ২০১৩ – ১০ মে ২০১৮
সার্বভৌম শাসকআব্দুল হালিম
পঞ্চম মুহাম্মাদ
প্রধানমন্ত্রীনাজিব রাজাক
মন্ত্রীআব্দুর রহমান দাহলান (২০১৩-২০১৬)
নোহ ওমর (২০১৬-২০১৮)
পূর্বসূরীলাজিম উকিন (বাসস্থান ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক উপমন্ত্রী)
সারাভানান মুরুগান (নগর উন্নয়ন বিষয়ক উপমন্ত্রী )
উত্তরসূরীরাজা কামারুল বাহরিন শাহ রাজা আহমেদ (বাসস্থান ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক উপমন্ত্রী)
মোহামেদ ফরিদ মোহাম্মদ রফিক (সমাজ কল্যাণ বিষয়ক উপমন্ত্রী)
সংসদীয় এলাকাতেঙ্গারা
কোতা তিঙ্গির সংসদ সদস্য
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
১০ মে ২০১৮
পূর্বসূরীনুর এহসানুদ্দিন মোহাম্মদ হারুন নাররাশিদ (ইউনাইটেড মালয়জ ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন)
সংখ্যাগরিষ্ঠ১৪,৬২১(২০১৮)
তেঙ্গারার সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
২০০৮ – ২০১৮
পূর্বসূরীআধাম বাবা (ইউনাইটেড মালয়জ ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন)
উত্তরসূরীআধাম বাবা (ইউনাইটেড মালয়জ ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন)
সংখ্যাগরিষ্ঠ১৪,০৪৯(২০০৮)
১৭,১৯৬ (২০১৩)
জোহর বিধানসভা পরিষদের সদস্য
কাজের মেয়াদ
২০০৪ – ২০০৮
পূর্বসূরীআসন প্রতিষ্ঠিত
উত্তরসূরীআধাম বাবা (ইউনাইটেড মালয়জ ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন)
সংখ্যাগরিষ্ঠ৮,৯৬৫ (২০০৪)
জোহর বিধানসভা পরিষদের সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৯৯৫ – ২০০৪
পূর্বসূরীনং কিম লাই (মালয়েশিয়ান চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন)
উত্তরসূরীআসন প্রতিষ্ঠিত
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মহালিমাহ বিনতি মোহামেদ সাদিক
(1962-02-02) ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬২ (বয়স ৫৭)
জোহর‍, মালয় ফেডারেশন (বর্তমান মালয়েশিয়া)
রাজনৈতিক দলইউনাইটেড মালয়জ ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
বারিসান ন্যাশিওনাল
দাম্পত্য সঙ্গীসুফিয়ান ওথমান
পেশারাজনীতিবিদ

হালিমাহ বিনতি মোহামেদ সাদিক (জাওয়ি: حاليمه بنت محمد ساديقوي; জন্ম ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬২) হলেন একজন মালয়েশীয় রাজনীতিবিদ, যিনি মালয়েশীয় আইনসভার নিম্নকক্ষ দেওয়ান রাকয়াতের তেঙ্গারা আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ইউনাইটেড মালয়জ ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের রাজনীতির সাথে যুক্ত।

জীবনী[সম্পাদনা]

হালিমাহ মোহামেদ সাদিক ১৯৬২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জোহর রাজ্যের বিধানসভায় ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।[১][২][৩][৪]

২০০৮ ও ২০১৩ সালের মালয়েশীয় সাধারণ নির্বাচনে তিনি তেঙ্গারা থেকে ইউনাইটেড মালয়জ ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের হয়ে নির্বাচন করেন। নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হন।[৫] ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি মালয়েশিয়ার নগর উন্নয়ন, বাসস্থান ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৬] ২০১৮ সালের মালয়েশীয় সাধারণ নির্বাচনে তিনি তেঙ্গারার পরিবর্তে কোতা তিঙ্গি আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে তিনি ২৬,৪০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, যা ছিল প্রদত্ত ভোটের ৬৯.১৪%।[৭]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

  • কমান্ডার অব দ্য অর্ডার অব মেরিটোরিয়াস সার্ভিস - দাতিন পাদুকা (২০০৩)[৮]
  • নাইট কমান্ডার অব দ্য অর্ডার অব মালাক্কা - দাতিন পাদুকা উইরা[৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Keputusan Pilihan Raya Umum Parlimen/Dewan Undangan Negeri"Election Commission of Malaysia। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০১০ 
  2. "Ghani set to lead Johor again"The Star। Star Publications (Malaysia)। ১৩ মার্চ ২০০৮। ৪ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০১০ 
  3. "Discharge your duties properly, Sultan tells excos"The Star। Star Publications (Malaysia)। ১ এপ্রিল ২০০৪। ৪ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০১০ 
  4. "Malaysia General Election"undiinfo Malaysian Election DataMalaysiakini। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  5. "Malaysia Decides 2008"The Star (Malaysia)। Star Publications (Malaysia)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০১০ 
  6. "Seven strong ladies to power up M'sian cabinet helmed by Najib"Borneo Post। ২৩ মে ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৪ 
  7. "Federal Government Gazette - Results of Contested Election and Statements of the Poll after the Official Addition of Votes, Parliamentary Constituencies for the State of Johore [P.U. (B) 318/2018]" (PDF)। Attorney General's Chambers of Malaysia। ২৮ মে ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৮-০১ 
  8. "List of award recipients in conjunction with the Yang di-Pertuan Agong's birthday"The Star। ৭ জুন ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৮ 
  9. "Halimah Sadique leads Melaka investiture ceremony"Kelly KohNew Straits Times। ৪ নভেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৮