শিশু শ্রম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ভয়াবহ সমস্যা হলো শিশু শ্রম। বাংলাদেশ জাতীয় শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের কাজ করানো হলে তা শিশু শ্রমের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে। [১]

কারণ[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক দুরবস্থা হচ্ছে শিশু শ্রমের প্রথম ও প্রধান কারণ। লেখাপড়ার খরচ দিতে না পেরে এবং সংসারের অসচ্ছলতার গ্লানি একজন মা-বাবাকে বাধ্য করে তার সন্তানকে শ্রমে নিযুক্ত করতে।

শিশু শ্রম প্রতিরোধে বাংলাদেশের আইন[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের জাতীয় শ্রম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদেরকে কোনো প্রকার কাজে নিযুক্ত করা যাবে না। ১৪ বছরের ঊর্ধ্ববয়সী কিশোরদের দৈনিক ৫ ঘন্টা কর্মসময় নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় শিশু শ্রম নিরসন নীতি, ২০১০ - এ শিশুশ্রম বিলোপ সাধনে যথাযথ পদক্ষেপ ও দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে।

জাতিসংঘ ও শিশু শ্রম[সম্পাদনা]

ILO জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। ১৯৯২ সালে আই এল ও'র আন্তর্জাতিক শিশু শ্রম দূরীকরণ কর্মসূচী [আইপেক] যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে ৮০টি দেশে এই কর্মসূচী চালু আছে। ১৯৯৮ সালে আইএলও সর্বসম্মতিক্রমে কর্মক্ষেত্রে মৌলিক নীতি ও অধিকার সম্পৃক্ত ঘোষণা গ্রহণ করে। এর মধ্য দিয়ে আইএলও কর্মক্ষেত্রে নীতি ও অধিকার এর সাথে শিশুশ্রম দূরীকরণ এর দৃঢ় অঙ্গিকার ব্যাক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়: নবম শ্রেণী (জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড) নভেম্বর , ২০১৪