সবরমতী আশ্রম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

সবরমতী আশ্রম (গান্ধী আশ্রম, হরিজন আশ্রম, অথবা সত্যাগ্রহ আশ্রম নামেও পরিচিত) সবরমতী নদীর তীরে আহমেদাবাদ, গুজরাতের আশ্রম রোডে অবস্থিত যা টাউন হল থেকে ৪ কি.মি. দূরে অবস্থিত। এটি মহাত্মা গান্ধীর বহু আবাসস্থলগুলির মধ্যে একটি যেখানে তিনি কারাভোগহীন বা ভ্রমণব্যতীত সময়ে বাস করতেন।[১] তিনি স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধী এবং বিনোবা ভাবেসহ তার অনুসারীদের সাথে মোট বারো বছর সবরামতি বা ওয়ারধাতে থাকতেন। আশ্রমের নিয়মের অংশ হিসাবে এখানে প্রতিদিন ভগবদ্গীতা পাঠ করা হতো।

সবরমতী আশ্রম
GANDHI ASHRAM 03.jpg
সবরমতী আশ্রমের হৃদয় কুঞ্জ
পূর্ব নামগান্ধী মেমোরিয়াল মিউজিয়াম, গান্ধী স্মারক সংগ্রহালয়
স্থাপিত১০ মে ১৯৬৩ (স্মৃতি জাদুঘর)
অবস্থানসবরমতী, আহমেদাবাদ, গুজরাত, ভারত
স্থানাঙ্ক২৩°০৩′৩৬″ উত্তর ৭২°৩৪′৫১″ পূর্ব / ২৩.০৬০০০° উত্তর ৭২.৫৮০৮৩° পূর্ব / 23.06000; 72.58083
ধরনস্মৃতি জাদুঘর
প্রতিষ্ঠাতামহাত্মা গান্ধী
স্থপতিচার্লস করিয়া (স্মৃতি জাদুঘর)
ওয়েবসাইটwww.gandhiashramsabarmati.org
৩০ জানুয়ারি ২০১৯ এ সবরমতী আশ্রমে প্রার্থনা হচ্ছে।

এজায়গা, তার ঘাঁটি থেকেই গান্ধী ১৯২৩ সালের ১২ মার্চে দন্ডী মার্চকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যা লবণ সত্যাগ্রহ নামে পরিচিত। ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনর উপর এই মার্চটির যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিল তার স্বীকৃতি হিসেবে ভারত সরকার আশ্রমটিকে একটি জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

হৃদয়কুঞ্জে মহাত্মা গান্ধীর পরিদর্শন কক্ষ
সবরমতী আশ্রমে কুঞ্জ

গান্ধীজির ভারত আশ্রমটি মূলত ১৯৫৫ সালের ২৫ শে মে গান্ধীর ব্যারিস্টার বন্ধু জীবনলাল দেশাইয়ের কোচরব বাংলোয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সময় আশ্রমকে সত্যগ্রহ আশ্রম বলা হত। তবে গান্ধী অন্যান্য কাজকর্ম ছাড়াও কৃষিকাজ ও পশুপালনের মতো বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন যার জন্য ব্যবহারের যোগ্য জমির ব্যাপক প্রয়োজন হয়েছিল। ফলশ্রুতিতে এর দু'বছর পরে, ১৯১৭ সালের ১৭ ই জুন আশ্রমটি সবরমতী নদীর তীরে ছত্রিশ একর জায়গায় স্থানান্তরিত হয় এবং এটি সবরমতী আশ্রম নামে পরিচিতি লাভ করে।

এটি বিশ্বাস করা হয় যে সবরমতী আশ্রমের জায়গাটি দধীচি ঋষির প্রাচীন আশ্রমের স্থানগুলির মধ্যে একটি, যিনি ধর্মযুদ্ধের জন্য তার হাড়গুলি দান করেছিলেন। তার প্রধান আশ্রম উত্তর প্রদেশের লক্ষ্নৌয়ের নিকটে নাইমিশরণায়তে অবস্থিত। সবরমতি আশ্রমটিকে কারাগার এবং শ্মশানের মধ্যে তৈরি করা হয়, গান্ধী বিশ্বাস করেছিলেন যে একজন সত্যগ্রহীকে এই দুই জায়গাতেই যেতে হবে। মোহনদাস গান্ধী বলেছিলেন, "সত্যের সন্ধান এবং নির্ভীকতা বজায় রাখার জন্য আমাদের কার্যক্রমের জন্য এটি সঠিক জায়গা।

