ফাহদা বিনতে আছি আল শুরাইম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ফাহদা বিনতে আসি বিন শুরাইম আল শাম্মারি
মৃত্যুc. ১৯৩০
দাম্পত্য সঙ্গী
বংশধর
রাজবংশসৌদি রাজবংশ
পিতাআছি বিন শুরাইম আল শাম্মারি
ধর্মইসলাম

ফাহদা বিনতে আছি বিন শুরাইম আল শাম্মারি ( আরবি: الشيخة فهدة بنت العاصي الشريم‎‎ , মৃত্যুঃ ১৯৩০) বাদশাজ আব্দুল আজিজ ইবনে সৌদের স্ত্রী এবং সৌদি আরবের সাবেক শাসক বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদের মা।[১]

প্রথম জীবন[সম্পাদনা]

ফাহদা আরবের শাম্মার জাতির আব্দে শাখার একজন সদস্য।[২][৩] শাম্মার জাতির সাবেক প্রধান আছি বিন শুরাইম আল শাম্মারি হলেন তার পিতা।[৪][৫] তিনি ছিলেন তাদের দক্ষিণ অংশের শেখ[৬]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

ফাহদা বিনতে আছি দুইবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রথমবার তিনি বিয়ে করেন সৌদ বিন আব্দুল আজিজকে। তার স্বামী ছিলো দশম আল রাশিদ আমির, যাকে তার চাচাতো ভাই ১৯২০ সালে হত্যা করে।[৭][৮] তার প্রথম বিবাহে দুই সন্তানের জন্ম হয়। তারা হলেন আব্দুল আজিজ বিন সৌদ বিন আব্দুল আজিজ আল রাশিদ (জন্মঃ ১৯১৬) এবং মিশাল বিন সৌদ বিন আব্দুল আজিজ আল রাশিদঃ (জন্ম ১৯১৮)। [৭]

স্বামীর হত্যার পর, ফাহদা আব্দুল আজিজ ইবনে সৌদকে বিয়ে করেন।[৯] তিনি ছিলেন ইবনে সৌদের অষ্টম স্ত্রী।[১০] ইবনে সৌদ দুইজন আল রাশিদ নারীকে বিয়ে করেছিলেন।[৮] এই বিবাহের উদ্দেশ্য ছিলো রাশিদীদের সাথে সংঘর্ষ এড়ানো এবং তাদের রাজ পরিবারের সদস্য করা।[১১] অন্য কথায়, আবদুল আজিজ রাশীদীদের দ্বারা সৃষ্ট সম্ভাব্য সমস্যাগুলি দূর করতে তাকে বিয়ে করেছিলেন।[১২]

আব্দুল আজিজ ইবনে সৌদের সাথে তাঁর প্রথম সন্তান হলো সৌদি আরবের ষষ্ঠ বাদশাহ আবদুল্লাহ[১৩] তার অন্দুয দুই সন্তান হলেন নুফ এবং ছিতা।[১৪] ফাহদা ১৯৩০ সালে ফাহাদা মারা যান। তখন প্রিন্স আবদুল্লাহর বয়স ছিলো ছয় বছর।[১৫]

উত্তরাধিকার[সম্পাদনা]

২০০৯ সালের আগস্ট মাসে বাদশাহ মরোক্কোর বস্কোরাতে ফাহদা বিনতে আছি আল শুরাইম মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেন। বিদ্যালয়ে সাধারণ প্রশিক্ষণের জন্য আঠারোটি শ্রেণীকক্ষ, নয়টি বিজ্ঞানকক্ষ, প্রস্তুতির জন্য তিনটি শ্রেণীকক্ষ, একটি লাইব্রেরি, এবং খেলাধুলার বিশেষ মাঠ রয়েছে।[১৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Abdullah bin Abdulaziz Al Saud"Jewish Virtual Library 
  2. "The Man at the Center: Saudi Crown Prince 'Abdullah"। ২৫ জানুয়ারি ২০০২। ২১ আগস্ট ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১২ 
  3. Al Qassemi, Sultan (১ ফেব্রুয়ারি ২০১২)। "Tribalism in the Arabian Peninsula: It Is a Family Affair"Jadaliyya। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০১৩ 
  4. Hassan Hanizadeh (২২ নভেম্বর ২০১০)। "Saudi Arabia sans King Abdullah"Tehran Times। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১২ [অকার্যকর সংযোগ]
  5. Talal Kapoor (২২ নভেম্বর ২০১০)। "King Abdallah's Hospitalization - Succession Endgame?"Datarabia। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০১২ 
  6. Talal Kapoor (৮ জুন ২০১২)। "Nayif's Departure: Spring Cleaning In The Royal Court?"Datarabia। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০১২ 
  7. Talal Kapoor (১ ফেব্রুয়ারি ২০০৭)। "Analysis: Al Rashid Opposition Group (part one)"Datarabia। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুন ২০১২ 
  8. al-Rasheed, Madawi (১৯৯১)। Politics in an Arabian Oasis. The Rashidis of Saudi Arabia। I. B. Tauirs & Co. Ltd.। 
  9. Mark Weston (২৮ জুলাই ২০০৮)। Prophets and Princes: Saudi Arabia from Muhammad to the Present। John Wiley & Sons। পৃষ্ঠা 169। আইএসবিএন 978-0-470-18257-4। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  10. Saudi Arabia King Fahd bin Abdulaziz Al Saud Handbook। Int'l Business Publications। ১ জানুয়ারি ২০০৫। পৃষ্ঠা 28। আইএসবিএন 978-0-7397-2740-9। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০১৩ 
  11. Robert Baer (মে ২০০৩)। "The Fall of the House of Saud"Atlantic Magazine। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মে ২০১২ 
  12. Abdullah Mohammad Sindi। "The Direct Instruments of Western Control over the Arabs: The Shining Example of the House of Saud" (PDF)Social sciences and humanities। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১২ 
  13. Winberg Chai (২২ সেপ্টেম্বর ২০০৫)। Saudi Arabia: A Modern Reader। University Press। পৃষ্ঠা 193। আইএসবিএন 978-0-88093-859-4। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  14. "Family Tree of Abdulaziz bin Abdul Rahman bin Faysal Al Saud"Datarabia। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১২ 
  15. Christopher Dickey (৩০ মার্চ ২০০৯)। "The Monarch who Declared His own Revolution": 40। সংগ্রহের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০১৩   – via Questia (সদস্যতা প্রয়োজনীয়)
  16. "Public Affairs"Saudi Embassy at Washington D.C.। ১২ জুন ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১২