ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

প্রবাসী বাংলাদেশী মানুষজন যারা এখন ভারতে বসবাস করছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে ভারতবর্ষে ব্যাপক হারে মানুষ অনুপ্রবেশ করতে থাকে। এই অনুপ্রবেশ উভয় দেশের মধ্যে যথেষ্ট পরিমানে রাজনৈতিক সামাজিক এবং সাংস্ক্তিক চাপান-উতোরের সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন সমস্যা থাকা সত্ত্বেও দুটি দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক সূদৃঢ রাখা এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক সাম্যঞ্জস্য বজায় রাখাতে প্রবাসী বাঙালীদের ভুমিকা অনস্বীকার্য।(---)ভারতে বাংলাদেশীর সংখ্যাবৃদ্ধি কিন্তু ব্যাপক হারে ক্রমবর্ধমান। ২০০১ সালে ভারত সরকার দ্বারা পরিচালিত একটি আদমসুমারিতে আনুমানিক ভাবে বাংলাদেশীর সংখ্যা ছিল ৩.১মিলিয়ন। ২০০৯ সালের আদমসুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশীদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় আনুমানিক ভাবে ১৫মিলিয়ন।২০১২ সালে মুল্লাপল্লী রামচন্দ্রন, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন যে গত এক দশকে প্রায় ১.৪ মিলিয়ন বাংলাদেশী অভিবাসী ভারতে প্রবেশ করেছে। ২০০৭ সালে ভারত সরকার বলেছিল যে ভারতে ২0 মিলিয়ন পর্যন্ত বসবাসকারীরা অবৈধভাবে বসবাস করছে, যদিও ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিকাল ইনস্টিটিউটএর অধ্যাপক সমীর গুহ রায় এই অনুমানকে "স্পষ্টভাবে অতিরঞ্জিত" বলে অভিহিত করেছেন। জনসংখ্যা বৃদ্ধির এবং জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পরিসংখ্যান পরীক্ষা করার পর, অধ্যাপক রায় বলেছেন যাদের অবৈধ অভিবাসী বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে তারা আসলে প্রতিবেশী রাজ্য থেকে আসা ভারতেরই বাসিন্দা।

দেশভাগের পূর্বাবস্থা – সত্তরের দশক[সম্পাদনা]

ভারত বিভাগের আগে বর্তমান বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, ও আসাম একই জায়গা ছিল। ঔপনিবেশিক শাসনের সময়কালে আসামের জনসংখ্যা খুবই কম ছিল। ব্রিটিশরা আসামের পার্বত্য অঞ্চল থেকে বিভিন্ন খনিজসম্পদ আহরণ করার উদ্দেশ্যে আসামকে আরো জনবসতিপূর্ণ করে তুলতে চেষ্টা করে, যাতে তাদের পক্ষে শ্রমিক সহজলভ্য হয়। সেই সময়ে বহু মানুষকে অধুনা বাংলাদেশের উত্তর অংশ এবং অধুনা পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসামে স্থানান্তর করা হয়।

১৯৪৬ সালের দাঙ্গার সময় থেকেই মানুষ ধর্মের ভিত্তিতে সামাজিক ভাবে ভাগ হতে শুরু করে তারপর ১৯৪৭ সালের ভারতভাগ ঘোষণা হবার পরে বাংলাদেশের শত শত শরণার্থী পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেন এবং পশ্চিমবঙ্গের শত শত শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পশ্চিম পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর দ্বারা পরিচালিত গণহত্যা থেকে প্রাণে বাঁচার জন্যে আনুমানিক ১০ লাখেরও বেশি মানুষ পূর্ব পাকিস্তান থেকে ভারতে পালিয়ে যায়। শরণার্থী ক্যাম্পে কলেরার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর অনুমান অনুযায়ী ৩০০০জন মানুষ মারা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুযায়ী ৫১০০০ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়।

অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণ[সম্পাদনা]

একজন মন্তব্যকারীর মতে, বাংলাদেশ থেকে ভারত যাত্রা বিশ্বের সবচেয়ে সস্তা মাইগ্রেশন(অনুপ্রবেশ) । ২০০০টাকা (প্রায় 30 মার্কিন ডলার), টাকার বিনিময়েই যাওয়া যায়। আলাদা করে দালালি দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। বাংলাদেশিরা সাংস্কৃতিকভাবে ভারতে বাঙালি জনগণের মতোই, তারা ভারতীয় নাগরিক হিসেবে টিকে থাকতে সক্ষম এবং ভারতে যে কোনও অংশে খুব কম টাকার বিনিময়ে বসতি স্থাপন করতে সক্ষম। সামান্য দুশো টাকার বিনিময়ে সম্পূর্ণ ভারতীয় পরিচয়পত্র(জাল দলিলপত্র সহ) পাওয়া সম্ভব। ভোটব্যাঙ্কের পাল্লা ভারী করার জন্যে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও এই ব্যাপারে সমর্থন দিয়ে থাকেন।

অভিবাসী বিরুদ্ধ প্রতিক্রিয়া[সম্পাদনা]

In 1978, observers noticed the names of an estimated 45,000 Bengali illegal immigrants on the electoral rolls in Assam. This led to a popular movement against undocumented immigrants known as the Assam Movement, which insisted on striking the names of illegal immigrants from the electoral register and advocated for their deportation from the state. The movement demanded that anyone who had entered the state illegally since 1951 be deported, though the central government insisted on a cutoff date of 1971. There was widespread support for the movement, though it tapered off between 1981 and 1982.

Toward the end of 1982 the central government called elections, and the Assam Movement called for people to boycott them. This resulted in the 1983 Nellie massacre, described by Antara Datta, as one of the largest and most severe pogroms since the Second World War. Previously, the All Assam Students Union (AASU) had emphasised economic reasons for the protests and had employed only nonviolent methods. The Nellie massacre, a result of a buildup of resentment over immigration, claimed the lives of at least 2,191 people, though unofficial figures run to more than 5,000. No investigation of the incident has ever been launched. The AASU denied any involvement in the massacre, and since then there have been no instances of communal violence in Upper Assam.

On 26 April 2015 at a rally in Guwahati BJP National president Amit Shah said that BJP government will give citizenship to all Hindu immigrants who had to flee from Bangladesh due to religious persecution.[১]

জাল নথিকরন[সম্পাদনা]

Samir Guha Roy of the Indian Statistical Institute called the government estimates of illegal Bangladeshis "motivatedly exaggerated". After examining the population growth and demographic statistics, Roy instead states that a significant numbers of internal migration is sometimes falsely thought to be illegal immigrants. An analysis of the numbers by Roy revealed that on average around 91000 Bangladeshi nationals might have crossed over to India every year during the years 1981–1991 but how many of them where identified and pushed back is not known. It is possible that a large portion of these immigrants returned on their own to their place of origin. Most of the Bengali speaking people deported from Maharashtra as illegal immigrants are originally Indian citizens from West Bengal.[২]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Archived copy"। ৩ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৫ 
  2. Hans Günter Brauch; John Grin; Úrsula Oswald (২০০৯)। Facing Global Environmental Change: Environmental, Human, Energy, Food, Health and Water Security Concepts। Springer। পৃষ্ঠা 304আইএসবিএন 3540684883