আশ্রমে থাকাকালীন, গান্ধী একটি স্বতন্ত্র বিদ্যালয় গঠন করেছিলেন যা জাতির স্বনির্ভরতার জন্য তার প্রচেষ্টা চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কায়িক শ্রম, কৃষি এবং সাক্ষরতার অর্জনের উপর জনগণের মনোনিবেশ করেছিল। এখান থেকেই ১৯৩০ সালের ১২ ই মার্চ, গান্ধী ব্রিটিশ লবণ আইনের প্রতিবাদে ৭৮ জন সঙ্গী নিয়ে আশ্রম থেকে ২৪১ মাইল দূরে ডান্ডিতে যাত্রা করেছিলেন, গান্ধীর এই প্রতিবাদের কারণ ছিল ব্রিটিশরা তাদের দেশীয় লবণের বিক্রয় বৃদ্ধির প্রয়াসে ভারতীয় লবণের উপর কর বাড়িয়েছিল অন্যায়ভাবে। এই পদযাত্রা এবং পরবর্তী সময়ে লবণের অবৈধ উৎপাদন (গান্ধী সমুদ্রের জলে কিছু নোনতা কাদা সেদ্ধ করেছিলেন) ভারত জুড়ে কয়েক হাজার মানুষকে লবণের বেআইনি উৎপাদন (ইংরেজ আইন অনুযায়ী) ও কেনা বেচার ক্ষেত্রে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। জনসাধারণের নাগরিক হিসেবে এই অবাধ্যতার ফলে পরবর্তী তিন সপ্তাহের মধ্যে ব্রিটিশ রাজশাসক প্রায় ৬০,০০০ জনসাধারণকে বন্দী করেছিল।

পরবর্তীকালে সরকার আশ্রমটি দখল করে নেয়। গান্ধী পরে সরকারকে এটি ফেরত দিতে বলেছিলেন কিন্তু তারা রাজি ছিল না। ইতিমধ্যে ইংরেজ সরকার ১৯৩৩ সালের ২২ জুলাই আশ্রমটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, অসংখ্য ভারতীয়কে আটকের পরে আশ্রমটি নির্জন জায়গায় পরিণত হয়। পরে স্থানীয় নাগরিকরা আশ্রমটি সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৩০ সালের ১২ মার্চ গান্ধী শপথ করেছিলেন যে ভারত স্বাধীন না হওয়া পর্যন্ত তিনি আশ্রমে ফিরে যাবেন না। ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি গান্ধীকে হত্যা করা হয়েছিল।[২]

বর্তমান অবস্থা[সম্পাদনা]

গান্ধী স্মারক সংগ্রহালয়

আশ্রমে এখন একটি জাদুঘর রয়েছে, গান্ধী স্মারক সংগ্রহালয়। এটি মূলত আশ্রমে গান্ধীর নিজস্ব বাড়ি হৃদয় কুঞ্জে ছিল। তারপরে ১৯৬৩ সালে স্থপতি চার্লস কোরিয়ার নকশা অনুযায়ী জাদুঘরটি তৈরি করা হয়েছিল। সংগ্রহালয়টি তখন সু-নকশাকৃত ও সজ্জিত জাদুঘর ভবনে পুনরায় স্থাপন করা হয়েছিল এবং ১০ মে ১৯৬৩ ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু উদ্বোধন করেছিলেন। স্মরণীয় কার্যক্রমও তখন চলতে শুরু করে।

আশ্রমে অনেক ভবন রয়েছে এবং প্রতিটিরই রয়েছে নিজস্ব নাম। গান্ধীই প্রায় ভবনগুলোর নামকরণ করেছেন। কমপক্ষে আশ্রমের কয়েকটি বিল্ডিংয়ের নাম যেমন নন্দিনী, এবং রুস্তম ব্লক প্রভৃতি গান্ধী করেছেন। উনিশশো বিশের দশকে, গান্ধীর লেখা চিঠি থেকে এসব প্রমাণিত হয়। সে চিঠিতে গান্ধী ১৯২৮ সালের এপ্রিলে মঙ্গনলাল গান্ধীর মৃত্যু পরবর্তী আশ্রমের নতুন পরিচালক ছাগনলাল জোশিকে লিখেছিলেন।[৩]

আশ্রমের কয়েকটি ভবন এবং জায়গার নাম:

  • নন্দিনী: এটি একটি পুরনো আশ্রম গেস্ট হাউস যেখানে ভারত এবং বিদেশ থেকে আগত দর্শকদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটি হৃদয় কুঞ্জ এর ডানদিকে অবস্থিত।
  • বিনোবা কুটির: আচার্য বিনোবা ভাবে এর নামানুসারে এই কুটিরের নাম রাখা হয়েছে। আজ এটি গান্ধীজির শিষ্য মীরাবেহান পরবর্তী সময়ে যিনি গান্ধীর নীতি অনুসরণ করেছিলেন তার নামানুসারে মীরা কুটির নামেও পরিচিত। তিনি একজন ব্রিটিশ রিয়ার-অ্যাডমিরালের মেয়ে ছিলেন।
  • উপাসনা মন্দির: এটি খোলা-আকাশের নিচে প্রার্থনা করার একটি চত্বর, যেখানে প্রার্থনার পরে গান্ধীজী বিভিন্ন ব্যক্তিদের প্রশ্নগুলির বিষয়ে পরিবারের প্রধান হিসাবে বিশ্লেষণ ও সমাধান করার চেষ্টা করতেন। এটি হৃদয় কুঞ্জ এবং মাগান নিবাসের মধ্যে অবস্থিত।
  • মাগান নিবাস: এই কুঁড়েঘরটি আশ্রম ব্যবস্থাপক, মাগনলাল গান্ধী এর বাড়ি হিসেবে পরিচালিত হতো। মাগনলাল গান্ধীর চাচাত ভাই ছিলেন যাকে গান্ধী আশ্রমের আত্মা বলেছিলেন।
A
বিনোবা কুটির

জাদুঘরের বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

  • "আমার জীবন আমার বার্তা" চিত্রশালাটি আটটি বাস্তব-আকারের চিত্র এবং গান্ধীর জীবনের বেশ কয়েকটি স্পষ্ট ও ঐতিহাসিক ঘটনার ২৫০-এরও বেশি ফটোর সমন্বয়ে গঠিত।[৪]
  • গান্ধী আহমেদাবাদ চিত্রশালা ১৯১৫–১৯৩০ সালের সময়ের আহমেদাবাদে গান্ধীর জীবনকে নির্দেশ করে।
  • বাস্তব আকারের তেল চিত্রাঙ্কনের চিত্রশালা
  • উদ্ধৃতি, চিঠিপত্র এবং গান্ধীর অন্যান্য স্মৃতিচিহ্নের প্রদর্শনী
  • গান্ধীর জীবন, কর্ম, শিক্ষা, ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন এবং এসংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে প্রায় ৩৫,০০০ টি বই এবং ইংরেজি, গুজরাতি এবং হিন্দিতে ৮০ টিরও বেশি সাময়িকী সহ একটি পাঠকক্ষ রয়েছে।
  • গান্ধীর মূল এবং ফটোকপিসহ প্রায় ৩৪,১১৭টি চিঠির সংগ্রহশালা; হরিজন, হরিজনসেবক এবং হরিজনবন্ধুতে গান্ধীর নিবন্ধের পাণ্ডুলিপিগুলির প্রায় ৮,৭৮১ পৃষ্ঠা এবং গান্ধী ও তার সহযোগীদের প্রায় ৬০০০টি ছবি রয়েছে।
  • আশ্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হল গান্ধীর কুটির হৃদয় কুঞ্জে গান্ধীর কিছু ব্যক্তিগত প্রতীক প্রদর্শিত হয়েছে।
  • আশ্রমের বইয়ের দোকান গান্ধী এবং তাঁর জীবনের কাজের সাথে সম্পর্কিত সাহিত্য এবং স্মরণিকা বিক্রি করে অলাভজনক উপার্জন করে, যা স্থানীয় কারিগরদের জীবিকায় সাহায্য করছে।

আশ্রমের কার্যক্রম[সম্পাদনা]

  • সবরমতী আশ্রম বছরে প্রায় ৭০০,০০০ দর্শনার্থী দর্শন করে। এটি প্রতিদিন সকাল ০৮:০০ থেকে সন্ধ্যা ০৭:০০ পর্যন্ত খোলা থাকে।
  • গান্ধীর খাদি তৈরি করতে ব্যবহৃত চরকা এবং চিঠি লেখার জন্য তিনি যে লেখার টেবিল ব্যবহার করেছিলেন সেগুলিসহ কিছু জিনিস রয়েছে।
গান্ধী আশ্রমে রাখা চরকা
  • ছোটপর্দার চিত্রায়ন এবং সংরক্ষণ
  • গান্ধীর জীবন, সাহিত্য এবং ক্রিয়াকলাপের বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা
  • "মহাদেবভানী ডায়েরি" এর প্রকাশনা, যা ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের পুরো ইতিহাসকে চিত্রিত করে।
  • আশ্রম ট্রাস্ট দর্শনার্থী এবং সম্প্রদায়ের জন্য শিক্ষা এবং জাদুঘর এবং এর আশেপাশের ভিত্তি এবং ভবনগুলির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ক্রিয়াকলাপগুলির জন্য তহবিল সরবরাহ করে।
  • গান্ধীর চিন্তাধারা এবং ক্রিয়াকলাপগুলিতে অধ্যয়ন ও গবেষণায় সহায়তা করা। অধ্যয়ন ও গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা।
  • গান্ধীর জীবনের সাথে সংযুক্ত অনুষ্ঠানগুলি পালন করা।
  • যুবক এবং শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা এবং তাদেরকে গান্ধীর চিন্তাভাবনা অধ্যয়নের জন্য সুবিধা প্রদান করা।

