ফেরদৌস আহমেদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(ফেরদৌস থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ফেরদৌস
জন্ম
ফেরদৌস আহমেদ

(1976-06-07) ৭ জুন ১৯৭৬ (বয়স ৪৩)
বাসস্থানবনানী, ঢাকা, বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাংলাদেশী
জাতিসত্তাবাঙালি
নাগরিকত্ববাংলাদেশী
শিক্ষাগণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা
যেখানের শিক্ষার্থীঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
পেশাঅভিনেতা
মডেল
চলচ্চিত্র প্রযোজক
টিভি উপস্থাপক
কার্যকাল১৯৯৭ – বর্তমান
বেতন১২-১৪ লাখ[১]
উচ্চতা৫ ফুট ৮ ইঞ্চি (১.৭৩ মিটার)
দাম্পত্য সঙ্গীতানিয়া ফেরদৌস (২০০৩ - বর্তমান)
সন্তাননুজহাত ফেরদৌস (ছেলে)
নুজরান ফেরদৌস (মেয়ে)
আত্মীয়তৌফিক (ভাই)
পুরস্কারজাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (৪ বার)

ফেরদৌস আহমেদ (জুন ৭, ১৯৭৬) বিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে আবির্ভূত একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা। তাঁর অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ এর অসমাপ্ত কাজ বুকের ভিতর আগুন, এটির পরিচালক ছিলেন ছটকু আহমেদ। তাঁর মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সার্থক চলচ্চিত্র গাজী মাজহারুল আনোয়ারের পরিচালনায় পৃথিবী আমারে চায় না[২] পাশাপাশি তিনি কলকাতার চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন নিয়মিত। মিট্টি নামে ২০০১ সালে একটি বলিউড এর চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন।[২] ১৯৯৮ সালে তিনি খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত হঠাৎ বৃষ্টি ছবিতে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশপাশি তিনি মডেলিং, টিভি উপস্থাপনা ও টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেছেন।[৩] বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে তাঁর অনবদ্য অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতার পুরস্কারে ভূষিত করেছে। এগুলো হচ্ছে হঠাৎ বৃষ্টি (১৯৯৮), গঙ্গাযাত্রা (২০০৯), কুসুম কুসুম প্রেম (২০১১), ও এক কাপ চা (২০১৪)।[২] ফেরদৌস অভিনীত সফল চলচ্চিত্রের মধ্যে হঠাৎ বৃষ্টি (১৯৯৮), পৃথিবী আমারে চায় না (১৯৯৮), চুপি চুপি (২০০১), এই মন চায় যে (২০০১), সবার উপরে প্রেম (২০০২), প্রেমের জ্বালা (২০০২), বউ-শাশুড়ির যুদ্ধ (২০০৩), প্রাণের মানুষ (২০০৩), চন্দ্রকথা (২০০৩), খায়রুন সুন্দরী (২০০৪), দুই নয়নের আলো (২০০৫), ফুলের মত বউ (২০০৬), গোলাপী এখন বিলাতে (২০১০), গেরিলা (২০১১) অন্যতম।[৪] এছাড়াও ফেরদৌস আহমেদ চ্যানেল আই সেরা নাচিয়ে, নৃত্য অনুষ্ঠানের প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষা জীবন[সম্পাদনা]

ফেরদৌস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে পড়াশুনা করেছেন।

মডেলিং[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্রে আসার আগে ফেরদৌস র‍্যাম্প মডেল হিসেবে কাজ করেছেন ফ্যাশন সেক্টরে। আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেলের হাত ধরে র‍্যাম্পে তার হাতেখড়ি। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বড় বড় বেশ কিছু ফ্যাশন শোর র্যা ম্পিংয়ে তিনি অংশ নেন। সুন্দর মুখাবয়বের সংঙ্গে পুরুষালী দৈহিক কাঠামো তাকে দর্শপ্রিয় করে তুলেছে। ২০১৫ সালে আরএফএল-এর ব্র্যান্ড এম্বাসেডর হন এবং তিনটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেন।[৫]

অভিনয় জীবন[সম্পাদনা]

১৯৯৯ - ২০০৫[সম্পাদনা]

