লরেন্স লিফশুলৎস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লরেন্স লিফশুলৎস
Lawrence Lifschultz
পেশাসংবাদদাতা, লেখক

লরেন্স লিফশুলজ (ইংরেজি: Lawrence Lifschultz) একজন মার্কিন সাংবাদিক, যিনি ফার ইস্টার্ন ইকনোমিক রিভিউ, দ্য গার্ডিয়ান, ইকনোমিক অ্যান্ড পলিটিকাল উইকলি ও দ্য ন্যাশন নামক পত্রিকায় তদন্ত সাংবাদিক ও দক্ষিণ এশিয়া প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।[১][২] বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন ও মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বহু ঘটনা তিনি তার সাংবাদিকতা ও রচিত গ্রন্থের মাধ্যমে তুলে ধরেন।[৩] ১৯৭৬ সালে তিনি কর্নেল আবু তাহেরের বিতর্কিত বিচারকার্যের বিবরণ পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরেন।[৪] তিনি তার বই Taher's testament: Bangladesh - An Unfinished revulution (আবু তাহেরের সাক্ষ্যঃ বাংলাদেশ - একটি অসমাপ্ত বিপ্লব) নামক বইয়ের জন্য বহুল পরিচিত। এই বইতে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন ও তার পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্পর্শকাতর ইতিহাস কর্নেল আবু তাহেরের ভাষ্যের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। প্রকাশের পর বহুবছর পর্যন্ত বইটি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ছিল।[৫] তিনি পুলিতজার পুরস্কার বিজয়ী সাংবাদিক কাই বার্ডের সাথে যৌথভাবে "Hiroshima’s Shadow: Writings on the Denial of History and the Smithsonian Controversy" বইটি রচনা করেন।[৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Zia used violence, betrayed others: Lawrence Lifschultz"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ আগস্ট ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  2. Correspondent, Staff (২১ আগস্ট ২০২০)। "Investigate US-Ziaur Rahman 'connection' behind Bangabandhu killing: Lifschultz"bdnews24.com। সংগ্রহের তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  3. "In Conversation with Lawrence Lifschultz"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ৪ ডিসেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  4. Sarkar, Ashutosh (৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "Taher's fate fixed before trial"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  5. "কর্নেল তাহেরের মেয়ে পরিচয়ের চেয়ে গর্বের আর কী হতে পারে: জয়া তাহের"চ্যানেল আই অনলাইন (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ জুলাই ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  6. "(For a distinguished biography or autobiography by an American author, Ten thousand dollars ($10,000)) American Prometheus: The Triumph and Tragedy of J. Robert Oppenheimer, by Kai Bird and Martin J. Sherwin (Alfred A. Knopf)"www.pulitzer.org (ইংরেজি ভাষায়)। Pulitzer Prize website। সংগ্রহের তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০