সুলতান খামিস জামান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

সুলতান খামিস জামান একজন পুরুষ দূরপাল্লার দৌড়বিদ। যদিও তাকে সারা পৃথিবীর মানুষ সুলতান খামিস জামান নামে চিনেন, তার আসল নাম ওনেসফোর এনকুনজিমানা। একজন দৌড়বিদ হিসেবে তিনি অ্যাথলেটিকস্ জগতে অনন্য হয়ে আছেন, কারণ তিনি দু’টি দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। তার জন্ম আফ্রিকার বুরুন্ডিতে হলেও সাফল্যের জন্য অপেক্ষাকৃতি এশিয়ার ধনী দেশ কাতারের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে, পুনরায় নিজ দেশে ফিরে আসেন এবং দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। সারা পৃথিবীতে তিনি একজন অন্যতম পরিচিত দৌড়বিদ।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

২৩ শে জুলাই, ১৯৮৫ সালে পূর্ব আফ্রিকার দেশ বুরুন্ডিতে জন্মগ্রহণ করেন।

পেশা জীবন[সম্পাদনা]

২০০০ সালে অনুষ্ঠিত বিশ্ব জুনিয়র অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ সুলতান খামিস জামানের প্রথম বড় প্রতিযোগিতা ছিল, যেখানে তিনি ৫,০০০ মিটারে নবম স্থান লাভ করেছিলেন। এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল চিলির সান্তিয়াগোতে।[১]

তিনি বুরুন্ডি ছেড়ে কাতারের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন এবং কাতারের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় সুলতান খামিস জামান নামে একটি নতুন নাম গ্রহণ করেন। ২০০৪ সালে গ্রীসে অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে তিনি তার নতুন নাম নিয়ে এবং নতুন দেশ কাতারের হয়ে দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। ২০০৪ সালের অনুষ্ঠিত আইএএএফ ওয়ার্ল্ড ক্রস কান্ট্রি চ্যাম্পিয়নশিপের সংক্ষিপ্ত প্রতিযোগিতায়ও তিনি অষ্টম স্থান অর্জন করেন এবং কাতারের সাথে একটি রৌপ্য পদক জিতেছিলেন।

অর্জন[সম্পাদনা]

২০০৫ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ২০০৫ আইএএএফ ওয়ার্ল্ড হাফ ম্যারাথন চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি অংশগ্রহণ করে্‌ যেখানে তিনি যথাক্রমে ১৬তম ও ২৯তম স্থান অধিকার করেন। ২০০৫ ও ২০০৭ সালে তিনি ইউরোক্রসও জিতেছিলেন। ২০০৬ সালের এশিয়ান গেমসে ৫০০০ মিটারে তিনি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন। ২০০৮ সালে এশিয়ান ইন্ডোর অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি ৩০০০ মিটার স্বর্ণ পদক লাভ করেন এবং ২০০৮ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ২২ তম স্থান অধিকার করেন। তিনি তার দ্বিতীয় বিশ্ব ক্রস কান্ট্রি দলের পদকও পেয়েছিলেন। ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকে শেষ বারের জন্য কাতারের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন, কিন্ত সেবার তিনি খুব একটা সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। তাকে কাতারের অন্যতম দৌড়বিদ হিসেবে মনে করা হয়। কাতারকে তিনি অনেক সন্মান বয়ে এনেছেন। ২০১০ সালে তিনি আবার তার আনুগত্য পরিবর্তন করে বুরুন্ডিতে ফিরে আসেন এবং তার জন্মগত নাম, ওনেসফোর এনকুনজিমানা নামে আাবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফিরে আসেন। ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি তৃতীয়বারের মতো ইউরোক্রস জিতেছিলেন।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Hendrix, Ivo (2010-02-26). Matebo, Belete sisters the favourites in Diekirch Eurocross. IAAF. Retrieved on 2010-03-01.
  2. Hendrix, Ivo (2010-03-01). Nkuzimana and Mimi Belete the strongest in Diekirch. IAAF. Retrieved on 2010-03-01.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

  • Onèsphore Nkunzimana at IAAF