ফেরদৌস আহমেদ, চলচ্চিত্র জগতে পরিচিত পান ফেরদৌস হিসেবে। তাঁর চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে প্রয়াত নৃত্য পরিচালক আমির হোসেন বাবু'র হাত ধরে।[২] তখন আমির হোসেন বাবু পরিচালক হিসেবে নাচভিত্তিক একটি চলচ্চিত্র নাচ ময়ূরী নাচ নির্মাণের পরিকল্পনা করছিলেন। একসময় তিনি আকর্ষণীয় দৈহিক সৌষ্ঠবের অধিকারী ফেরদৌসকে আবিস্কার করেন। কিন্তু আমির হোসেন বাবু সেই ছবির কাজ আর শুরু করতে পারেননি।[২] প্রয়াত জননন্দিত অভিনেতা সালমান শাহের এর আকস্মিক মৃত্যুর করনে তার অভিনীত অসমাপ্ত একটি ছবিতে কাজ করতে ফেরদৌস প্রথম ক্যামেরার সামনে আসেন ১৯৯৭ সালে ছটকু আহমেদ পরিচালিত বুকের ভিতর আগুন ছবির মাধ্যমে।[৬] সালমান শাহের মৃত্যুর পর ছটকু আহমেদ ছবির গল্পে কিছুটা পরিবর্তন করে ফেরদৌসকে কাজ করার সুযোগ দেন।[৭] এরপর ১৯৯৮ সালে এককভাবে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন অঞ্জন চৌধুরী পরিচালিত পৃথিবী আমারে চায় না ছবির মধ্য দিয়ে।[২] এরপর তিনি ব্যাপকভাবে আলোচিত ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেন ১৯৯৮ সালে ভারতের চলচ্চিত্রকার বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত যৌথ প্রযোজনার ছবি হঠাৎ বৃষ্টি ছবির মাধ্যমে।[৮] এই ছবির অভিনয় করে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।[২] এরপর থেকে তিনি একাধারে বাংলাদেশভারতের বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন। এছাড়াও মিট্টি নামের একটি বলিউড এর হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ২০০১ সালে বাসু চ্যাটার্জির পরিচালনায় চুপি চুপি ও ২০০২ সালে দেবাশিষ বিশ্বাসের টক ঝাল মিষ্টি ছবি দুটিতে অভিনয় করেছেন। ২০০৩-এ ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ুন আহমেদের চন্দ্রকথা ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। ২০০৪ সালে অভিনয় করেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নির্মিত ব্যাচেলর ও ও আমজাদ হোসেনের নির্মিত কাল সকালে ছবিতে। ২০০৫ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর সাহিত্যের প্রথম চলচ্চিত্রায়ন মৌসুমী-গুলজার এর মেহের নেগার এবং মতিন রহমান পরিচালিত জাতীয় কবির সাহিত্যের দ্বিতীয় চলচ্চিত্রায়ন রাক্ষুসী ছবিতেও তিনি জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী রোজিনার বিপরীতে চমৎকার অভিনয় করেছেন।[৭]

২০০৬ - ২০১০[সম্পাদনা]

২০০৬ সালে জনপ্রিয় অভিনেত্রী কবরী পরিচালিত প্রথম ছবি আয়না-তেও তিনি অভিনয় করেছেন। একই বছর চলচ্চিত্রকার দিদারুল আলম বদলের প্রযোজনায় দুটি ছবিতে তিনি কাজ করেছেন। প্রথমটি হুমায়ুন আহমেদ-এর জনপ্রিয় উপন্যাস নন্দিত নরকে অবলম্বনে একই শিরোনামে নির্মিত চলচ্চিত্র নন্দিত নরকে, এটি পরিচালনা করেছেন বেলাল আহমেদ। দ্বিতীয়টি দিদারুল আলম বদলের নিজের পরিচালনায় না বোলনা, এটিতে তিনি প্রথম ও শেষ অংশে একটি বিশেষ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। ২০০৭-এ বহুল আলোচিত গ্রাম বাংলার পটভূমিতে নির্মিত খায়রুন সুন্দরী চলচ্চিত্র অসাধারণ ব্যবসায়িক সাফল্য লাভ করে, এটি পরিচালনা করেছেন এ কে সোহেল। ২০০৮-এ খ্যাতনামা চলচ্চিত্রকার আবু সাইয়ীদ এর রূপান্তর চলচ্চিত্রে তিনি অসাধারণ অভিনয় করেন। ২০০৯-এ সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড এর গঙ্গাযাত্রা ছবিতে একজন ডোমের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এর শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার লাভ করেন (যৌথভাবে চঞ্চল চৌধুরী'র সাথে মনপুরা ছবির জন্য) এবং ওয়াকিল আহমেদের কে আমি চলচ্চিত্রে একটি আইটেম গানে অভিনয় করেন। ২০১০ সালে তিনি বেশ কয়েকটি আলোচিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেন-এর গোলাপী এখন বিলাতে, খিজির হায়াৎ খান পরচালিত ক্রীড়া ভিত্তিক চলচ্চিত্র জাগো অন্যতম।[৭]

