বিষয়বস্তুতে চলুন

লক্ষ্মণ সারস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

লক্ষ্মণ সারস
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Chordata
শ্রেণী: Aves
বর্গ: Gruiformes
পরিবার: Gruidae
গণ: Grus
প্রজাতি: G. grus
দ্বিপদী নাম
Grus grus
Linnaeus, 1758

লক্ষ্মণ সারস বা দারু হলো একটি সারস প্রজাতি। এর বৈজ্ঞানিক নাম গ্রুস গ্রুস। এটি ইউরেশীয় ক্রেন নামে পরিচিত। এটি মূলত Gruidae পরিবারের একটি সারস প্রজাতি। বাংলা নামটি নেওয়া হয়েছে এর নেপালি নাম লক্ষণ সারস থেকে।

শ্রেণিবিন্যাস

[সম্পাদনা]

দারুর প্রথম আনুষ্ঠানিক বর্ণনাটি করেছিল সুইডিশ প্রকৃতিবিদ কার্ল লিনিয়াস। ১৭৫৮ সালে তার "সিস্টেমা ন্যাচার" গ্রন্থের দশম সংস্করণে Ardea grus দ্বিপদী নামে লক্ষ্মণ সারসকে উল্লেখ করেন।[] বর্তমান এটি গ্রাস গণের অন্তর্ভুক্ত। মূলত লিনিয়াসের পর ১৭৬০ সালে ফরাসি প্রাণীবিদ মাথুরিন জ্যাক ব্রিসন এই অন্তর্ভুক্তি করেছিলেন।[] Grus হচ্ছে "crane" বা সারসের লাতিন প্রতিশব্দ।[]

বর্ণনা

[সম্পাদনা]
লক্ষ্মণ সারসের ডাক

লক্ষ্মণ সারস বা দারু একটি বৃহৎ, সুশৃঙ্খল পাখি এবং একটি মাঝারি আকারের সারস। এর পায়ের দৈর্ঘ্য ১০০–১৩০ সেন্টিমিটার (৩৯–৫১ ইঞ্চি) এবং উইং স্প্যানের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮০–২৪০ সেমি (৭১–৯৪ ইঞ্চি)। দৈহিক ভর প্রায় ৩ থেকে ৬.১ কিগ্রাম (৬.৬ থেকে ১৩.৪ পা)এর মধ্যে হয়ে থাকে।

পরিযান

[সম্পাদনা]

শীত ও গ্রীষ্মে অনুকূল আবাসস্থলের সন্ধানে মাইগ্রেশন কালে ইউরেশিয়ান ক্রেন ৩৩ হাজার ফুট উচ্চতা স্পর্শ করে। গীষ্মে এরা দক্ষিণ ইউরোপ এবং এশিয়ায় বসবাস করে। শীত আসতেই হিমালয় পেরিয়ে উত্তর আফ্রিকায় পাড়ি জমায়। যা প্রাণীজগতের দীর্ঘতম মাইগ্রেশনগুলোর একটি।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. BirdLife International (২০১৬)। "Grus grus"বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৬আইইউসিএন: e.T২২৬৯২১৪৬A৮৬২১৯১৬৮। ডিওআই:10.2305/IUCN.UK.2016-3.RLTS.T22692146A86219168.en
  2. Linnaeus, C. (১৭৫৮)। Systema Naturæ per regna tria naturae, secundum classes, ordines, genera, species, cum characteribus, differentiis, synonymis, locis (Latin ভাষায়)। খণ্ড Volume ১ (10th সংস্করণ)। Holmiae:Laurentii Salvii। পৃ. ১৪১–১৪২। {{বই উদ্ধৃতি}}: |খণ্ড=-এ অতিরিক্ত লেখা রয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: প্রকাশকের অবস্থান (লিঙ্ক)
  3. Brisson, Mathurin Jacques (১৭৬০)। Ornithologie, ou, Méthode contenant la division des oiseaux en ordres, sections, genres, especes & leurs variétés (French এবং Latin ভাষায়)। খণ্ড Volume ৫। Paris: Jean-Baptiste Bauche। পৃ. ৩৭৪–৩৭৫। {{বই উদ্ধৃতি}}: |খণ্ড=-এ অতিরিক্ত লেখা রয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  4. Jobling, James A. (২০১০)। The Helm Dictionary of Scientific Bird Names। London: Christopher Helm। পৃ. ১৭৯। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪০৮১-২৫০১-৪