সুইডেন মুসলিম সমিতি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

সুইডেন মুসলিম সমিতি (সুয়েডীয়: Sveriges muslimska förbund) হল সুইডেনের বৃহত্তম মুসলিম সংগঠন, যা সুইডেনের প্রায় ৭০,০০০ মুসলমানকে প্রতিনিধিত্ব করে। এটি সুয়েডীয় ধর্মীয় সমিতি সহায়তা কর্তৃপক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় সহায়তা গ্রহণ করে।[১]

১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি এসএমএফ-এর চেয়ারম্যান মাহমুদ আলদেব স্টেটনস ইনভান্ডারভার্কের (সুইডিশ অভিবাসন সংস্থার প্রাক্তন নাম) সাথে মিলিতভাবে "সুইডেনে ইসলাম" (সুইডিশ: Islam i Sverige) নামে লিফলেট রচনা করেছিলেন, যাতে তিনি এই মত ব্যক্ত করেছেন যে, ইসলাম হল একটি সর্বত্র-অন্তর্ভুক্ত বিশ্বাস ব্যবস্থা যা দৃঢ় নির্দেশ দেয় যা দৈনন্দিন নৈতিক, আধ্যাত্মিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রে অনুসরণ করা উচিত।[২] ২০০৬ সালে, এসএমএফের চেয়ারম্যান হিসাবে তিনি সুইডিশ সংসদে (সুইডিশ: রিক্সড্যাগ) প্রতিটি পক্ষকে একটি চিঠি লেখেন যেখানে তিনি মুসলমানরা যেন একটি বিশেষ আইন ও বিধি পায় তার দাবি জানান: ইমামদের অবশ্যই বিবাহবিচ্ছেদ অনুমোদন করতে হবে, বিদ্যালয়গুলিতে পৃথকভাবে মুসলিম শিশুদের আরবি ও ধর্ম শেখানো উচিত এবং ছেলে-মেয়েদের একসাথে সাঁতার শেখা উচিত নয়। আলদেবে আরও দাবি করেন যে নিয়োগকর্তারা যেন ইসলামি ছুটি উদযাপনের জন্য মুসলমানদের সবেতনে অতিরিক্ত দু'দিনের ছুটি দেয়। [৩][৪] ছাতা সংগঠন, সুইডেন মুসলিম পরিষদসহ সুইডেনের অন্যান্য মুসলিম সংগঠনগুলি চিঠিটি থেকে নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায় এবং তার নিজের সমিতির সদস্যরা এর বিরোধিতা করলে আলদেবে তার প্রস্তাব প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন।[৫] সর্বজনীন ইসলাম সম্পর্কিত আলদেবীর ধারণাগুলি হল এবং দাবি করে যে ইসলামপন্থী হাসান আল-বানার আদর্শে প্রতিষ্ঠিত সমাজের ধর্মনিরপেক্ষ অংশের অন্তর্ভুক্ত সুইডিশ ধারণাগুলি সংস্কার করা উচিত।

২০১০ সাল থেকে সংগঠনের নতুন চেয়ারম্যান হন তাহির আকান। তিনি সংগঠনটির ব্র্যান্ডকে শক্তিশালী করতে এবং মুসলিম জনগণের বিশেষত তরুণ মুসলমান এবং মুসলিম পেশাদারদের সমর্থন পেতে, মুসলিম শান্তি আন্দোলন শান্তি ও বিচারের জন্য সুয়েডীয় মুসলিমগণ (এসএমপিজে) এর সাথে এই সংগঠনটিকে যুক্ত করেন। এতে বিভিন্ন সংস্থা একসাথে সামাজিক কাজে সহযোগিতা করেছে, এসএমপিজে থেকে আগত তরুণ পেশাদাররা সুইডেনের মুসলিম সমিতি দ্বারা পরিচালিত মসজিদগুলিতে প্রচার চালিয়েছে।[৬]

সুয়েডীয় ধর্মীয় সমিতি সহায়তা কর্তৃপক্ষ থেকে পাওয়া অনুদান।[৭]

২০১৫ ২০১৪ ২০১৩ ২০১২ ২০১১ ২০১০ ২০০৯ ২০০৮ ২০০৭
সাংগঠনিক অনুদান ২৪,৫৮,১০০ ২১,১১,৩১০ ১৩,৮৮,৮০০ ১৭,৩৮,০০০ ১৪,৬৫,০০০ ১৪,০৯,০০০ ২০,৩০,০০০ ২০,৭৩,০০০ ১৯,৮৯,০০০
প্রকল্প অনুদান ৩,০৯,৩৮১ ১,১০,০০০ ১,৮০,০০০ ৮০,০০০ ১,০৫,০০০ ১,০৫,০০০ ১,৩৪,৩০০ ৬১,৬০০ ৫৩,০০০

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Utbetalade bidrag 2016 - Myndigheten för stöd till trossamfund"www.myndighetensst.se (সুইডিশ ভাষায়)। ২০১৮-০৩-৩১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৩-৩১ 
  2. Carlbom, Aje (মার্চ ২০১৮)। Islamisk aktivism i en mångkulturell kontext – ideologisk kontinuitet eller förändring? / MSB1188 (PDF)সুইডিশ সিভিল কন্টিজেন্সি এজেন্সিমালমো বিশ্ববিদ্যালয়। পৃষ্ঠা ২০। আইএসবিএন 9789173838108। ৩১ মার্চ ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  3. Muslim Council: no support for 'special laws' ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৫ মে ২০০৬ তারিখে, The Local, 29 April 2006.
  4. "Muslimskt förbund kräver egna lagar - DN.SE"DN.SE (সুইডিশ ভাষায়)। ২০০৬-০৪-২৭। ২ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৩-৩১ 
  5. "Krav på muslimska lagar i Sverige skapar maktkamp - Malmö - Sydsvenskan - Nyheter dygnet runt"। ২০০৭-০১-০২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-২৪ 
  6. http://english.astroawani.com/budget/news/show/swedish-muslims-want-government-to-increase-number-of-muslim-foster-families-28958
  7. "Utbetalade bidrag - Nämnden för statligt stöd till trossamfund"www.sst.a.se (সুইডিশ ভাষায়)। ২০১৭-০৪-১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৪-১৬