প্যাসার রুটিলানস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

Passer rutilans
Passer rutilans.JPG
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Chordata
উপপর্ব: Vertebrata
শ্রেণী: Aves
বর্গ: Passeriformes
পরিবার: Passeridae
গণ: Passer
প্রজাতি: Passer rutilans
দ্বিপদী নাম
Passer rutilans
(Temminck, 1835)
প্রতিশব্দ
List
  • Fringilla rutilans Temminck, 1836
  • Pyrgita cinnamomea Gould, 1836
  • Passer rutilans Temminck, 1836
  • Passer russatus Temminck and Schegel, 1850

রাসেট স্প্যারো দ্বিপদ নাম প্যাসার রুটিলানস, সিনামন বা সিনামন গাছ চড়ুই নামেও পরিচিত, প্যাসারিডি পরিবারভুক্ত প্যাসারিন জাতের পাখি। এরা শষ্যদানাভূক পাখি। এদের চঞ্চু মোটা। এদের দেহের দৈর্ঘ্য ১৪-১৫ সে.মি.। স্ত্রী ও পুরুষ রাসেট স্প্যারোর সাথে স্ত্রী ও পুরুষ পাতি চড়ুইয়ের মিল পরিলক্ষিত হয়।

শ্রেণীবিন্যাস[সম্পাদনা]

ফিলিপ ফ্রাঞ্জ ভন সিয়েবোল্ডের আঁকা ছবি

রাসেট স্প্যারোকে সর্বপ্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে বর্ণনা করে ডাচ প্রাণীবিজ্ঞানী কোয়েনর‍্যাড জ্যাকব টেম্মিনক। ১৮৩৫ সালে তিনি জাপান থেকে সংগৃহীত নমুনার উপর ভিত্তি করে একে নামকরণ করেন ফ্রিঞ্জিল্লা রুটিলান্স। এর প্রজাতি নাম রুটিলান্স এসেছে লাতিন ভাষা থেকে।[২] এরা পাতি চড়ুইয়ের নিকটাত্মীয়।[৩][৪]

বর্ণনা[সম্পাদনা]

এরা মধ্যমাকৃতির চড়ুই, দৈর্ঘ্যে ১৪-১৫ সেমি এবং ওজনে ১৮-২২.৫ গ্রাম। এদের পুরু ঠোঁট বীজ খাওয়ার জন্য উপযুক্ত। পুরুষ পাখির ডানার বিস্তৃতি ৬.৮-৮.২ সেমি এবং স্ত্রী পাখির ৬.৭-৭.৭ সেমি। অধিকাংশ চড়ুই পাখি দ্রুত ওড়ে তবে এরা তাদের মধ্যেও দ্রুততম।

আবাস্থল[সম্পাদনা]

এদেরকে পূর্ব এশিয়া এবং হিমালয়ে দেখতে পাওয়া যায়। হিমালয়ে এরা উত্তর পূর্ব ভারত থেকে দক্ষিণ পূর্ব তিব্বত, ভুটান, শিকিম, নেপাল, উত্তরখণ্ড এবং হিমাচল থেকে কাশ্মীর ও আফগানিস্তানের নুরিস্তান পর্যন্ত বাস করে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Passer rutilans"বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা। সংস্করণ 2013.2প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন। ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৩ 
  2. Jobling 2009, পৃ. 344
  3. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Summers206 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  4. Meinertzhagen, R. (১৯৫১)। "Some relationships between African, Oriental, and Palearctic genera and species, with a review of the genus Monticola"। The Ibis93 (3): 443–459। doi:10.1111/j.1474-919X.1951.tb05445.x 

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]