শিরিন সুলতানা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

শিরিন সুলতানা বাংলাদেশের একজন কুস্তিগীর। ২০১২ সালে ইন্দো-বাংলাদেশ রেসলিং চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন ।[১]

জন্ম[সম্পাদনা]

১৯৮৮ সালে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার পাহাড় অনন্তপুর গ্রামের জন্মগ্রহণ করেন শিরিন। মা আর দুই ভাইকে নিয়েই তাঁর সংসার।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

২০০৮ সালে দেন বাংলাদেশ আনসারে, ব্যাটালিয়ন সৈনিক হিসেবে যোগ দেন। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ আনসারে ট্যালেন্ট হান্ট কার্যক্রম শুরু হলে সেখানে জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় (বর্তমানে আনসার মহিলা ফুটবল দলের কোচ) রেহানা পারভীনের নজরে আসেন শিরিন। তখন থেকেই তার খেলোয়াড়ী জীবনের শুরু।

পড়ালেখা[সম্পাদনা]

খেলা ও ব্যবসার পাশাপাশি তিনি সমানতালে পড়ালেখাও করেছেন। ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজকর্মে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন।[২]

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

২০১০ সালে জাতীয় কুস্তি প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করে তিনি (৫৫ কেজি ওজন শ্রেণীতে সোনা অর্জন করেন। শুধু ২০১০ সালে নয়, কুস্তিতে জাতীয় পর্যায়ে ২০১১ ও ২০১২ সালেও শিরিন জিতেছেন স্বর্ণ জিতেন। দেশের ২০১২ সালে ভারতে ইন্দো-বাংলাদেশ-বাংলা আন্ত রেসলিং চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জেতেন ।তিনি কুস্তি পাশাপাশি কাবাডিও খেলেন। বাংলাদেশ আনসারের হয়ে ২০১১ সালে মিজান জাতীয় কাবাডি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন। এ ছাড়া ২০১২ সালে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের হয়ে জাতীয় মহিলা ক্লাব লিগে বিজয়ী হয়ে সোনা জেতে তাঁদের দল।[২]

উল্লেখযোগ্য প্রতিযোগিতা[সম্পাদনা]

  • ২০১২: ইন্দো-বাংলা রেসলিং চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক[১]
  • ২০১৩: এশিয়ান রেসলিং প্রতিযোগিতায় ব্রোঞ্জ পদক।[১]
  • ২০১৫: জাতীয় মহিলা কাবাডিতে স্বর্ণপদক।[১]
  • ২০১০ ও ২০১১ সালে জাতীয় উশু চ্যাম্পিয়নশিপে রৌপ্যপদক। ২০১৪ সালে স্বর্ণপদক।[১]
  • জাতীয় রোইং চ্যাম্পিয়নশিপেও স্বর্ণপদক জয় পরপর চারবার (২০১০-১৩)[১]
  • ২১তম কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে অংশগ্রহণ এবং ৪র্থ স্থান অর্জন[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "লোয়ান শিরিন সুলতানা"www.prothomalo.com। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৮ 
  2. "শিরিন সুলতানা"www.deshebideshe.com