সামাজিক ভূগোল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

সামাজিক ভূগোল হলো মানব ভূগোলের এমন একটি শাখা যা সাধারণভাবে সামাজিক তত্ত্বের সাথে ও বিশেষভাবে সমাজবিজ্ঞানের সাথে খুব ঘনিষ্টভাবে সম্পর্কিত এবং সামাজিক ঘটনা ও এর স্থানিক উপাদানগুলির মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে কাজ করে থাকে। যদিও এই শব্দের ১০০ বছরেরও সময়কালের বেশি নিজেস্ব ঐতিহ্য রয়েছে,[১] তথাপি এর সুস্পষ্ট বিষয়বস্তু নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কোনও ঐক্যমত নেই।[২] ১৯৬৮ সালে অ্যান বাটিমার উল্লেখ করেছিলেন যে, "[এর] কিছু উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম ব্যতীত, (...) সামাজিক ভূগোলকে নির্দিষ্ট ধারার মধ্যে নির্মিত কোনো সুনির্দির্ষ্ট বিষয়ভিত্তিক শিখন ঐতিহ্যের চেয়ে বহু পৃথক বিশেষজ্ঞের দ্বারা গঠিত এবং চর্চিত ক্ষেত্র হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে।"[৩] তখন থেকে গঠন কাঠামোকে রূপান্তর করার এবং দলবদ্ধ বিতর্ককে কেন্দ্র করে[৪] কিছু আলোচনা হওয়া সত্ত্বেও,[৫] এর পদ্ধতিগত, তাত্ত্বিক এবং বিষয়বস্তুর বৈচিত্র আরও অধিক ছড়িয়ে পড়েছে, ফলে সামাজিক ভূগোলের অসংখ্য সংজ্ঞার প্রকাশ ঘটেছে[৬] এবং এর ফলশ্রুতিতে এই বিষয়ের সমসাময়িক পণ্ডিতেরা সামাজিক ভূগোলের ক্ষেত্রে নানাবিধ পার্থক্য সনাক্ত করতে সক্ষম হচ্ছেন।[৭] যাইহোক, বেন্নো ওয়ার্লেনের মতানুসারে বলা চলে,[৮] এই ভিন্নতার ধারণাটি একই সাথে দু‌ই প্রস্ত প্রশ্নের ভিন্ন উত্তর ছাড়া আর কিছুই নয়, যা একদিকে সমাজের স্থানিক গঠনতন্ত্রিক অবস্থাকে বুঝায় এবং অপর দিকে সামাজিক প্রক্রিয়াগুলির স্থানিক প্রকাশকে বুঝায়।[৯][note ১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পূর্বকাল[সম্পাদনা]

"সামাজিক ভূগোল" (বা, "géographie sociale") শব্দটি ফ্রেঞ্চ ভাষা থেকে এসেছে, যেখানে এই শব্দটি ভূগোলবিদ এলিসি রিক্লাস এবং লে প্লে মতবাদের অনুসারি সমাজবিজ্ঞানীরা উভয়ই, সম্ভবতঃ একে অপরের থেকে পৃথকভাবে, ব্যবহার করেছিলেন। প্রকৃতপক্ষে, এই শব্দটির প্রথম দেখা যায় ১৮৮৪ সালে লে প্লে মতবাদের অনুসারি সমাজবিজ্ঞানী পল ডি রুশিয়ার্স রচিত রিক্লাসের Nouvelle géographie universelle-এর পর্যালোচনায়। রিক্লাস নিজেই এই শব্দটি বেশ কয়েকবার ব্যবহার করেছিলেন, প্রথমটি ১৮৫৫ সালে প্রথম এবং ১৯০৫ সালে তার শেষ রচনা L'Homme et la terre-তে। প্রথম প্রকাশিত কোন রচনায় এই শব্দটিকে শিরোনামের অংশ হিসাবে ব্যবহার করেছিলেন লে প্লে মতবাদের অনুসারি অপর এক সমাজবিজ্ঞানী অ্যাডমন্ড ডেমোলিনস তার ১৮৯৬ এবং ১৮৯৭ সালে প্রকাশিত Géographie sociale de la France নিবন্ধে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকাল[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে জার্মান ভাষার ভূগোলে সামাজিক বিভাগ এবং ভূদৃশ্যগুলির মধ্যকার সংযোগের উপর মনোযোগ প্রদানের রীতি হান্স বোবেক এবং ওল্ফয়েং হার্টকের দ্বারা আরও বিকাশ লাভ করে।[১০][note ২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