২০১১ - বর্তমান[সম্পাদনা]

২০১১ সালে মুক্তি পায় নাসির উদ্দিন ইউসুফ এর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র গেরিলা, মুশফিকুর রহমান গুলজার পরিচালিত কুসুম কুসুম প্রেম এবং শাহীন-সুমন এর কে আপন কে পর ছবিতে বিশেষ অতিথি একটি গানে দৃশ্যে এবং ভারতীয় বাংলা ফাইটার[৯] ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন। কুসুম কুসুম প্রেম ছায়াছবিতে অভিনয় করে অর্জন করেন শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে তার তৃতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এছাড়া গেরিলা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এর তারকা জরিপে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী হিসেবে মনোনীত হন। ২০১২ সালে নিজের প্রথম প্রযোজনায় নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত এক কাপ চা এবং দ্বিতীয়টি বাসু চ্যাটার্জি পরিচালনায় হঠাৎ সেদিন-এ অভিনয় করেন। ২০১২ সালে খোকাবাবু নামের ভারতীয় ছবিতেও তিনি পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেন। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত এমনোতো প্রেম হয় এবং জাকির হোসেন রাজুর যুগে যুগে তুমি আমারই ছবিতে অভিনয় করেন।[১০] হঠাৎ সেদিন ২০১২ সালে মুক্তি পেলেও এক কাপ চা নির্মাণ বিলম্বের কারণে ২০১৪ সালে মুক্তি পায়। এই ছায়াছবির জন্য পান তার অভিনয় জীবনের চতুর্থ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার[১১] এছাড়া একই বছর মুক্তি পায় মুরাদ পারভেজ পরিচালিত বৃহন্নলা, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গল্প অতৃপ্ত কামনা অবলম্বনে প্রিয়া তুমি সুখী হও[১২]চার অক্ষরের ভালবাসা[১৩]বৃহন্নলা ছায়াছবির জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এর তারকা জরিপে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী হিসেবে মনোনীত হন। ২০১৫ সালে অভিনয় করেন মানিক মানবিকের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ছায়াছবি শোভনের স্বাধীনতা,[১৪] প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার আবদুল্লাহ আল মামুন পরিচালিত শেষ চলচ্চিত্র দুই বেয়াইয়ের কীর্তি,[১৫] নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ রচিত উপন্যাস অবলম্বনে মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ছায়াছবি অনিল বাগচীর একদিন,[১৬] ও ডঃ অরূপরতন চৌধুরী পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র স্বর্গ থেকে নরক-এ।[১৭][১৮] ২০১৬ সালে মুক্তি পায় মেহের আফরোজ শাওন পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কৃষ্ণপক্ষ, মুশফিকুর রহমান গুলজার পরিচালিত মন জানেনা মনের ঠিকানা। এছাড়া অভিনয় করেন ইন্দো-বাংলা যৌথ প্রযোজনার ছায়াছবি বাদশাতে। এতে আরও অভিনয় করছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ ও বাংলাদেশী নুসরাত ফারিয়া মাজহার[১৯] এছাড়া অভিনয় করেবেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ভালবাসবোই তোকতদিন দেখিনি তোমায়[২০] চলচ্চিত্রে। দুই ছায়াছবিতেই তার বিপরীতে থাকবেন শাবনূর। ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাবে ফ্যাশন ডিজাইনার বিপ্লব সাহা পরিচালিত রঙ কেন বিশ্ব রঙ[২১]

পারিবারিক জীবন[সম্পাদনা]

ফেরদৌস ২০০৩ সালে ৯ ডিসেম্বর তানিয়া ফেরদৌসকে বিয়ে করেন। তাদের দুই সন্তান। ছেলে নুজহাত ফেরদৌস ও মেয়ে নুজরান ফেরদৌস।[২২]

চলচ্চিত্রের তালিকা[সম্পাদনা]

অভিনেতা[সম্পাদনা]

প্রযোজক[সম্পাদনা]

টেলিভিশন[সম্পাদনা]

টেলিভিশন উপস্থাপক[সম্পাদনা]

