ন্যায্য বিশ্ব অনুকল্প

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

ন্যায়াচার-বিশ্ব ধারণা এমন একটি মতবাদ যেখানে একজন ব্যক্তি সহজাতভাবে নিজের জন্য ন্যায় বিচার ও উপযুক্ত ফলাফল প্রত্যাশী, সকল ভালো কাজের জন্য সে পুরস্কৃত হয় এবং মন্দ কাজের জন্য শাস্তি পায়। অন্য কথায়, ন্যায়াচার-বিশ্ব ধারণা হল এমন এক ধরনের প্রবণতা যেখানে এমন ফলাফল বিদ্যমান বা এমন ফলাফল আশা করা হয় যাতে নৈতিক ভারসাম্য বজায় থাকে। এই বিশ্বাস জাগতিক ন্যায়, ভাগ্য, মিতব্যয়িতা, ভারসাম্য, পুরস্কার ও দণ্ড ও আদেশের অস্তিত্ব প্রকাশ করে।

আবির্ভাব[সম্পাদনা]

অনেক দার্শনিক এবং সমাজ তাত্ত্বিকগণ ন্যায়াচার বিশ্বে বিশ্বাসের উপাদানসমূহের উপর গুরুত্ব প্রদান করেন। লার্নারের গবেষণা ন্যায়াচার-বিশ্ব ধারণাকে সামাজিক মনস্তত্ত্ব গবেষণায় দৃষ্টিপাতে ভূমিকা রাখে।

মেলভিন লার্নার[সম্পাদনা]

Lerner was prompted to study justice beliefs and the just-world hypothesis in the context of social psychological inquiry into negative social and societal interactions.[১] Lerer saw his work as extnding Stanley Milgram's work on obedience. He sought to answer the questions of how regimes that cause cruelty and suffering maintain popular support, and how people come to accept social norms and laws that produce misery and suffering.[২]

অনেক সময় দেখা যায়, ধর্ষণ বা ডাকাতির জন্য ধর্ষিতা বা নিপীড়িতকেই দায়ী করা হয়, অর্থাৎ যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তাকেই দায়ী করা হয়, একে বলা হয় নিপীড়িতকে দোষারোপ। লার্নারের গবেষণা এই দোষারোপের শিকার হওয়া মানুষদের দেখে প্রভাবিত হয়েছিল। একজন মনস্তত্ত্ববিদ হিসেবে ক্লিনিক্যাল টেস্ট করার সময় তিনি তার সহকর্মীদের (সেবক) কাজ মনোযোগের সাথে পর্যবেক্ষণ করেন। লার্নার খুব ভালোভাবে জানতেন, যে তারা অত্যন্ত দয়ালু এবং শিক্ষিত, কিন্তু তারা প্রায়ই রোগীর চিকিৎসা করার সময় রোগীর অসুস্থতায় কষ্টের জন্য প্রায়ই রোগীকেই দায়ী করছেন।[৩] লার্নার বিস্ময়ের সাথে বর্ণনা করেন, তার ছাত্ররা গরীব অসহায়দের তাদের দারিদ্যের জন্য হেয় করতেও শুনেন।[১] In a study on rewards, he observed that when one of two men was chosen at random to receive a reward for a task, that caused him to be more favorably evaluated by observers, even when the observers had been informed that the recipient of the reward was chosen at random.[৪][৫] Existing social psychological theories, including en:cognitive dissonance, could not fully explain these phenomena.[৫] ঠিক কী কারণে এমনটা হচ্ছে তা বুঝার অভিপ্রায় থেকেই লার্নার যে পরীক্ষা টা চালান তাকেই এখন বলা হয় ন্যায়াচার-বিশ্ব ধারণা।

প্রাথমিক প্রমাণাদি[সম্পাদনা]

১৯৬৬ সালে লার্নার এবং তার সহকর্মীরা বেশ কয়েকটা পরীক্ষা করেন। যেখানে একজনকে ইলেক্ট্রিক শক দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে যিনি শকটা খাবেন, তার সাথে আগে থেকেই চুক্তি করা হয়েছিল যে, তিনি শুধুমাত্র শক খাওয়ার অভিনয় করবেন, মুলত তাকে কোনো শক দেওয়াই হবে না। এই গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল, এটা পর্যবেক্ষণ করা, যারা এই শক খাওয়াটা দেখবেন বা দিবেন, যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকা মানুষকে দেখে তাদের ঠিক কেমন প্রতিক্রিয়া হবে। অর্থাৎ যারা শক দিবেন তাদের উপরই পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। প্রাথমিক ভাবে ৭২ জন নারী সদস্যকে বাছাই করা হয়েছিল, তাদেরকে ইলেক্ট্রিক শক দিতে বলা হয়েছিল, যার ভোল্টেজ ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকবে। শুরুতে সবাই এ কাজ করতে গিয়ে; শক খেয়ে যন্ত্রণায় ছটফট করা মানুষের কষ্ট দেখে বিমর্ষ ছিল। কিন্তু যেহেতু আগে থেকেই বলে দেওয়া হয়েছিল এই পরীক্ষা মাঝপথে কোনোভাবেই বন্ধ করা যাবে না, দেখা যায় এরপরে শকদানকারী প্রত্যেকেই শক দিতে থাকে। মানুষটি যত যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন, তাকে ইলেক্ট্রিক শক দেওয়ার ভোল্টেজের পরিমাণও তত বাড়তে থাকে। কিন্তু যখন শকদানকারীদের বলা হলো: যিনি শক খেয়ে যন্ত্রণায় এত ছটফট করছেন, তাকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে, সাথে সাথে সাবজেক্ট (শকদানকারী) শক দেওয়া বন্ধ করে দিলো।[২] লার্নার এবং তার সহযোগীরা অন্যান্য গবেষকদের মতই এই গবেষণার পুনরাবৃত্তি করেন।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Montda, L. & Lerner, M.J. (1998). Preface, in Leo Montada & M.J. Lerner (Eds.). Responses to Victimizations and Belief in a Just World (pp. vii–viii). Plenum Press: New York.
  2. Lerner, M.; Simmons, C. H. (১৯৬৬)। "Observer’s Reaction to the ‘Innocent Victim’: Compassion or Rejection?"Journal of Personality and Social Psychology 4 (2): 203–210। ডিওআই:10.1037/h0023562পিএমআইডি 5969146 
  3. Lerner (1980). The Belief in a Just World: A Fundamental Delusion. Plenum: New York.
  4. Lerner, M. J., & Miller, D. T. (1978). Just world research and the attribution process: Looking back and ahead. Psychological Bulletin, 85(5), 1030–1051
  5. Maes, J. (1998) Eight Stages in the Development of Research on the Construct of BJW?, in Leo Montada & M.J. Lerner (Eds.). Responses to Victimizations and Belief in a Just World (pp. 163–185). Plenum Press: New York.