প্রিচার মস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
প্রিচার মস
Preacher Moss
ছদ্মনামপ্রিচার মস
ডাকনামব্রায়ান্ট রেগিনাল্ড মস
জন্ম১৯৬৭ (বয়স ৫২–৫৩)
ওয়াশিংটন, ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
মাধ্যমট্যান্ড আপ, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র
জাতীয়তাআমেরিকা
কার্যকাল১৯৯৪–বর্তমান
ধরনপর্যবেক্ষণমূলক কমেডি, বিদ্রূপত্মাক
বিষয়(সমূহ)ইসলামিক হাস্যরস্যাত্মক, বর্ণবাদ, ইসলামফোবিয়া, রাজনৈতিক হাস্যরস, বর্তমান ঘটনা, আমেরিকান সংস্কৃতি, মানুষের মিথস্ক্রিয়া
প্রভাবিত হয়েছেনডিক গ্রেগরি, রিচার্ড প্রিয়ার, জর্জ লোপেজ
দম্পতিইয়াসমিন মস (বি. ২০০৩)
ওয়েবসাইটpreachermoss.com

ব্রায়ান্ট রেগিনাল্ড মস (জন্ম: ১৯৬৭), সর্বাধিক পরিচিত তার মঞ্চ নাম মস নামে, একজন আমেরিকার স্ট্যান্ড আপ কৌতুকাভিনেতা এবং লেখক। তিনি ত্রিভূজ আকৃতির হাস্যরস্যাত্মক অনুষ্ঠান আল্লাহ মেড মি ফানি তে অভিনয়ের সুবাদে পরিচিত।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, ডি.সিতে আফ্রিকা-আমেরিকার পিতামাতা ক্লিফোর্ড মস এবং মেরি মস-এর জন্মগ্রহণ করেন ব্রায়ান্ট মস। মাত্র ৭ বছর বয়স থেকে তিনি কমেডির অনুশীলন শুরু করে দেন, যেখানে তিনি তার পরিবারের গির্জার যাজক তার অনুকরণ এর ফলস্বরুপ তিনি "প্রচারক" ডাক নামটি অর্জন করেছিলেন। তিনি মেরিল্যান্ড উপকূলবর্তী এলাকার একজন খ্রিস্টান হিসাবে বেড়ে ওঠেন এবং তাকে স্কুলে পড়াশোনা করার জন্য একটি স্থানীয় সামরিক একাডেমিতে ভর্তি করা হয়েছিল।

মেস ১৭ বছর বয়সে স্কেচ কমেডি শুরু করেন এবং ২০ বছর বয়সের প্রথম দিকে তিনি বিভিন্ন কমেডি ক্লাবগুলিতে পদচারনা শুরু করেন।[১]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

২০০৩ সালে, মস ইয়াসমিন নামে কানাডার টরন্টোতে বসবাসরত একজন ভারতীয় মুসলমানকে বিবাহ করেছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় সফরে না গেলে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার দীর্ঘ সৈকতে ঘুরতে যান এবং ওয়াশিংটন ডি.সি. তে ঘন ঘন তার মায়ের বাড়িতে যান।

পুরস্কার[সম্পাদনা]

বছর পুরস্কার বিভাগ ফলাফল
২০০৫ মুসলিম পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল মিডিয়া পুরস্কার বিজয়ী
২০০৯ ক্যাম্পাস একটিভিটিজ ম্যাগাজিন রিডার চয়েস অ্যাওয়ার্ডস শ্রেষ্ঠ বৈচিত্র্যময়ী অভিনেতা বিজয়ী

কমেডি শৈলী[সম্পাদনা]

মস খ্রিস্টান থেকে ইসলাম ধর্মে তার ধর্মান্তর নিয়ে বেশিরভাগক্ষেত্রে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আলোচনা করে থাকেন।[২] তিনি কালো ও মুসলিম হওয়ার অভিজ্ঞতা এবং জাতি ও ধর্মের পক্ষে উপকারী বিভিন্ন দিক হিসাবে ব্যবহার করে থাকেন।[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Coming to Your Television: The Muslim Cosby Show"Illume। আগস্ট ১০, ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১, ২০১৩ 
  2. Fry, Ted (অক্টোবর ৩, ২০০৮)। ""Allah Made Me Funny": Stand-ups riff on being Muslim in America"। Seattle: The Seattle Times। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১, ২০১৩ 
  3. Brussat, Frederic; Brussat, Mary Ann। "Film Review: Allah Made Me Funny: Live in Concert"Spiritual Practice। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১, ২০১৩ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]