ফায়ার স্টেশন নং ৪ (পটাকেট, রোডি আইল্যান্ড)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
৪ নং অগ্নি নির্বাপন কেন্দ্র
Fire Station No. 4, Pawtucket.jpg
৪ নং অগ্নি নির্বাপন কেন্দ্রের ছবি
ফায়ার স্টেশন নং ৪ (পটাকেট, রোডি আইল্যান্ড) রোড আইল্যান্ড-এ অবস্থিত
ফায়ার স্টেশন নং ৪ (পটাকেট, রোডি আইল্যান্ড)
অবস্থানপটাকেট, রোডি আইল্যান্ড
স্থানাঙ্ক৪১°৫৩′১১″ উত্তর ৭১°২২′৩৬″ পশ্চিম / ৪১.৮৮৬৩৯° উত্তর ৭১.৩৭৬৬৭° পশ্চিম / 41.88639; -71.37667স্থানাঙ্ক: ৪১°৫৩′১১″ উত্তর ৭১°২২′৩৬″ পশ্চিম / ৪১.৮৮৬৩৯° উত্তর ৭১.৩৭৬৬৭° পশ্চিম / 41.88639; -71.37667
নির্মিত১৮৯০
স্থপতিউইলিয়াম আর ওয়াকার এন্ড সন
স্থাপত্য শৈলীরাণী অ্যানে
স্বত্বাধিকারী সংস্থাব্যক্তিগত
MPSপটাকেট এম আর এ
এনআরএইচপিতে যোগ১৮ নভেম্বর, ১৯৮৩

ফায়ার স্টেশন নং ৪ (ইংরেজিঃ Fire Station No. 4), পটাকেট, রোডি আইল্যান্ড এর ৪৭৪ ব্রডওয়েতে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক অগ্নিনির্বাপন কেন্দ্র। রানী অ্যানের সময়ের স্থাপত্য ধাঁচের এই স্টেশনটি ১৮৯০ সালে নির্মিত হয়। এটি একটি আড়াই তলা, চতুষ্কোণ ইটের ভবন, যাতে একটি বেল টাওয়ার এবং দুইটি ইটের উইংস আছে। ভবনটি লাল ইট আর বেলে পাথরের তৈরী, এবং এর জানালা বেলেপাথরের চৌকাট আর গোবরাট দিয়ে নির্মিত। স্থাপনার নাম ও তৈরীর তারিখ সহ একটি পোড়ামাটির ফলক শোভা পাচ্ছে ভবনটিতে।১৯৭৪ সালে স্টেশনটি অগ্নি নির্বাপন কেন্দ্র হিসাবে কাজ করা বন্ধ করে দেয়, যখন বর্তমানের কটেজ স্ট্রীটের ৪ নং স্টেশন যাত্রা শুরু করে।জাতীয় রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তির আগ পর্যন্ত অফিস ও সভাস্থল তৈরীর জন্য ভবনটির অভ্যন্তরীন নকশা ব্যপকভাবে পরিবর্তিত হয়। ২০১৪ সাল থেকে এটি খৃষ্টধর্ম মতাবলম্বীরা তাদের দাতব্য কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহার করছে। ১৯৮৩ সালে ৪ নং আগুন নির্বাপন কেন্দ্রটি ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ হিসটোরিক প্লেসেস এ অন্তর্ভুক্ত হয়।

নকশা[সম্পাদনা]