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

বাচসাস পুরস্কার

মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার

  • মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (পুরুষ) (দর্শক জরিপ) - গেরিলা (২০১১)
  • মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (পুরুষ) (দর্শক জরিপ) - হঠাৎ সেদিন (২০১২)
  • মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (পুরুষ) (দর্শক জরিপ) - বৃহন্নলা (২০১৪)

টেলি সিনে অ্যাওয়ার্ডস - ২০১৫[২৩]

বিবিধ[সম্পাদনা]

২০১২ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসে বাংলানিউজ২৪ এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে ফেরদৌস জানান কুয়াকাটা এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপে তিনি দুটি অবকাশযাপন কেন্দ্র গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছেন। সেন্টমার্টিনের অবকাশযাপন কেন্দ্রটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদের সাথে যৌথউদ্যোগে তার মালিকানাধীন জমিতে তৈরী।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. মনজুর কাদের (মে ২৪, ২০১৫)। "ঢাকাই নায়কদের কার কত আয়"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  2. "তারকার ডায়েরি"দৈনিক মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১৫ 
  3. "নটআউট ফেরদৌস"দৈনিক যায় যায় দিন। জুন ১৮, ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  4. ""I had no intention of being an actor" -- Ferdous ["আমার অভিনেতা হওয়ার কোনো ইচ্ছা ছিল না" -- ফেরদৌস]"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১৫ 
  5. "নায়ক ফেরদৌস নতুন তিন বিজ্ঞাপনে"মিডিয়া খবর। ৯ আগস্ট ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  6. "ফের সফল ফেরদৌস"বাংলাদেশ প্রতিদিন। ১৮ এপ্রিল ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  7. ইলা মুৎসুদ্দী (২৫ জুলাই ২০১৩)। "জনপ্রিয় নায়ক ফেরদৌস"দৈনিক আজাদী। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  8. জয়ন্ত সাহা (২১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "ভারতীয় চলচ্চিত্র আমদানীর পক্ষে ফেরদৌস"বিডিনিউজ। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  9. আমিনুল ই শান্ত (২৬ ডিসেম্বর ২০১৫)। "ফের একসঙ্গে ফেরদৌস-জিদ"রাইজিং বিডি। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  10. "নায়ক পেলেন শাবনূর!"কালের কণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  11. "সেরা সম্মাননা ফেরদৌস মৌসুমী মিমের"বাংলাদেশ প্রতিদিন। ১২ মে ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  12. "নজরুলের গল্প নিয়ে 'প্রিয়া তুমি সুখী হও'"দৈনিক প্রথম আলো। আগস্ট ৩০, ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  13. "র অক্ষরের ভালোবাসায় দেখা মিলবে পপির"দৈনিক প্রথম আলো। নভেম্বর ১৮, ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  14. "ছাড়পত্র পেল 'শোভনের স্বাধীনতা'"দৈনিক প্রথম আলো। ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  15. "দুই বেয়াইয়ের কীর্তি"দৈনিক প্রথম আলো। মে ২৮, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  16. "আজ 'অনিল বাগচীর একদিন'"। ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৬ 
  17. অভি মঈনুদ্দীন (২৬ ডিসেম্বর ২০১৫)। "চলছে ফেরদৌস নিপুণের পঞ্চম চলচ্চিত্র"দৈনিক নয়া দিগন্ত। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  18. "এক মাসে ফেরদৌস এর তিন ছবি!"মিডিয়া কথা। ১৩ ডিসেম্বর ২০১৫। ২ মে ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  19. মাজহার বাবু (৫ মার্চ ২০১৬)। "জিৎ-এর সঙ্গে কতটুকু মূল্যায়ন পাবেন ফেরদৌস?"এনটিভি অনলাইন। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  20. মাজহার বাবু (২৭ এপ্রিল ২০১৬)। "কতদিন দেখি না তোমায় ফিরছে ফেরদৌস-শাবনূর জুটি"এনটিভি অনলাইন। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  21. "ফেরদৌস-হিমির প্রথম চলচ্চিত্র!"বাংলা ট্রিবিউন। ২ জুন ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৬ 
  22. "অ্যাডিলেডে সপরিবারে ফেরদৌস"দৈনিক প্রথম আলো। ডিসেম্বর ৮, ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  23. "ওপার বাংলা থেকে 'টেলি-সিনে অ্যাওয়ার্ড' পেতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় নায়ক ফেরদৌস"একুশে.নেট। ৭ মে ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]