ভরি
ভরি হলো স্বর্ণালঙ্কার অথবা, রৌপ্যালঙ্কার অথবা, রূপা পরিমাপের প্রচলিত একক। ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরি = ১১.৬৬৪ গ্রাম।[১]
হিসাবঃ
[সম্পাদনা]- "১৬" আনা = "০১" ভরি
- "০৬" রতি = "০১" আনা
- "০১" ভরি = "১১.৬৬" গ্রাম
- "০১" কেজি= "৮৫.৭৩৪" ভরি
বিভিন্ন প্রকার স্বর্ণে খাদের পরিমান
[সম্পাদনা]- ১০ ক্যারেট স্বর্ণে আছে : ১০ অংশ স্বর্ণ + ১৪ অংশ এলোয় (খাদ বা ধাতু)
- ১৪ ক্যারেট স্বর্ণে আছে : ১৪ অংশ স্বর্ণ + ১০ অংশ এলোয় (খাদ বা ধাতু)
- ১৮ ক্যারেট স্বর্ণে আছে : ১৮ অংশ স্বর্ণ + ৬ অংশ এলোয় (খাদ বা ধাতু)
- ২০ ক্যারেট স্বর্ণে আছে : ২০ অংশ স্বর্ণ + ৪ অংশ এলোয় (খাদ বা ধাতু)
- ২২ ক্যারেট স্বর্ণে আছে : ২২ অংশ স্বর্ণ + ২ অংশ এলোয় (খাদ বা ধাতু)
- ২৪ ক্যারেট স্বর্ণে আছে : ২৪ অংশ স্বর্ণ + কোনো এলোয় (খাদ বা ধাতু) নেই।
ব্যবহার
[সম্পাদনা]বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশের বেশ কিছু জায়গায় অলঙ্কারাদিতে ভরি শব্দের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে বাংলাদেশ এর জুয়েলারি দোকানে ভরির একক হিসাবে স্বর্ণের অলংকার বেচাকেনা হয়।[২]
একক
[সম্পাদনা]ভরির একক হিসেবে প্রাচীনকালে ১ টাকার সমপরিমাণ বা আঞ্চলিক ভাষায় কাঁচা পয়সাকে ভরির একক হিসেবে মূল্যায়িত করা হতো। ভরির ক্ষুদ্রতম একক রতি। ৬ রতি সমওজনে ১ আনা এবং ১৬ আনায় ১ ভরি হয়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ১ ভরি = ১১.৬৬৪ গ্রাম।[৩]
স্বর্ণকারদের কাছে
[সম্পাদনা]স্বর্ণকার, যিনি স্বর্ণের ব্যবসা কিংবা স্বর্ণালঙ্কার তৈরী করেন তাদের কাছে ভরির ওজন ভিন্নতর হয়। গ্রাহকের কাছে বিক্রয়ের সময় তারা পুরো বাজার দর হিসেবে ১ ভরি স্বর্ণ বা রূপার দাম নির্ধারণ করেন। অথচ গ্রাহক যখন ঐ ১ ভরি স্বর্ণ বা রূপা বিক্রয় করেন তখন তাতে অলঙ্কারের আকরিক খাদ নির্ধারণ করে মূল্য প্রদান করেন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Report, Star Business (২০ জুলাই ২০২৩)। "Gold prices cross Tk 1 lakh a bhori for the first time"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০২৩।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|প্রথমাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ "সোনার দাম হিসাব ক্যালকুলেটর বাংলাদেশ"। goldr.org। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ "Gram to Vori and Vori to Gram converter"। goldr.org। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০২৫।