৪ নং আগুন নির্বাপন কেন্দ্রটি ১৮৯০ সালে ব্রডওয়ে এবং কর্নাশন স্ট্রীটের দক্ষিণ-পশ্চিমে এক মনোরম পরিবেশে একজন অজ্ঞাত স্থপতি কর্তৃক নির্মিত হয়। লাল ইটের তৈরি ভবনটির প্রধান ব্লক ছিলো আড়াই তলা এবং চতুস্কোনাকৃতির ছাদ বিশিষ্ট এবং এর ত্রিকোনধারটি ছিলো ব্রডওয়েমুখী। ভবনটির লম্বা বরাবর দুটি একই রকমের একতলা উইংস আছে। ব্রডওয়ে মুখী পাশে ধনুকাকৃতি প্রবেশদ্বারও রয়েছে। লাল ইট আর গোলাপী মর্টারে তৈরি হলেও এর জানালার চৌকাট আর গোবরাট তৈরিতে বেলেপাথর ব্যবহার করা হয়েছিলো। ভবনটির ত্রিকোণ ধারের উপর পোড়ামাটির কাজের নিদর্শন আছে যেখানে সুসজ্জিত পাতে নাম এবং ফলকে তারিখ লেখা আছে, এছাড়া মূল প্রবেশদ্বারের মেঝেতে স্ট্রিং এর সারি আছে। ফলকটির উপরে একতি অর্ধবৃত্তাকার জানালা আছে, এবং এর উত্তর পাশে আরো একটি এ ধরনের অর্ধবৃত্তাকার জানালা আছে। ভবনটির উত্তর- দক্ষিণ পাশে একটি বেল টাওয়ার আছে যার নিজস্ব একটি গোনাকৃতির জানালা আছে। স্টেশনটিতে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন করা হয়, পূর্বের এর দুটি ইঞ্জিন দরজাকে আধুনিক গ্যারাজের দরজা দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়। ১৯৮৩ সালে এন আর এইচ পি তে মনোনয়ন পাওয়ার সময় "সাম্প্রতিককালে" এর পিরামিড আকৃতির বেল টাওয়ারটিকে  সরিয়ে ফেলা হয়।[১] ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ হিসটোরিক প্লেসেস এর মনোনয়নের অন্তর্ভুক্তির আগ পর্যন্ত অফিস ও সভাস্থল তৈরীর জন্য ভবনটির অভ্যন্তরীন নকশা ব্যপকভাবে পরিবর্তিত হয়। যে সকল বিশদ নকশা রয়ে গিয়েছিল তার মধ্যে ছিল রাণী অ্যানে সিঁড়ি এবং প্যানেল দরজা। এর অভ্যন্তরীন নকশায় ব্যপক পরিবর্তন আনা সত্ত্বেও এটি হিসটোরিক রেজিস্টারে তালিকাভুক্ত আছে।[১]

ব্যবহার[সম্পাদনা]

১৯৭৪ সালে ৪নং অগ্নি নির্বাপন কেন্দ্রটি, ৩৯৭ কটেজ স্ট্রীটের একটি নতুন অগ্নি নির্বাপন কেন্দ্র দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। এই পরিবর্তন ছাড়াও কমিউনিটি ডেভেলমমেন্ট প্রোগ্রাম, ১৯৭০ এবং ১৯৮০ সালে আরো অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়।.[২] মনোনয়নের সময় কেন্দ্রটি অফিস ও সভার জন্য ব্যবহারের জন্য ঠিক করা হয়। .[১] ২০১৪ সাল থেকে এটি খৃষ্টধর্ম মতাবলম্বীরা তাদের দাতব্য কার্যক্রম পরিচালনার জন্য "ডিওসেসান চ্যারিটি অফ প্রভিডেন্স আডভোকেসি, পেরিশ আউটরিচ এন্ড সোশ্যাল সার্ভিস অ্যাসিস্টেন্স সেন্টার" হিসাবে ব্যবহার করছে।[৩]

তাৎপর্য[সম্পাদনা]

৪নং অগ্নি নির্বাপন কেন্দ্রটি স্থাপত্যের দিক দিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং ১৯ শতকের রাণী অ্যানে এর আমলের স্থাপত্যের আদলের এক অনন্য উদাহরন। অগ্নি নির্বাপন কেন্দ্রটির বিশেষ বৈশিষ্ট হল এর প্রলম্বিত কার্নিশ এবং পোড়ামাটির ফলক। সেই সাথে এটা পটাকেট শহরের পূর্নতালাভের এক প্রতীক হিসাবেও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ন। সীমানা হিসাবে প্লাট ৭বি, লট ১৬৪ লিপিবদ্ধ আছে যা পার্শ্ববর্তী এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করে। সবকিছু মিলিয়ে এর এলাকা এক একরের কম হয়.[১]  ১৮ নভেম্বর, ১৯৮৩ সালে ৪নং অগ্নি নির্বাপন কেন্দ্রটি ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ হিসটোরিক প্লেসেস এ অন্তর্ভুক্ত হয়।[৪]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]