মুহম্মদ খসরু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মুহম্মদ খসরু ।
Kushru.jpg
মুহম্মদ খসরু ।
জন্মখসরু ।
ভারতের হুগলী জেলায় ।
বাসস্থানকেরানীগঞ্জের রুহিতপুরের মোহনপুর গ্রামে ।
পেশালেখক, সংগঠক ।
দাম্পত্য সঙ্গীঅবিবাহিত
হাসপাতালে পাঠরত অবস্থায় মুহম্মদ খসরু ।

বাংলাদেশের সুস্থ চলচ্চিত্র আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ মুহম্মদ খসরু[১][২] ভারতের হুগলী জেলায় জন্ম গ্রহন করেন। তার বাবার বাড়ী ঢাকার অদুরে কেরানীগঞ্জের রুহিতপুরের মোহনপুর গ্রামে, তার বাবা হুগলী জুট মিলের কর্মকর্তা ছিলেন, সেই সুত্রে তারা থাকতেন হুগলীতে, কিন্তু সেখানে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার অতিবাস্তবতার কারণে ৫০’র দশ‌কে তার পরিবার ঢাকায় চলে অা‌সেন, সেই থেকে তিনি ঢাকায়। [৩] । দীর্ঘ সময় চলচ্চিত্র আন্দেলনের সাথে জড়িত থাকার কারনে মুহম্মদ খসরু বাংলাদেশে চলচ্চিত্র আন্দেলনের পুরোধা[৪] ব্যক্তি হিসাবে সুপরিচিত । চলচ্চিত্র আন্দেলনের এই পুরোধা[৪] ব্যক্তি প্রা‌তিষ্ঠা‌নিক বিদ্যার বাই‌রে তিনি নি‌জেকে গ‌ড়ে তুলে‌ছেন নিজের ইচ্ছামত। কখনো লেখক হিসাবে, কখনো সম্পাদক হিসাবে, কখনো একজন দক্ষ সংগঠক হিসাবে। জীবনের বেশীরভাগ সময় ঢাকাতে কাটালেও শক্ত ও নিভৃতচারী স্বভাবের এই মানুষটি এখন থাকেন তার পৈত্রিকনিবাস কেরানীগঞ্জের রুহিতপুরের মোহনপুর গ্রামে।

মুহম্মদ খসরু চলচ্চিত্র বিষয়ক কালজয়ী পত্রিকা ধ্রুপদীর সম্পাদক হিসেবে চলচ্চিত্র মহলে সবচেয়ে বেশী পরিচিত। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের এই পথিকৃত গত প্রায় ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন[৫]। বর্তমান সময়ে তার সম্পাদিত চলচ্চিত্র বিষয়ক পত্রিকাগুলোই এখন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাস হিসাবে স্বীকৃত। সম্প্রতি তাঁর উদ্যোগে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সংসদের তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ফিল্ম স্টাডি সেন্টার[৬]স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রসঙ্গগ আসলে দেখা যায়, কেরালার চিত্রলেখা এবং ওডেসা ফিল্ম কো-অপারেটিভের অনুপ্রেরণায় বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটির উদ্যোগে যে ফিল্ম কো-অপারেটিভ গঠিত হয়েছিলো, যার মাধ্যমে এই দেশে সর্বপ্রথম স্বল্পদৈঘ্য ছবি নির্মাণ শুরু হয়, সেখানেও মুহম্মদ খসরুর অবদান অনবদ্য [৬]। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সংসদের আন্দোলনের ফলে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ এবং জাতীয় ফিল্ম আর্কাইভ যার তাত্বিক নেতাও এই মুহম্মদ খসরু[৬]। মুহম্মদ খসরু বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইন্সটিটিউটের প্রশিক্ষক হিসাবেও কাজ করেছিলেন। [৫]

