সারা অলগুড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সারা অলগুড
Sara Allgood
Sara Allgood - Project Gutenberg eText 19028.jpg
আনু. ১৯১২ সালে অলগুড
জন্ম
সারা এলেন অলগুড

(১৮৭৯-১১-২৯)২৯ নভেম্বর ১৮৭৯
মৃত্যুসেপ্টেম্বর ১৩, ১৯৫০(1950-09-13) (বয়স ৭০)
পেশাঅভিনেত্রী
কর্মজীবন১৯১৮-১৯৫০
দাম্পত্য সঙ্গীজেরাল্ড হেনসন
(বি. ১৯১৬; মৃ. ১৯১৮)
সন্তান

সারা এলেন অলগুড (২৯ নভেম্বর ১৮৭৯ - ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫০) ছিলেন একজন আইরিশ-মার্কিন অভিনেত্রী। ইংহিনিড না হেইরিনে নাট্যকলা বিষয়ে অধ্যয়ন করার পর তিনি আইরিশ ন্যাশনাল থিয়েটার সোসাইটিতে যোগ দেন। ১৯০৪ সালে তিনি স্প্রিডিং দ্য নিউজ দিয়ে পরিচিতি অর্জন করেন এবং পরের বছর থেকে পূর্ণাঙ্গ অভিনেত্রী হিসেবে কাজ করতে থাকেন। ১৯১৫ সালে তিনি পেগ ও মাই হার্ট নাটকের প্রধান অভিনেত্রী হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরে যান। এই সফরে তিনি এই নাটকের প্রধান অভিনেতা জেরাল্ড হেনসনকে বিয়ে করেন এবং দুই বছর পর তাদের এক কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। ১৯১৮ সালে তার কন্যা ও স্বামী মারা যায়। তিনি হাউ গ্রিন ওয়াজ মাই ভ্যালি (১৯৪১) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। তিনি ১৯৪০ সালে হলিউডে আসেন এবং ১৯৪৫ সালে মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন করেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

অলগুড ১৮৭৯ সালের ২৯শে নভেম্বর আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনের ৪৫ মিডল অ্যাবি স্ট্রিটে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা জর্জ অলগুড ছাপখানায় মুদ্রাক্ষর সাজানোর কাজ করতেন এবং মাতা মার্গারেট (বিবাহপূর্ব হ্যারল্ড) অলগুড।[১] তার পিতা প্রটেস্ট্যান্ট ও মাতা ক্যাথলিক ছিলেন।[২] তার বোন অভিনেত্রী মেয়ার ওনিল, পরবর্তীকালে তাদের সম্পর্কে বিচ্ছেদ দেখা যায়। তার ভাই টম রোমান ক্যাথলিক যাজক ছিলেন।[৩]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্র জীবন[সম্পাদনা]

অলগুডকে অ্যালফ্রেড হিচককের শুরুর দিকের চলচ্চিত্রগুলোতে দেখা যেত, সেগুলোর মধ্যে ছিল ব্ল্যাকমেইল (১৯২৯), জুনো অ্যান দ্য পেকক (১৯৩০), ও স্যাবোটেজ (১৯৩৬)।[৪][৫] এছাড়া তিনি স্টর্ম ইন আ টিকাপ (১৯৩৭) চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন।

তিনি ১৯৪০ সালে হলিউডে অভিনয় জীবন শুরু করার জন্য হলিউডে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তিনি হাউ গ্রিন ওয়াজ মাই ভ্যালি (১৯৪১) চলচ্চিত্রে বেথ মরগান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।[৬] এই দশকে তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল ডক্টর জেকিল অ্যান্ড মিস্টার হাইড (১৯৪১), ইট হ্যাপেন্ড ইন ফ্ল্যাটবুশ (১৯৪২), জেন আয়ার (১৯৪৩), দ্য লজার (১৯৪৪), দ্য কিজ অব দ্য কিংডম (১৯৪৪), দ্য স্পাইরাল স্টেয়ারকেস (১৯৪৬), দ্য ফ্যাবুলাস ডোরসিজ (১৯৪৭) ও ডজন (১৯৫০)।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "General Registrar's Office"আইরিশ জিনিওলজি.ie। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২০ 
  2. Who Was Who in the Theatre: 1912-1976 volume 1 A-C page 36; compiled from editions originally published annually by John Parker, this 1976 version by Gale Research Company
  3. বয়লান, হেনরি (১৯৯৮)। A dictionary of Irish biography (৩য় সংস্করণ)। ডাবলিন: গিল অ্যান্ড ম্যাকমিলান। আইএসবিএন 0717125076 
  4. ই এইচ মিখাইল, সম্পাদক (১৯৮৮)। The Abbey Theater: interviews and recollections। বার্নস অ্যান্ড নোবেল। আইএসবিএন 0-389-20616-4 
  5. হান্ট, হিউ (১৯৭৯)। The Abbey, Ireland's National Theatre, 1904-1978। কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেস। আইএসবিএন 9780231049061 
  6. "The 14th Academy Awards (1942) Nominees and Winners" (ইংরেজি ভাষায়)। অস্কার। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]