ভার্জিনিয়া বারবার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জিন্নি বারবার
জন্মভার্জিনিয়া এম. বারবার
প্রতিষ্ঠানকুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি
প্রাক্তন ছাত্রকেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় (এমবি BChir, এমএ)
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় (ডিফিল)
সন্দর্ভসমূহRegulation of the human α-globin genes by their chromatin context (১৯৯৭)
ওয়েবসাইট
staff.qut.edu.au/staff/ginny.barbour

ভার্জিনিয়া এম. বারবার অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে অবস্থিত কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (কিউটি)-এর অধ্যাপক এবং অস্ট্রেলাসিয়ান উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার সংক্রান্ত স্ট্র্যাটেজি গ্রুপের পরিচালক হিসাবে কাজ করেছেন।[১][২] তিনি পিএলওএস মেডিসিন (PLOS Medicine)-এর তিন প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকের একজন হিসাবে এবং উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার আন্দোলন করার ক্ষেত্রে তাঁর বিভিন্ন ভূমিকা জন্য বহুলভাবে পরিচিত।[৩][৪]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

বারবার কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিত্‌সাশাস্ত্রে স্নাতক, শৈলচিকিত্‌সায় (স্নাতক) (এমবি বিচির) এবং কলায় স্নাতকোত্তর (এমএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আণবিক ওষুধের ডক্টর অব ফিলোসফি ডিগ্রি অর্জন করেন;[৫] যেখানে তার গবেষণার বিষয় ছিলো প্রাণী বা উদ্ভিদদেহের কলায় প্রাপ্ত একধরনের প্রোটিন আলফা গ্লোবুলিন জিনগুলির কর্মকান্ড পর্যবেক্ষণ করা।[৫][৬]

কর্মজীবন এবং গবেষণা[সম্পাদনা]

বারবার তার শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ সমাপ্তের পর ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দ্য ল্যানসেট'এর নির্বাহী সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।[৩] বারবুর ছিলেন পিএলওএস মেডিসিনের তিনজন প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকের একজন (২০০৪-২০১৩), এবং পরবর্তীতে পিএলওএস মেডিসিনের সম্পাদনা পরিচালক (২০১২-২০১৪) এবং এরপর পিএলওএস মেডিসিন এবং জীববিজ্ঞানের সম্পাদনা পরিচালক (২০১৪-২০১৫) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।[৩][৭] বারবার দুই মেয়াদে (২০১২-২০১৫; ২০১৫-২০১৭) প্রকাশনায় নৈতিকতা বিষয়ক কমিটির (COPE) সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।[৩][৭][৮][৯] তিনি অস্ট্রেলেশিয়ান উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার কৌশল দলের পরিচালক (২০১৫-বর্তমান) হিসাবে দায়িত্ব পালন এবং অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে গবেষণা নৈতিকতা ও সততা সংক্রান্ত কার্যালয় এবং প্রযুক্তি, তথ্য ও শিক্ষণ সেবা বিভাগ দুটিতে খণ্ডকালীন অধ্যাপক হিসাবে কাজ করছেন।[৩][৬][৭][৮]

বারবারের ১০০ টিরও অধিক সমালোচক পর্যালোচিত প্রকাশনা, ১৪,০০০ এরও বেশি উদ্ধৃতি এবং ২০টি এইচ-ইনডেক্স রয়েছে।[১][২] তিনি একাধিক লিখিত প্রকাশনা নীতিমালার উন্নয়ন এবং উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার উদ্যোগের বিকাশে ভূমিকা রেখেছেন, যার মধ্যে Consolidated Standards of Reporting Trials (CONSORT), Preferred Reporting Items for Systematic Reviews and Meta-Analyses (PRISMA), Healthcare Information For All (HIFA) এবং Evidence AID রয়েছে।[৬]

নির্বাচিত রচনাবলী[সম্পাদনা]

  • Nephrotic syndrome associated with sulphasalazine[১০]
  • UK Biobank: a project in search of a protocol?[১১]
  • CONSORT 2010 statement: updated guidelines for reporting parallel group randomised trials. 2010. BMC Medicine.
  • CONSORT 2010 explanation and elaboration: updated guidelines for reporting parallel group randomised trials. 2012. International Journal of Surgery.
  • Better reporting of interventions: template for intervention description and replication (TIDieR) checklist and guide[১২]
  • Potential predatory and legitimate biomedical journals: can you tell the difference? A cross-sectional comparison[১৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. টেমপ্লেট:Google scholar id
  2. টেমপ্লেট:EuropePMC
  3. Anon (২০১৮)। "Virginia Barbour: Queen of open access"। BMJ (ইংরেজি ভাষায়)। 363: k4148। doi:10.1136/bmj.k4148PMID 30355729আইএসএসএন 0959-8138 
  4. টুইটারে ভার্জিনিয়া বারবার উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
  5. Barbour, Virginia (১৯৯৭)। Regulation of the human α-globin genes by their chromatin contextjisc.ac.uk (গবেষণাপত্র)। University of Oxford। ওসিএলসি 43192909টেমপ্লেট:EThOS 
  6. Barbour, Ginny। "QUT | Staff Profiles | Ginny Barbour"staff.qut.edu.au (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-১৯ 
  7. TachibanaJan. 29, Chris; 2016; Am, 9:00 (২০১৭-১১-০৩)। "Responsibly conducting research"Science | AAAS (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-১৯ 
  8. Couzin-Frankel, Jennifer (২০১৮)। "'Journalologists' use scientific methods to study academic publishing. Is their work improving science?"। Sciencedoi:10.1126/science.aav4758আইএসএসএন 0036-8075 
  9. "Virginia Barbour | Committee on Publication Ethics: COPE"publicationethics.org। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-১৯ 
  10. Barbour, V M; Williams, P F (১৯৯০)। "Nephrotic syndrome associated with sulphasalazine."BMJ301 (6755): 818–818। doi:10.1136/bmj.301.6755.818-bPMID 1977483আইএসএসএন 0959-8138পিএমসি 1663947অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  11. Barbour, Virginia (২০০৩)। "UK Biobank: a project in search of a protocol?"। The Lancet361 (9370): 1734–1738। doi:10.1016/S0140-6736(03)13377-6PMID 12767753আইএসএসএন 0140-6736 
  12. Hoffmann, T. C.; Glasziou, P. P.; Boutron, I.; Milne, R.; Perera, R.; Moher, D.; Altman, D. G.; Barbour, V.; Macdonald, H.; Johnston, M.; Lamb, S. E.; Dixon-Woods, M.; McCulloch, P.; Wyatt, J. C.; Chan, A.-W.; Michie, S. (২০১৪)। "Better reporting of interventions: template for intervention description and replication (TIDieR) checklist and guide"। BMJ348 (mar07 3): g1687–g1687। doi:10.1136/bmj.g1687PMID 24609605আইএসএসএন 1756-1833 
  13. Shamseer, Larissa; Moher, David; Maduekwe, Onyi; Turner, Lucy; Barbour, Virginia; Burch, Rebecca; Clark, Jocalyn; Galipeau, James; Roberts, Jason; Shea, Beverley J. (২০১৭)। "Potential predatory and legitimate biomedical journals: can you tell the difference? A cross-sectional comparison"BMC Medicine15 (1)। doi:10.1186/s12916-017-0785-9PMID 28298236আইএসএসএন 1741-7015পিএমসি 5353955অবাধে প্রবেশযোগ্য 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]