মুহম্মদ খসরু সম্পর্ক্যে কথাসাহিত্যিক শাহাদুজ্জামান ফিল্মফ্রিতে[৭] লিখেন, “মুহম্মদ খসরুকে যারা ব্যক্তিগতভাবে চেনেন, তারা জানেন যে, মানুষ হিসেবে তিনি ক্ষেপাটে, রাগী, মুখে তার অবিরাম খিস্তি। তার সব রাগ, ক্ষোভ ঐ চলচ্চিত্রকে ঘিরেই, ......এই মানুষ বেঁচে আছেন সংসার করবার জন্য নয়, সম্পদ অর্জনের জন্য নয়, খ্যাতি কুড়াবার জন্য নয়, শুধুমাত্র একটি শিল্পমাধ্যমকে ভালোবাসবার এবং সে ভালোবাসা অন্যের মধ্যে বিলিয়ে দেবার জন্য”।[৭]। 

চলচ্চিত্র আন্দলনে মুহম্মদ খসরুর অবদান[সম্পাদনা]

পত্রিকা হাতে চলচ্চিত্র আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তি মুহম্মদ খসরু ।

১৯৬৩ সালে ‘পাকিস্তান চলচ্চিত্র সংসদ’ প্রতিষ্ঠা করে যে উদ্যোক্তারা তাদের মধ্যে মুহম্মদ খসরু অন্যতম । সৎ, শুদ্ধ ও নির্মল চলচ্চিত্র প্রদর্শন আয়োজন করা, সেসব চলচ্চিত্র পঠন পাঠনের মাধ্যমে আস্বাদন-অনুধাবন-উপলব্ধি করা, সেগুলো নিয়ে আলোচনা- সমালোচনা করা, চলচ্চিত্র-বিষয়ক পত্রিকা প্রকাশ ও প্রচার, সর্বোপরি সমঝদার ও রুচিবান দর্শক তৈরি করার যে চেষ্টা সূত্রপাত হয়েছিলো ১৯৬৩ সালে মুহম্মদ খসরু সেই ধারাবাহিকতাটাই ধরে রেখেছিলেন গত প্রায় অর্ধশত বছর যাবৎ। সে সময় অর্থাৎ ‘পাকিস্তান চলচ্চিত্র সংসদ’ স্থাপনের সময় অনেকেই ছিলেন যার মধ্যে আনোয়ারুল হক খান, বাহাউদ্দিন চৌধুরী,মোশাররফ হোসেন চৌধুরী, ওয়াহিদুল হক, আবদুস সবুর, সালাহ্উদ্দিন, ও মুহম্মদ খসরুসহ আরো অনেকেই, তাদের মধ্যে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তি মুহম্মদ খসরু তখন থেকে এখন পর্যন্ত সর্বতোভাবে সক্রিয়[৪]

হালকা বি‌নোদ‌নের বাইরে সি‌রিয়াস চল‌চিত্রের প্র‌তি দর্শক-নির্মাতা‌দের ম‌নো‌যোগ ফিরা‌তে “চল‌চিত্র সংসদ অা‌ন্দোলনের” যে সুত্রপাত হয়েছিলো তার ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে, চল‌চ্চিত্র সংসদের আদলে মুহম্মদ খসরু ও তার অনুশারীরা গত প্রায় অর্ধশত বছর ধরে নির্মা‌নের কা‌রিগ‌রি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য দে‌শের বাই‌রে থে‌কে দক্ষ লোক এনে ওয়ার্কশপের আয়োজন ও দেশী বিদেশী চলচ্চিত্র প্রদর্শনী করেছে নিয়মিতভাবে।

