সিরাজুল হক (পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

সিরাজুল হক একজন পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ, যিনি জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের আমির। তিনি পাকিস্তানের সংসদের উচ্চ কক্ষ সেনেটের সদস্য ছিলেন। এছাড়া তিনি খাইবার পাখতুনখোয়ার সিনিয়র মন্ত্রী হিসেবে পারভেজ খট্টক প্রশাসনে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

সিরাজুল হক নিম্ন দির জেলার সমরবাগ গ্রামে এক পশতুন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এ অঞ্চলের স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ে ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌প্রাথমিক শিক্ষা পেয়েছেন। পেশোয়ার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং ১৯৯০ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা বিষয়ে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি মাওলানা সৈয়দ আবুল আলা মওদূদী ও মাওলানা নঈম সিদ্দিকীর বই অধ্যয়ন করেন। তিনি ইসলামি জামায়াত-ই-তালাবাতে যোগদান করেন এবং ১৯৮৮ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ইসলামি জামায়াত-ই-তালাবা প্রধান ছিলেন। তিনি পিকে-৯৫ আসন থেকে দুই বার প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত হয়েছেন।

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

২০০২ সালের নির্বাচনে মুত্তাহিদা মজলিস-এ-আমলের প্ল্যাটফর্ম থেকে তিনি খাইবার পাখতুনখোয়া প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং আকরাম খান দুরানির নেতৃত্বাধীন প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী হন। তবে বাজৌর এজেন্সির একটি মাদ্রাসায় মারাত্মক মার্কিন ড্রোন হামলার প্রতিবাদে তিনি পদত্যাগ করেছিলেন, যার ফলে ৮৬ শিশু মারা গিয়েছিল। ২০০৮ সালে তার দল নির্বাচন বর্জন করেছিল। ২০১৩ সালে তিনি জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আবারও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।

২০১৪ সালের ৩০ মার্চ জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের আমির নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ডেপুটি আমির ছিলেন। দলীয় বিধি অনুসারে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর দলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, ২০১৯ সালের মার্চ মাসে তিনি জামায়াতে ইসলামীর আমির নির্বাচিত হয়েছিলেন, যার মেয়াদ ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত। নির্বাচনী এলাকায় তার প্রচুর জনপ্রিয় রয়েছে এবং বন্ধুবান্ধব ও শত্রু‌ সবার নিকট তিনি বিনয়ী হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]