দ্য ইলেভেন্থ আওয়ার (চলচ্চিত্র)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
দ্য ইলেভেন্থ আওয়ার
পরিচালক নাদিয়া কনারস
লেইলা কনারস পিটারসেন
প্রযোজক লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও
লেইলা কনারস পিটারসেন
চাক ক্যাসলবেরি
ব্রায়ান গারবার
রচয়িতা নাদিয়া কনারস
লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও
লেইলা কনারস পিটারসেন
বর্ণনাকারী লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও
সুরকার জিন-পাসকেল বেইন্টাস
এরিক অ্যাভারি
সম্পাদক লুইস আলভারেজ ওয়াই আলভারেজ
পিয়েট্রো স্ক্যালিয়া
পরিবেশক ওয়ার্নার ইনডিপেন্ডেন্ট পিকচারস
মুক্তি
দৈর্ঘ্য ৯২ মিনিট[১]
দেশ যুক্তরাষ্ট্র
ভাষা ইংরেজি
আয় $৯৮৫,২০৭[২]

দ্য ইলেভেন্থ আওয়ার ২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত পরিবেশ বিষয়ক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন নাদিয়া কনারসলেইলা কনারস পিটারসেন এবং প্রযোজনা, চিত্রনাট্য রচনা ও বর্ণনা করেছেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। ২০০৭ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে (১৬-২৭ মে) চলচ্চিত্রটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে ১৭ আগস্ট মুক্তি পায়।

কাহিনী সংক্ষেপ[সম্পাদনা]

সাবেক সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ, বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ওয়ানগারি মাথাই, সংবাদিক আরমান্দ বেচার ও পল হকেনসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ৫০ জন রাজনীতিবিদ, বিজ্ঞানী, ও পরিবেশবাদীদের নিয়ে এই গ্রহের জীবনযাত্রার সম্পর্কিত সমস্যাবলী তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্ব উষ্ণায়ন, অরণ্যবিনাশ, হলোসিন নির্গমন, ও সামুদ্রিক প্রাণীর বিলুপ্তির ফলে মানবকূলের ভবিষ্যৎ শঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি এই সমস্যা সমাধানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে।

উক্তি[সম্পাদনা]

বিশ্ব উষ্ণায়নই একমাত্র পরিবেশগত সমস্যা নয় আমরা এসময়ে যার সম্মুখীন হচ্ছি, কিন্তু মানবসম্প্রদায়ের সামনে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ... আমাদের গ্রহের পরিবেশের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আমাদের প্রত্যেককে আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে বিশ্ব উষ্ণায়ন ও অন্যান্য সমস্যা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

— লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও, [৩]

সাক্ষাৎকার প্রদানকারী[সম্পাদনা]

  1. কেনি অসুবেল
  2. থম হার্টম্যান
  3. ওয়ানগারি মাথাই
  4. সান্দ্রা পোস্টেল
  5. পল স্ট্যামেটস
  6. ডেভিড ডব্লিউ অর
  7. স্টিফেন হকিং
  8. ওরেন লিয়নস
  9. আন্ড্রু সি রেভকিন
  10. সিলভিয়া আর্ল
  11. পল হকেন
  12. জেনিন বেনিয়াস
  13. স্টুয়ার্ট পিম
  14. পাওলো সোলারি
  15. ডেভিড সুজুকি
  16. জেমস হিলম্যান
  17. জেমস পার্কস মর্টন
  18. নাথান গার্ডেলস
  19. ওয়েস জ্যাকসন
  20. জোসেফ টেইন্টার
  21. রিচার্ড হেইনবার্গ
  22. জেমস ওলসি
  23. বিজয় বাইথিস্বরণ
  24. ব্রোক ডলম্যান
  25. স্টিফেন স্নেইডার
  26. বিল ম্যাককিবেন
  27. পিটার ডি মেনোকাল
  28. শেইলা ওয়াট-ক্লটিয়ার
  29. রয় এন্ডারসন
  30. টিম কারমাইকেল
  31. ওমর ফ্রেইলা
  32. ওয়ালেস জে নিকলস
  33. ডায়ান উইলসন
  34. অ্যান্ড্রু ওয়েল
  35. থেও কলবর্ন
  36. জেরেমি জ্যাকসন
  37. জেপোরাহ বারম্যান
  38. গ্লোরিয়া ফ্লোরা
  39. মিখাইল গর্বাচেভ
  40. থমাস লিনজি
  41. মাইকেল গেলোবতার
  42. লিস্টার ব্রাউন
  43. হারম্যান দালি
  44. বেটসি টেইলর
  45. ওয়েড ডেভিস
  46. জেরি ম্যান্ডার
  47. উইলিয়াম ম্যাকডোনাফ
  48. ব্রুস মাউ
  49. জন টড
  50. রিক ফেডরিজ্জি
  51. গ্রেগ ওয়াটসন
  52. লিউ জেরার্ড
  53. ম্যাথিউ পিটারসেন
  54. পিটার ওয়ার্শাল
  55. অ্যান্ডি লিপকিস