চলচ্চিত্র নি‌য়ে প‌ত্র-পত্রিকায় ক্রিটিক্যাল লেখা-লেখি-গবেষনার ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছিলো ১৯৬৮ সালে যখন তৎকালীন পাকিস্তান ফিল্ম সোসাইটি থেকে, মুহম্মদ খসরুর সম্পাদিত চলচ্চিত্রের কাগজ ধ্রুপদী প্রকাশের মাধ্যমে, তৎকালিন সময় চলচ্চিত্রের পত্রিকা সম্পাদনা কিংবা প্রকাশ করা ছিলো প্রায় অসম্ভব কাজ, এই অসম্ভব কাজটি সম্ভব হয়েছে মুহম্মদ খসরুর হাত ধরে, দীর্ঘদিনের ধারাবাহিকতা রক্ষাটাও আরেকটা অসম্ভপর কাজ, সে কাজটাও মুহম্মদ খসরু তার সাধ্যমত চেষ্টা করেছেন[৮]।যার কারনে বিগত দিনগুলো এবং বর্তমান সময়ে ধ্রুপদী উভয় বাংলায় অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের কাগজ হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত, দুই বাংলার চলচ্চিত্রের এই শ্রেষ্ঠ কাগজ সর্বশেষ ২০০৬ সালে ধ্রুপদীর ষষ্ঠ সংকলন হিসাবে প্রকাশিত হয়েছে[৮]

চলচ্চিত্রকে মানু‌ষের অ‌ধিকারের প‌ক্ষে কা‌জে লাগা‌তে তিনি অসংখ্য লেখালেখি করেছেন।

মুহম্মদ খসরু চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহী মানুষজনকে প্রচুর অনুপ্রেরনা দিতেন, বিভিন্ন চলচ্চিত্রের বিষয়াদি খিস্তিও করতেন[৯], তবুও সিরিয়াস চল‌চ্চিত্রের বিষয়ে আগ্রহী মানুষজন তাকে ঘিরে তৎপর ছিলেন বহুকাল । চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের এই প্রবাদতুল্য মানুষটি উৎসাহিত করেছেন দেশের বর্তমান সময়ের ক্ষেতনামা অনেক চলচ্চিকারদের যা চলচ্চিত্রকারদের মুখে মুখে কিংবা তাদের লেখায় পাওয়া যায়[১০] , অনুপ্রেরনা পেয়েছিলেন চলচ্চিত্রের ফেরিওয়ালা তারেক মাসুদ[১১] । এভাবে তিনি তার কর্মময় সময়ে হয়ে উঠেছিলেন যাপনে-চিন্তায় বহু মানুষের প্রেরণা । তাদের মধ্যে কেউ কেউ পরে চল‌চ্চিত্র সংসদ অা‌ন্দোলন থেকে আলাদা হয়ে নিজেদের মত কাজ করেছেন, তাদের সবার নিজেদের সেই সিনেমা বানানোর চেষ্টা এখন ‘বিকল্পধারা’ হিসেবে পরিচিত [৩]

লেখক ও গেবেষক[১২] সাজেদুল আউয়াল ”কালি ও কলম“ নামক পত্রিকায় চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের পঞ্চাশ বছর : অর্জন ও অতৃপ্তি [৪] শিরোনামের লেখাটি পর্যালোচনা করলে বুঝা যায় মুহম্মদ খসরু কিভাবে ভাবতেন,চলচ্চিত্র নিয়ে মুহম্মদ খরুর অধিকাংশই বাস্তবতার মুখ দেখেছে, তার পরামর্শগুলোর কিছু অংশ বাস্তবতার মুখ দেখলেও অনেক কিছুই বাস্তবতার মুখ দেখেনি, সুদৃষ্টিসম্মপূরর্ণ মুহম্মদ খসরু চলচ্চিত্র আন্দোলনের একটি রুপরেখা ও তাত্বিক অবস্থানও তৈরী করে দিয়েছেন। তিনি অনেক কিছুই বলেছেন,যার মধ্যে চলচ্চিত্র কিরকম হওয়া উচিৎ ছিলো, কিংবা কিরকম হচ্ছে, বা কিরকম হবে। মোদ্দকথা আজকের চলচ্চিত্র আন্দোলনের ত্বাত্বিকতার প্রায় পুরাটাই মুহম্মদ খসরু নির্ভর।

মুহম্মদ খসরুর লেখা বইসমুহ[সম্পাদনা]

  • বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলন।
  • বাংলাদেশে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের ভূমিকা[৫]
  • সাক্ষাৎকার চতুষ্টয়[৫][৬]

মুহম্মদ খসরু সম্পাদিত পত্রিকা[সম্পাদনা]

  • ধ্রুপদি
  • চলচ্চিত্রপত্র
  • ক্যামেরা যখন রাইফেল
  • “সূর্যদীঘল বাড়ী ” বিশেষ সংখ্যা

ক্যামেরার পিছনে মুহম্মদ খসরু[সম্পাদনা]

অন্যতম ভারতীয় চলচ্চিত্রকার শ্রী রাজেন তরফদার ১৯৭৫ সালে ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনার পালঙ্ক ছবিটি নির্মাণের সময় মুহম্মদ খসরু সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন[৬]

মুহম্মদ খসরুর চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বপ্ন দীর্ঘদিনের, হাসান আজিজুল হক রচিত নামহীন গোত্রহীন অবলম্বনে একটি চিত্রনাট্যও তিনি তৈরি করেছিলেন, কিন্তু কোনো প্রযোজক পাননি । রাষ্ট্রীয় অনুদানের জন্য জমাও দিয়েছেন দুই বার, কিন্তু অনুদান মেলেনি[৭]। অর্থাভাবে নির্মাণ করতে পারেননি তার বহুল প্রতিক্ষিত নামহীন গোত্রহীন ।

মুহম্মদ খসরুর কিছু উক্তি[সম্পাদনা]

সেক্সও তো কালচার — মুহম্মদ খসরু।

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

  • বাংলাদেশে চলচ্চিত্র সংস্কৃতির বিকাশে দীর্ঘ ৫০ বছর নিরবচ্ছিন্ন অবদানের জন্য চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তি মুহম্মদ খসরু হীরালাল সেন আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন[১৩][১৪]
  • বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে “সুবর্ণ জয়ন্তী পদক” অর্জন [১৫]
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ আজীবন সম্মাননা ২০১৭।

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. "অসাম্প্রদায়িক চেতনা ছড়ানোর শপথে উদীচীর লোক-সাংস্কৃতিক উৎসব উদযাপন"বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৬-০১-২৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-২১ 
  2. "অসাম্প্রদায়িক চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার শপথ"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-২১ 
  3. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; banan.space নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  4. "চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের পঞ্চাশ বছর : অর্জন ও অতৃপ্তি | কালি ও কলম | সাহিত্য, শিল্প ও সংস্কৃতি বিষয়ক মাসিক পত্রিকা" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-২১ 
  5. "চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব মুহম্মদ খসরু ঢামেক হাসপাতালে | রাজধানী | The Daily Ittefaq"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-২১ 
  6. খসরু, মুহম্মদ। "সাক্ষাৎকার চতুষ্টয়" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-২১ 
  7. শাহাদুজ্জামান (২০১৬-০৮-০৫)। "একজন মুহম্মদ খসরু / শাহাদুজ্জামান"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-২১ 
  8. "চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের ৪৭ বছর"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-২১ 
  9. শাহাদুজ্জামান (২০১৬-০৮-০৫)। "একজন মুহম্মদ খসরু / শাহাদুজ্জামান"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-২৩ 
  10. Kantho, Kaler। "চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলন ও খসরু ভাই | কালের কণ্ঠ"Kalerkantho। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-২১ 
  11. "Prothom Alo | Most popular bangla daily newspaper"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-২১ 
  12. "বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের সুবর্ণ জয়ন্তী"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-২১ 
  13. "রাজাকারের হাতে হাত রেখে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দেখানো মস্করা ছাড়া কিছু নয় : তথ্যমন্ত্রী - Khabor :: We Know Bangladesh Better ::" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-২১ 
  14. "News Details" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-২১ 
  15. "সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসবে পদক এবং স্মারক সম্মাননা প্রদান | Kaler Kantho"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-২১