রাইনার ভের্নার ফাসবিন্ডার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রাইনার ভের্নার ফাসবিন্ডার
PER51895 061.jpg
১৯৮০ সালে ফাসবিন্ডার
স্থানীয় নাম
Rainer Werner Fassbinder
জন্ম(১৯৪৫-০৫-৩১)৩১ মে ১৯৪৫
বাড ভোরিশোফেন, বাভারিয়া, জার্মানি
মৃত্যু১০ জুন ১৯৮২(1982-06-10) (বয়স ৩৭)
পেশাচলচ্চিত্র নির্মাতা, অভিনেতা, নাট্যকার, মঞ্চ পরিচালক, সুরকার, চিত্রগ্রাহক, সম্পাদক, প্রাবন্ধিক
কার্যকাল১৯৬৫-১৯৮২

রাইনার ভের্নার ফাসবিন্ডার (জার্মান: [ˈʁaɪ̯nɐ ˈvɛɐ̯nɐ ˈfasˌbɪndɐ]; ৩১ মে ১৯৪৫ - ১০ জুন ১৯৮২) ছিলেন একজন পশ্চিম জার্মান চলচ্চিত্র নির্মাতা, অভিনেতা, নাট্যকার, মঞ্চ পরিচালক, সুরকার, চিত্রগ্রাহক, সম্পাদক ও প্রাবন্ধিক। তাকে নব্য জার্মান চলচ্চিত্র আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও অনুঘটক হিসেবে গণ্য করা হয়।[১]

তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র গ্যাংস্টারধর্মী লাভ ইজ কোল্ডার দ্যান ডেথ (১৯৬৯) বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লাভ করে। তার পরের কর্ম কাৎজেলমাখের (১৯৬৯) সমালোচকদের কাছ থেকে অল্প প্রশংসা লাভ করে এবং মানহাইম-হাইডেলবার্গ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের পর পাঁচটি বিভাগে পুরস্কৃত হয়। তার পরবর্তী চলচ্চিত্রগুলো হল বিতর্কিত পাইওনিয়ার্স ইন ইঙ্গোলস্টাট (১৯৭১) ও মানুষের অসভ্যতা নিয়ে নির্মিত উইটি (১৯৭১)।

তার প্রথম ব্যবসাসফল কাজ হল দ্য মারচেন্ট অব ফোর সিজনস (১৯৭২) এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সফল কাজ আলি: ফিয়ার ইটস দ্য সোল (১৯৭৪), দুটি ছবিই সমকালীন সমালোচকদের চোখে সেরা কাজ হিসেবে বিবেচিত। ফাসবিন্ডারের সবচেয়ে সফল কাজ হল দ্য ম্যারিজ অব মারিয়া ব্রাউন (১৯৭৯)। এতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপ্তির ফলে একজন জার্মান নারীর উত্থান-পতনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রসমূহ হল দ্য বিটার টিয়ারস অব পেট্রা ফন কান্ট (১৯৭২), ফক্স অ্যান্ড হিজ ফ্রেন্ডস (১৯৭৫), স্যাটান্‌স ব্রিউ (১৯৭৬), এবং কোয়েরেল (১৯৮২), সবকয়টি চলচ্চিত্র গে ও লেসবিয়ান বিষয়বস্তুর উপর নির্মিত।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Where to begin with Rainer Werner Fassbinder"ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]