সহজাত প্রবৃত্তি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
উপরে উল্লেখিত প্রাচীন সরীসৃপগুলোর অধিকাংশই সহজাত প্রবৃত্তিপ্রবণ। সাতাররত অবস্থায় সবুজ কচ্ছপ।

সহজাত প্রবৃত্তি হল কোন জীবের আচরণের একটি অংশ। স্নায়বিক প্রক্রিয়াসম্পন্ন প্রাণীরা সহজাত প্রবৃত্তি নিয়ে জন্মায়। এটি জন্মগতভাবে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত, অর্জিত নয়। তবে, পরিভাষাটির দ্বারা সংবেদী অঙ্গের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াকে বোঝায় না, স্বয়ংক্রিয় স্নায়বিক ব্যবস্থার স্বাভাবিক কর্মপ্রক্রিয়া এতে অন্তর্ভূক্ত নয়।এটি হচ্ছে কোন প্রজাতির সকল সদস্যদের এমন কোন স্বভাব যা ওই প্রজাতির সকল সদস্য-ই দেখায়(common to all members of a given species)। আর এই আচরন দেখানোর জন্য ওই প্রজাতির সদস্যদের তা শিখতে হয় না(unlearned)। যেমন: আমরা যদি যেকোন একটি প্রজাতির কথা চিন্তা করি, যেমন: হতে পারে গরু। কোন গরু যখন বাচ্চা জন্ম দেয়, তখন ওই সদ্যোজাত বাচ্চাটি তো জানার কথা নয়, যে, তার খাবার কোথায় আছে, কিন্তু সে তা জানে। সে তার মা এর স্তন্য চেনে এবং সেখান থেকে গিয়ে স্তন্যপান করে। এটাই হচ্ছে প্রবৃত্তি। কারন প্রজাতির সকল সদস্য-ই এই আচরণ দেখায়। এভাবে প্রত্যেক প্রানী প্রজাতির আলাদা আলাদা প্রবৃত্তি আছে। যেমন কচ্ছপ এর ডিম ফোটা,র পর কচ্ছপ ছানারা পাহাড়ের দিকে না গিয়েসাগরের দিকে যায়। দেখা গেছে, তারা সমুদ্রের আওয়াজ instinctively চিনতে পারে এবং সে দিকেই যায়। এটা তারা প্রবৃত্তিগতভাবেই করে থাকে। কচ্ছপছানারা এটাও জানে কোথায় তাদের খাবার আছে, কিভাবে সাতার কাটতে হবে তাও তারা জানে। অর্থাৎ, কোন প্রানী প্রবৃত্তিগতভাবে যা জানে, তা তাকে শিখিয়ে দিতে হয় না, সে তা অটোমেটিকলি-ই জানে। আমরা শিকারি প্রানীদের উদাহরণ দিতে পারি। তারা প্রবৃত্তিগতভাবেই জানে, কিভাবে শিকার করতে হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]