সাইন্টিফিক আমেরিকান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সাইন্টিফিক আমেরিকান  
সাময়িকীটির মার্চ, ২০০৫ সংখ্যার প্রচ্ছদ
সংক্ষিপ্ত শিরোনাম (আইএসও ৪) সাই এএম
শৃঙ্খলা বিভিন্ন ক্ষেত্র
ভাষা ইংরেজি
প্রকাশনা বিবরণ
প্রকাশক সাইন্টিফিক আমেরিকান ইনকরপোরেটেড (যুক্তরাষ্ট্র)
প্রকাশনার ইতিহাস ১৮৪৫ থেকে বর্তমান
সূচিকরণ
আইএসএসএন ০০৩৬-৮৭৩৩
সংযোগ

সাইন্টিফিক আমেরিকান একটি মার্কিন জনপ্রিয় বিজ্ঞান সাময়িকী যা ১৮৪৫ সালের ২৮ আগস্ট থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। প্রথমে সাপ্তাহিক হিসেবে শুরু হলেও পরবর্তিতে এটি মাসিক ভিত্তিতে প্রকাশিত হতে শুরু করে এবং এখনও সে হিসেবেই প্রকাশিত হচ্ছে। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রাচীন পত্রিকা যা নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। এটি পাঠকদের কাছে নব নব আবিষ্কার এবং উদ্ভাবনমূলক গবেষণার তথ্য পরিবেশন করে থাকে।

সমগ্র দুনিয়ার বিজ্ঞানপ্রিয় মানুষের কাছে এটি নিয়মিত বিজ্ঞানপ্রযুক্তি জগতের খবরাখবর তুলে ধরে। পত্রিকাটির প্রবন্ধগুলো এমনভাবে লেখা হয় যেন যে কোন উৎসাহী শিক্ষিত মানুষ তা হ্ঋদয়ঙ্গম করতে পারে। বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী নেচারের মত এর লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞ দ্বারা পুঙ্খানুপুঙ্খরুপে যাচাই (Peer Review) করা হয় না। সাধারণ মানুষের কাছে বিষয়টি উপভোগ্য করে তোলাই এর মুখ্য উদ্দেশ্য। বর্তমানে সায়েন্টিফিক আমেরিকানের সার্কুলেশন যুক্তরাষ্ট্রে ৫,৫৫,০০০ এবং সারা বিশ্বে ৯০,০০০ (ডিসেম্বর, ২০০৫)।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রকাশক ও আবিষ্কারক Rufus M. Porter ১৮৪৫ সালে সাইন্টিফিক আমেরিকান প্রতিষ্ঠা করেন।[১] সে সময় এটি একটি চারপাতার সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল। প্রথম দিকে মূলত যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট অফিসে কি ঘটছে সে বিষয়েগুলি এই পত্রিকায় স্থান পেত। এছাড়াও অবিরাম গতির যন্ত্র সহ অন্যান্য আরো যন্ত্র আবিষ্কারের উপর প্রচুর লেখা পত্রিকাটিতে স্থান পেত। প্রথম প্রকাশের মাত্র দশ মাস পর Alfred Ely Beach এবং Orson Desaix Munn এর নিকট পত্রিকাটি বিক্রি হয়ে যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকলিন সময়ে পত্রিকাটির বিক্রি খুব কমে যায়। ১৯৪৮ সালে, তিনজন অংশিদার মিলে একটি নতুন বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকা বের করার পরিকল্পনা করেন, যার নাম ঠিক করেন, ‘ দ্যা সায়েন্স’। পরিকল্পনার অংশ হিসাবে তারা সায়েন্টিফিক আমেরিকার সকল সম্পত্তি কিনে নেন। এবং নতুন পত্রিকায় এর ডিজাইন ও মনোগ্রাম ব্যবহার শুরু করেন। এই তিনজন অংশিদার (Gerard Piel, Dennis Flanagan, এবং Donald H. Miller, Jr. কার্যত একটি নতুন পত্রিকার প্রকাশনা শুরু করেছিলেন।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Press Room"। Scientific American। ২০০৯-০৮-১৭। আসল থেকে জানুয়ারি ১৯, ২০১২-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২০১২-০১-২৪ 
  2. Lewenstein, B. V. (1989). Magazine Publishing and Popular Science After World War II. American Journalism, 6(4), 218-234.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]