নূরচলিশ মাদজিদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

নূরচলিশ মাদজিদ (১৭ মার্চ, ১৯৩৯ - ২৯ আগস্ট, ২০০৫) ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিম পণ্ডিত। ইন্দোনেশিয়ায় তাকে স্নেহপূর্ণভাবে "চাক নূর" নামে ডাকা হয়। ছাত্রজীবনে তিনি বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতা ছিলেন এবং ইসলামের আধুনিকীকরণের সমর্থক হিসাবে সুপরিচিত হন।

জীবনী[সম্পাদনা]

১৯৩৯ সালের ১৭ ই মার্চ পূর্ব জাভার জম্বাংয়ে জন্মগ্রহণকারী মাদজিদ ইন্দোনেশিয়ার প্রচলিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতে তার প্রাথমিক শিক্ষা পেয়েছিলেন। পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলাম শিক্ষা বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। সেখানে তিনি ফজলুর রহমানের অধীনে ইসলামী দর্শন অধ্যয়ন করেন। ২০০৩ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসাবে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি জাকার্তার প্যারামেডিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর হিসেবে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

দর্শন[সম্পাদনা]

বিশ্বব্যাপী সংগ্রামে ইসলামের বিজয়ী হওয়ার জন্য সহনশীলতা, গনতন্ত্র ও বহুত্ববাদী ধারনাকে আলিঙ্গন করতে হবে বলে তিনি মনে করতেন। ১৯৭০ এর দশকে চাক নূর 'ইসলাম, হ্যাঁ; ইসলামী দল, না' নামে স্লোগানটি প্রচলন করেছিলেন যা পরবর্তীতে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ইসলামী দলগুলোর বিরুদ্ধে মুসলমানদের ভোট দেওয়া পাপ এমন দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই স্লোগানটি ব্যাপক সহায়তা করেছিল।[১] ইন্দোনেশিয়ায় ২০০৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে সর্বাধিক সফল দুই ধর্মীয় রাজনৈতিক দল জাতীয় সচেতনতা এবং যুগ্ম উন্নয়ন দল যথাক্রমে মাত্র ১০.৬% ও ৮.১% ভোট পায়।

প্রকাশনা[সম্পাদনা]

  • দ্য ইস্যু অফ মডার্নাইজেশন এমাং মুসলিমস ইন ইন্দোনেশিয়া: এ পার্টিসিপেন্ট’স পয়েন্ট অফ ভিউ (ইন্দোনেশিয়ার মুসলমানদের মধ্যে আধুনিকীকরণের সমস্যা: একজন অংশগ্রহণকারীর দৃষ্টিভঙ্গি) (১৯৭৮)
  • ইসলাম ইন ইন্দোনেশিয়া: চ্যালেঞ্জস এন্ড অপোরচুনিটিস (ইন্দোনেশিয়ায় ইসলাম: চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ) (১৯৮২)
  • দ্য নেসেসিটি অফ রিনিউয়িং ইসলামিক থট এন্ড রিইনভিগোরেটিং রিলিজিয়াস আন্ডারস্ট্যান্ডিং (ইসলামী চিন্তার পুনর্নবীকরণ এবং ধর্মীয় বোঝার পুনরুজ্জীবনের প্রয়োজনীয়তা) (১৯৮৮)
  • ইন সার্চ অফ ইসলামিক রুটস ফর মডার্ন প্লুরালিজম: দ্য ইন্দোনেশিয়ান এক্সপেরিয়েন্সেস (আধুনিক বহুত্ববাদের জন্য ইসলামী শিকড়ের অনুসন্ধান: ইন্দোনেশীয় অভিজ্ঞতা) (১৯৯৬)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]