সমালোচনা[সম্পাদনা]

২০০৮ সালের মার্চ মাসে ওয়াশিংটন ডিসির ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকে আর্থওয়াচ এনভায়োরনমেন্টাল ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস দ্য ইলেভেন্থ আওয়ার চলচ্চিত্রকে পুরস্কৃত করে।[৪] এছাড়া ২০০৭ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে গোল্ডেন ক্যামেরা বিভাগে, স্যাটেলাইট পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র বিভাগে এবং ২০০৮ সালে গোল্ডেন ট্রেইলার পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পোস্টার বিভাগে মনোনয়ন লাভ করে।[৫]

চলচ্চিত্রটি সমালোচকদের ইতিবাচক সমালোচনা পেয়েছে। রটেন টম্যাটোস-এ এই চলচ্চিত্রের রেটিং স্কোর ৬৮% ,[৬] এবং মেটাক্রিটিক-এ ৬৩% রেটিং পেয়েছে।[৭]

সমালোচক রজার ইবার্ট দ্য ইলেভেন্থ আওয়ারকে ৪-এ ২ রেটিং দিয়েছেন এবং বলেন, "তিনি চলচ্চিত্রের প্রায় প্রত্যেকটি কথার সাথে একমত কিন্তু ৫০ বা তারও অধিক ব্যক্তি শুধু কথা বলে গেছেন এমনকি ডিক্যাপ্রিও একজন টিভি উপস্থাপকের মত কথা বলেছেন যা বিরক্তি ধরিয়েছে।"[৮]

লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস-এর সমালোচক কেভিন ক্রাস্ট চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে ইতিবাচক সমালোচনা করেছেন এবং বলেন, "এতে কেন পরিবেশ বিষয়ক সমস্যাগুলো হচ্ছে তা উল্লেখ করা হয়েছে এবং এর জন্য ক্রমবর্ধমান কর্পোরেট অর্থনীতির পাশাপাশি সরকারে উদাসীনতাকে দোষারোপ করা হয়েছে। পরিচালকেরা ছবির উত্তেজনাকর অংশ সমস্যা সমাধানের জন্য কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে তা শেষের জন্য রেখে দিয়েছেন, যা দর্শকদের শেষ পর্যন্ত ধরে রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা বিদ্যমান প্রযুক্তির মাধ্যমেই এর সমাধান সম্ভব বলে আশা পোষণ করেছেন।"[৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "The 11th Hour"British Board of Film Classification। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১২ 
  2. "The 11th Hour"। Box Office Mojo 
  3. "We all have to... DiCaprio quote"লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  4. "The 11th Hour panel @ National Geographic & Earthwatch Film Awards"Earthwatch Instituteইউটিউব। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  5. "The 11th Hour Movie Awards"ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  6. "The 11th Hour Movie Reviews, Pictures"রটেন টম্যাটোস। Flixster। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  7. "The 11th Hour Reviews, Ratings, Credits"মেটাক্রিটিক। CNET Networks। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  8. "The 11th Hour"Roger Ebert। আগস্ট ২৩, ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  9. "The 11th Hour"লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। Aug. 17, 2007। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]