  1. The outline of these questions is basically of dialectical purpose, and, in its original context, wasn't used as a subject's definition. (Cf. Jackson, Peter (2003): Introduction: The Social in Question. In: Anderson, Kay et al. (eds.) (2003): Handbook of Cultural Geography. London et al. (Sage): 37-42.) Also note that Werlen's original two questions that social geography has to answer slightly differ from these two, and that Buttimer (1968: 135) provides another two of such questions.
  2. Though the term "Sozialgeographie" had been used before, the first call for a systematic consideration of social groups within German-language geography came from Richard Busch-Zantner (1937): Zur Ordnung der anthropogenen Faktoren. Petermanns Geographische Mitteilungen 83: 138-141 [139]. (জার্মান) (Cited by: Werlen, Benno (2008): 75-76.). However, he died in the Second World War.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Dunbar, Gary S. (1977): Some Early Occurrences of the Term "Social Geography". Scottish Geographical Journal 93 (1): 15-20.
  2. Smith, Susan J. et al. (2010): Introduction: Situating Social Geographies. In: Smith, Susan J. et al. (eds.): The Sage Handbook of Social Geographies. London (Sage): 1-39 [5-7].
  3. Buttimer, Anne (1968): Social geography. In: Sills, David (ed.): International Encyclopedia of the Social Sciences. New York (MacMillan): 134-145 [134].
  4. Gregory, Derek (1981): Human Agency and Human Geography. Transactions of the Institute of British Geographers 6 (1): 1-18.
  5. Jackson, Peter (1983): Social geography: Convergence and Compromise. Progress in Human Geography 7 (1): 116-121.
  6. Eyles, John (1986): Introduction: Diffusion and Convergence? In: Eyles, John (ed.): Social Geography in International perspective. Barnes & Noble: 1-12 [4-5].
  7. Smith, Susan J. et al. (2010): 3.
  8. Werlen, Benno (2008): Sozialgeographie: Eine Einführung (3. ed.). Bern et al. (Haupt). [11] (জার্মান)
  9. Jackson, Peter (1987): The Idea of 'Race' and the Geography of Racism. In: Jackson, Peter (ed.): Race and Racism: Essays in Social geography. London (Allen & Unwin): 3-18 [14].
  10. Hajdu, Joseph J. (1968): Toward a Definition of Post-War German Social Geography. Annals of the Association of American Geographers 58 (2): 397-410.

অধিক পঠন[সম্পাদনা]

পাঠ্যপুস্তক[সম্পাদনা]

  • Jackson, Peter and Susan J. Smith (1984): Exploring Social Geography. Boston, London (Allen & Unwin). 239 p.
  • Smith, Susan J. et al. (eds.) (2010): The Sage Handbook of Social Geographies. London (Sage). 614 p.
  • Valentine, Gill (2001): Social Geographies: Space and Society. New York (Prentice Hall). 400 p.
  • Werlen, Benno (2008): Sozialgeographie: Eine Einführung (3. ed.). Bern et al. (Haupt). 400 p. (জার্মান)

অন্যান্য[সম্পাদনা]

  • Gregory, Derek and John Urry (eds.) (1985): Social Relations and Spatial Structures. Basingstoke et al. (MacMillan). 440 p.
  • Gregory, Derek (1994): Geographical Imaginations. Cambridge, MA (Blackwell). 442 p.
  • Werlen, Benno (1993): Society, Action and Space: An Alternative Human Geography. London, New York (Routledge). 249 p.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:মানব ভূগোল