হেঁটে হেঁটে ভ্রমনের ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

সেক্রেটারি, গান্ধী আশ্রম সংরক্ষণ এবং মেমোরিয়াল ট্রাস্টের পূর্ব অনুমতি নিয়ে একটি পায়ে হেঁটে সফরের আয়োজন করা যেতে পারে। ৯০ মিনিটের এই গাইড ভ্রমণটি একটি স্লাইড শো দিয়ে শুরু হয়ে লাইব্রেরিতে গিয়ে শেষ হবে। ভ্রমণটির মাধ্যমে নিম্নলিখিত স্থানগুলি পরিদর্শন করা যায়:

  • মাগান নিবাস – মাগান গান্ধী - চরখার বিভিন্ন নকশার প্রদর্শন[৫]
  • উপাসনা মন্দির – প্রার্থনা করার চত্ত্বর যেখানে আশ্রমিকরা পবিত্র গীতা, কুরআন এবং বাইবেল থেকে ভজন এবং শ্রুতি শুনেন।[৬]
  • হৃদয় কুঞ্জ[৭]
  • বিনোবা-মীরা কুটির – ব্রিটিশ রিয়ার-অ্যাডমিরাল স্যার এডমন্ড স্লেডের কন্যা মেডেলিন (গান্ধীর নামানুসারে মীরাবেন) ও বিনোবা ভাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে যেখানে থাকতেন সেই কুঁড়েঘর।
  • নন্দিনী – এটি আশ্রমের গেস্ট হাউস।
  • উদ্যোগ মন্দির – স্বনির্ভরতা এবং শ্রমের মর্যাদা প্রতীকী শিল্পের একটি মন্দির।
  • সোমনাথ চত্তরালয় – আশ্রমের কক্ষগুলির কিছু কক্ষ যেখানে একটি গোষ্ঠী যারা পারিবারিক বিষয়গুলি ত্যাগ করে পুরোপুরি আশ্রম জীবন ভাগ করে নিয়েছে তাদের জন্য।
  • টিচার্স নিবাস – বাপুজীর সহযোগীরা থাকতেন।
  • আহমেদাবাদে গান্ধী – এই চিত্রশালাটি ১৯১৫ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত আহমেদাবাদে অবস্থানকালীন গান্ধীজির জীবনের প্রধান ঘটনাগুলো প্রদর্শন করে।
  • চিত্রাংকন চিত্রশালা – আটটি বাস্তব মাপের চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে।
  • আমার জীবনই আমার বার্তা (ইংরেজিতে-My life is my message. – যে ঘটনাগুলি গান্ধীর জীবনের মোড় ঘুরিয়েছিল এবং যা শেষ পর্যন্ত ভারতের ইতিহাসকে বদলে দিয়েছিল তৈল চিত্রকর্ম এবং ফটোগ্রাফের মাধ্যমে সেগুলো চিত্রিত করা হয়েছে।
  • লাইব্রেরি ও সংগ্রহ – সংগ্রহের মধ্যে রয়েছে ৩৪,০০০ পাণ্ডুলিপি, ১৫০ টি সম্মাননা, ৬০০০ ফটো (সাদা-কালো) এবং ২০০ টি ফটোস্ট্যাটের ফাইল যার মধ্যে গান্ধীর উত্তরাধিকার সংরক্ষিত আছে। লাইব্রেরিতে মহাদেবভাই দেশাইর ব্যক্তিগত সংগ্রহের ৪,৫০০ টি বই এবং গান্ধীর চিন্তা-ভাবনা সম্পর্কিত বইসহ ৩৫,০০০ বই রয়েছে। এটি গবেষকদের জন্য এক অমূল্য সম্পদ। এছাড়াও অন্যান্য সমস্ত ধর্মের দুর্লভ বই রয়েছে। গ্রন্থাগারের খোলার সময় সকাল ১১:০০ থেকে সন্ধ্যা ০৬:০০ অবধি রয়েছে। বই ধার নেওয়া যায় না তবে লাইব্রেরিতে পড়া যায়।

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Ashram introduction"www.gandhiashramsevagram.org। Sevagram Gandhi Ashram। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১৮ 
  2. Gandhi, Mohandas। "Gandhi Ashram Official Website" 
  3. Venugopal Maddipati, Selfsame Spaces: Gandhi, Architecture and Allusions in 20th century India, PhD. dissertation, University of Minnesota, https://conservancy.umn.edu/handle/11299/108181
  4. "My Life is My Message Gallery" 
  5. Mandir, Magan। "Magan Niwas" 
  6. Niwas, Upasana। "Upasana Mandir" 
  7. Kunj, Hriday। "Hriday Kunj" 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

উইকিমিডিয়া কমন্সে সবরমতী আশ্রম সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন