জে. এডগার
| জে. এডগার | |
|---|---|
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পোস্টার | |
| পরিচালক | ক্লিন্ট ইস্টউড |
| প্রযোজক |
|
| রচয়িতা | ডাস্টিন ল্যান্স ব্ল্যাক |
| শ্রেষ্ঠাংশে | |
| সুরকার | ক্লিন্ট ইস্টউড |
| চিত্রগ্রাহক | টম স্টার্ন |
| সম্পাদক |
|
| প্রযোজনা কোম্পানি |
|
| পরিবেশক | ওয়ার্নার ব্রস. পিকচার্স |
| মুক্তি |
|
| স্থিতিকাল | ১৩৭ মিনিট[১] |
| দেশ | যুক্তরাষ্ট্র |
| ভাষা | ইংরেজি |
| নির্মাণব্যয় | $৩৫ মিলিয়ন[২] |
| আয় | $৮৪.৬ মিলিয়ন[৩] |
জে. এডগার ক্লিন্ট ইস্টউড প্রযোজিত ও পরিচালিত ২০১১ সালের জীবনী নির্ভর মার্কিন চলচ্চিত্র।[৪] ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন ডাস্টিন ল্যান্স ব্ল্যাক। এতে এফবিআই পরিচালক জে. এডগার হুভার পরিচালিত পালমার রেইড থেক শুরু করে তার বাকি কর্মজীবন তুলে ধরা হয়েছে। ছবিটিতে জে. এডগারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। এছাড়া অন্যান্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন আর্মি হ্যামার, নাওমি ওয়াটস, জশ লুকাস, জুডি ডেঞ্চ, এড ওয়েস্টউইক প্রমুখ। জে. এডগারের প্রিমিয়ার হয় ২০১১ সালের ৩ নভেম্বর লস অ্যাঞ্জেলেস-এ এএফআই চলচ্চিত্র উৎসবে। ৯ নভেম্বর ছবিটির সীমিত মুক্তি ও পরে ১১ নভেম্বর সারা যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পায়।[১]
কাহিনি সংক্ষেপ
[সম্পাদনা]জে. এডগার হুভার তার অফিসে এজেন্ট স্মিথকে এফবিআইয়ের শুরুর দিকের গল্প বলতে থাকেন। ১৯১৯ সালে এ. মিচেল পালমার তখন তার বস ছিলেন এবং জঙ্গিরা পালমারকে হত্যা করার জন্য তার বাড়িতে বোমা রেখেছিল কিন্তু সে বাড়ি ফিরার আগেই তা ফাটলে পালমার সেই যাত্রায় বেঁচে যায়। হুভার অপরাধ বিজ্ঞানের প্রয়োগ করে এই ধরনের জঙ্গিবাদ মোকাবেলা করার চিন্তা করে। বোস্টন পুলিশ বিভাগ ধর্মঘট ডাকলে ও জনমনে জঙ্গিবাদের ভীতির সঞ্চার হলে পালমার তাকে এন্টি-র্যা ডিকেল বিভাগের দায়িত্ব দেয়। হুভার কিছু সন্দেহভাজন সংস্কারপন্তীর তালিকা করে।
কয়েকজন সন্দেহভাজন অভিবাসী সংস্কারপন্তীদের উপর নজরদারীর পরও শ্রম বিভাগ কোন প্রকার অপরাধের সত্যতা না দেখেই তাদের খালাস করে দেয়। সন্দেহভাজন সংস্কারপন্তীদের উপর কয়েকটি তল্লাসী চালানোর পর অনেক অভিবাসীকে নির্বাসিত করা হয় এবং পালমার এটর্নি জেনারেল পদে থেকে তার চাকরি হারায়। তার পরবর্তী এটর্নি জেনারেল হারলান এফ. স্টোন হুভারকে নতুন ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-এর পরিচালক করেন।
পরবর্তীতে তিনি ব্যুরোর পরিচালক হিসেবে অপরাধীদের ধরার জন্য এবং অপরাধ ঠেকানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল তদন্তে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ, যেমন আঙ্গুলের ছাপ ও রক্তের গ্রুপ থেকে অপরাধী শনাক্তকরণ।
কুশীলব
[সম্পাদনা]- লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও - জে. এডগার হুভার, ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-এর[৫]
- আর্মি হ্যামার - ক্লেইড টলসন[৬]
- নাওমি ওয়াটস - হেলেন গেন্দি[৭]
- জশ লুকাস - চার্লস লিন্ডবার্ফ[৮]
- জুডি ডেঞ্চ - অ্যানা ম্যারি হুভার, এডগার হুভারের মা[৯]
- ডারমত মুলরোনি - নরম্যান স্বার্জকফ, সিনিয়র
- ড্যামন হেরিম্যান - [[রিচার্ড হাউপ্টাম্যান[১০]
- জেফ্রি ডনোভান - রবার্ট এফ. কেনেডি[১১]
- এড ওয়েস্টউইক - এজেন্ট স্মিথ, এডগারের জীবনীকার[১২]
- জাচ গ্রেইনার - জন কনডন
- কেন হাউয়ার্ড - হারলান এফ. স্টোন[১৩]
- স্টিফেন রুট - আর্থার কোলার[১৪]
- ডেনিস ও'হারে - অ্যালবার্ট এস. অসবর্ন
- জেওফ পিঁয়েরসন - এ মিচেল পালমার
- লিয়া থম্পসন - লেলা রজারস
- গানার রাইট - ডুয়াইট ডি. আইসেনআওয়ার[১৫]
- ক্রিস্টোফার শার - রিচার্ড নিক্সন
- মাইলস ফিশার - এজেন্ট গ্যারিসন
- জেসিকা হেচ - এমা গোল্ডম্যান
- মাইকেল ও'নেইল - কেনেথ ম্যাককেলার, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর
শার্লিজ থিরন'র হেলেন গান্দি চরিত্রের জন্য অভিনয়ের কথা থাকলেও পরে তিনি স্নো হোয়াইট অ্যান্ড দ্য হান্টসম্যান ছবিতে অভিনয়ের জন্য তা ছেড়ে দেন। ইস্টউড থিরনের স্থলে নাওমি ওয়াটসকে নেওয়ার আগে অ্যামি অ্যাডামসকে নির্বাচন করেছিলেন।[১২]
মূল্যায়ন
[সম্পাদনা]বক্স অফিস
[সম্পাদনা]জে. এডগার ২০১১ সালের ৯ নভেম্বর সীমিত পরিসরে ৭টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় এবং $৫২,৬৪৫ আয় করে।[১৬] ১১ ডিসেম্বর সারা যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি দেওয়ার পর প্রথম সপ্তাহে $১১,২১৭,৩২৪ আয় করে।[১৭] লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস-এর ধারণা করেছিল প্রথম সপ্তাহে ছবিটি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় প্রায় $১২ মিলিয়ন আয় করবে। জে. এডগার বিশ্বব্যাপী মোট $৮৪.৬ মিলিয়ন আয় করে।[৩] দর্শকদের উপর করা এক জরিপে দেখা যায় ৯৫% এর উপর দর্শক ২৫ বছরোর্ধ্ব এবং ৫০% উপর নারী।[২]
সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া
[সম্পাদনা]জে. এডগার ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুই ধরনের সমালোচনা লাভ করে। অনেক সমালোচক ডিক্যাপ্রিও অভিনয়ের প্রশংসা করলেও বলেছেন ছবিটিতে অসংলগ্নতা রয়েছে। রটেন টম্যাটোস-এ ২২০জন সমালোচকের পর্যালোচনার ভিত্তিতে ছবিটির রেটিং স্কোর ৪৩% এবং গড় রেটিং ৫.৭/১০। ওয়েবসাইটিতে বলা হয়েছে, "লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও আশানুরূপ অভিনয় করেছেন, কিন্তু অন্য বিভাগগুলো: রূপসজ্জা, আলোকসজ্জা, কাহিনি বর্ণনায় হোঁচট খেয়েছে"[১৮] মেটাক্রিটিক-এ ৪২ জন প্রধান সমালোচকদের পর্যালোচনার ভিত্তিতে ছবিটির স্কোর ১০০-এ ৫৯।[১৯]
চলচ্চিত্র সমালোচক রজার ইবার্ট ছবিটিকে ৪-এ ৪.৫ দিয়েছেন এবং ছবিটিকে "মনোমুগ্ধকর" ও "নিপুণ" বলে উল্লেখ করেছেন এবং ডিক্যাপ্রিও অভিনয়ের প্রশংসা করে বলেন "সূক্ষ্ম ও পরিশ্রমী অভিনয়।"[২০] দ্য হলিউড রিপোর্টার-এর টড ম্যাকার্থিও ইতিবাচক সমালোচনা করে বলেছেন, "পরিচালক কিন্ট ইস্টউড ও চিত্রনাট্যকার ডাস্টিন ল্যান্স ব্ল্যাকের সমন্বয় কিছু বিতর্কিত বিষয় থাকা স্বত্ত্বেও ছবিটিকে সঙ্গত করে তুলেছে।"[২১] দ্য নিউ ইয়র্কার-ম্যাগাজিনের ডেভিড ডেনবিও ছবিটি পছন্দ করেছেন এবং বলেছেন সামান্য পরিমাণ ভুল থাকলেও ইস্টউডের পরিচালনার কারণে সেগুলো উৎরে গেছে।[২২]
দ্য ভিলেজ ভয়েস-এর জে. হবারম্যান লিখেছেন, "যদিও একেবারে খুঁতহীন নয়, ইস্টউডের এই জীবনীনির্ভর চলচ্চিত্র লেটারস ফ্রম ইয়ো জিমা ও ফ্ল্যাগস অফ আওয়ার ফাদারস্-এর পর তার অন্যতম সেরা চলচ্চিত্র"[২৩] ভ্যারাইটি ম্যাগাজিনের পিটার ডিব্রুগ ছবিটির মিশ্র সমালোচনা করে লিখেছেন, "যেসব ছবিতে এফবিআইয়ের কোন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখানো হয়েছে, তাতে সে কেন সেই পদের যোগ্য বা তার সংগ্রাম দেখানো হয়েছে, জে. এডগারও তার বেশি কিছু দেখাতে পারে নি"[২৪] নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিন-এর ডেভিড এডেলস্টেইন ছবিটির নেতিবাচক সমালোচনা করে বলেন, "জে. এডগার খাপছাড়া ও বিস্তৃত এবং বাজে সংলাপে ভরপুর।" তবে তিনি ডিক্যাপ্রিওর অভিনয়ের প্রশংসা করে লিখেছেন, "সে যেভাবে হুভারের ভিতরকার সংগ্রামকে প্রকাশ করেছে তা সত্যিই মর্মস্পর্শী।"[২৫]
পুরস্কার
[সম্পাদনা]| পুরস্কারের তারিখ | পুরস্কার | বিভাগ | পুরস্কার গ্রহীতা/মনোনীত | ফলাফল |
|---|---|---|---|---|
| ১ ডিসেম্বর, ২০১১ | ন্যাশনাল বোর্ড অফ রিভিউ পুরস্কার[২৬] | সেরা দশ চলচ্চিত্র | জে. এডগার | বিজয়ী |
| ১১ ডিসেম্বর, ২০১১ | আমেরিকান ফিল্ম ইন্সটিটিউট পুরস্কার[২৭] | সেরা দশ চলচ্চিত্র | বিজয়ী | |
| ১৮ ডিসেম্বর, ২০১১ | স্যাটেলাইট পুরস্কার[২৮] | শ্রেষ্ঠ অভিনেতা – চলচ্চিত্র | লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও | মনোনীত |
| ১২ জানুয়ারি, ২০১২ | ক্রিটিকস চয়েস পুরস্কার[২৯] | শ্রেষ্ঠ অভিনেতা | মনোনীত | |
| ১৫ জানুয়ারি, ২০১২ | গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার[৩০] | শ্রেষ্ঠ অভিনেতা – নাট্য চলচ্চিত্র | মনোনীত | |
| ২৭ জানুয়ারি, ২০১২ | এএসিটিএ আন্তর্জাতিক পুরস্কার[৩১] | শ্রেষ্ঠ অভিনেতা - আন্তর্জাতিক | মনোনীত | |
| ২৯ জানুয়ারি, ২০১২ | স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার[৩২] | শ্রেষ্ঠ প্রধান চরিত্রে অভিনেতা | মনোনীত | |
| শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতা | আর্মি হ্যামার | মনোনীত |
ঐতিহাসিক সত্যতা
[সম্পাদনা]অল থিংস কনসিডারডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হুভারের জীবনীকার ইয়েল ইউনিভার্সিটির ইতিহাসের প্রফেসর বেভারলি গেইজ বলেন চলচ্চিত্রটি হুভারের এফবিআইতে যোগদান, সংস্কারক হিসেবে একে নতুন ও পেশাদারী করে গড়ে তোলা, তদন্তে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ, যেমন আঙ্গুলের ছাপ ও রক্তের গ্রুপ থেকে অপরাধী শনাক্তকরণকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করেছে। হুভারের গলার স্বরের তাল ঠিক রাখার জন্য তিনি ডিক্যাপ্রিওর প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন হুভারের জীবনী বর্ণনার জন্য ছবিতে ব্যবহৃত ডিভাইসটি কাল্পনিক, কারণ তিনি আসলে তার কর্মজীবনে এমন সময়ই পান নি।[৩৩] The historian Aaron J. Stockham of the ওয়াটারফোর্ড স্কুল-এর ইতিহাসবেত্তা অ্যারন জে. স্টকহাম জর্জ ম্যাসন ইউনিভার্সিটির হিস্ট্রি নিউজ নেটওয়ার্ক-এ লেখেন, "জে. এডগার ছবিতে হুভারকে আইন প্রণয়ন ও তদন্তে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সফল প্রয়োগকারী হিসেবে দেখিয়েছে। এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই যে হুভার এফবিআইয়ের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রনয়নে সুখ্যাতি অর্জন করেছেন।"[৩৪] স্টকহাম ধারণা করেন সম্ভবত হুভার মার্টিন লুথার কিংয়ের কাছে আত্মহত্যার চিঠি প্রেরণ করেন নি।[৩৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "J. Edgar (15)"। ব্রিটিশ বোর্ড অফ ফিল্ম ক্ল্যাসিফিকেশন। ১৬ নভেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- 1 2 Kaufman, Amy (১০ নভেম্বর ২০১১)। "Movie Projector: 'Immortals' poised to conquer box office"। Los Angeles Times। Tribune Company। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- 1 2 "J. Edgar (2011)"। বক্স অফিস মোজো। ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Ford, Alan (১৫ মার্চ ২০১০)। "Clint Eastwood to Direct J. Edgar Hoover Biopic"। FilmoFilia.com। ৪ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Rosenberg, Adam (১৮ জুন ২০১০)। "Leonardo DiCaprio To Star In J. Edgar Hoover Biopic"। এমটিভি.কম। ১৬ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Stiernberg, Bonnie (১৩ ডিসেম্বর ২০১০)। "Armie Hammer Joins Clint Eastwood's J. Edgar Hoover Movie"। PasteMagazine.com। ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Fleming, Mike (২৫ জানুয়ারি ২০১১)। "Naomi Watts Joins 'J. Edgar' Cast"। ডেডলাইন.কম। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "Josh Lucas Lands Lindbergh in 'J. Edgar'"। ডেডলাইন.কম। ১৮ জানুয়ারি ২০১১। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "Armie Hammer Offers Details on Clint Eastwood's J. EDGAR"। কলিডার.কম। ৭ জানুয়ারি ২০১১। ১০ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Rich, Katey (২৩ ডিসেম্বর ২০১০)। "Damon Herriman Playing Lindbergh Baby Kidnapper In J. Edgar"। সিনেমা ব্লেন্ড। ৬ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Fleming, Mike (৮ মার্চ ২০১১)। "Jeffrey Donovan Playing RFK in 'J. Edgar'"। ডেডলাইন.কম। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- 1 2 Schwartz, Terri (১১ জানুয়ারি ২০১১)। "Ed Westwick In, Charlize Theron Out Of Clint Eastwood's 'J. Edgar'"। এমটিভি.কম। ১২ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Kit, Borys (২৪ জানুয়ারি ২০১১)। "Actors union boss cast in Eastwood's FBI movie"। Reuters। ১ জুলাই ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Rich, Katey (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "Stephen Root Will Play A Wood Expert in Clint Eastwood's J. Edgar"। Cinema Blend। ১২ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "An Interview With Gunner Wright"। The Gaming Liberty। ২৩ এপ্রিল ২০১১। ২৫ এপ্রিল ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "Daily Box Office Results for November 9, 2011"। বক্স অফিস মোজো। ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "Weekend Box Office Results for November 11–13, 2011"। বক্স অফিস মোজো। ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "J. Edgar (2011)"। রটেন টম্যাটোস। Flixster। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "J. Edgar Reviews"। মেটাক্রিটিক। CBS Interactive। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ রজার ইবার্ট (৮ নভেম্বর ২০১১)। "J. Edgar"। শিকাগো সান-টাইমস। ৫ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ McCarthy, Todd (৩ নভেম্বর ২০১১)। "J. Edgar: Film Review"। The Hollywood Reporter। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Denby, David (১৪ নভেম্বর ২০১১)। "The Man in Charge"। The New Yorker। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Hoberman, J. (৯ নভেম্বর ২০১১)। "Great Man Theories: Clint Eastwood on J. Edgar"। দ্য ভিলেজ ভয়েস। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Debruge, Peter (৪ নভেম্বর ২০১১)। "J. Edgar - Film Review"। ভ্যারাইটি। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Edelstein, David (৬ নভেম্বর ২০১১)। "First Word Problems"। নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিন। ১০ জুন ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ {{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://wearemoviegeeks.com/2011/12/national-board-of-review-announces-2011-awards-hugo-takes-top-prize |title=National Board of Review Announces 2011 Awards; HUGO Takes Top Prize|work=WeAreMovieGeeks.com. Retrieved 2011-12-06.
- ↑ "'Bridesmaids,' 'Tree of Life,' 'Hugo' in AFI's top 10 films of 2011"। LATimes.com। ১১ ডিসেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "From WAR HORSE to THE MYSTERIES OF LISBON: Satellite Award Nominations 2011 Alt"। Film Guide। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "2012 Critics' Choice Movie Awards Noms: Hugo And The Artist Dominate The Field"। TheFabLife.com। ১৩ ডিসেম্বর ২০১১। ১৯ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "69th Annual Golden Globe Awards — Full List Of Nominees"। HollywoodLife.com। ২৮ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "AACTA - Winners and Nominees - 2011"। Australian Academy of Cinema and Television Arts (AACTA)। ১১ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ O'Connell, Sean (১৪ ডিসেম্বর ২০১১)। "Screen Actors Guild nominations revealed"। HollywoodNews.com। ২৯ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "Fact-Checking Clint Eastwood's 'J. Edgar' Biopic"। All Things Considered। ৮ ডিসেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- 1 2 Stockham, Aaron J. (১২ ডিসেম্বর ২০১১)। ""J. Edgar" Fails to Deliver the Historical Goods"। History News Network। ৮ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- দাপ্তরিক ওয়েবসাইট{{অকার্যকর{{অকার্যকর{{অকার্যকর{{অকার্যকর[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] সংযোগ|তারিখ=মে ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }} সংযোগ|তারিখ=মে ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }} সংযোগ|তারিখ=এপ্রিল ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }} সংযোগ|তারিখ=এপ্রিল ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}
- ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে জে. এডগার (ইংরেজি)
- অলমুভিতে জে. এডগার (ইংরেজি)
- বক্স অফিস মোজোতে জে. এডগার (ইংরেজি)
- রটেন টম্যাটোসে জে. এডগার
- মেটাক্রিটিকে জে. এডগার (ইংরেজি)
- ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র
- ২০১১-এর চলচ্চিত্র
- ২০১০-এর দশকের নাট্য চলচ্চিত্র
- ২০১০-এর দশকের জীবনী চলচ্চিত্র
- মার্কিন চলচ্চিত্র
- মার্কিন নাট্য চলচ্চিত্র
- মার্কিন জীবনীমূলক নাট্য চলচ্চিত্র
- মার্কিন এলজিবিটিকিউ সম্পর্কিত চলচ্চিত্র
- সত্য ঘটনা অবলম্বনে চলচ্চিত্র
- কল্পকাহিনিতে এফবিআই
- সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কিত চলচ্চিত্র
- ক্লিন্ট ইস্টউড পরিচালিত চলচ্চিত্র
- ক্লিন্ট ইস্টউড প্রযোজিত চলচ্চিত্র
- ডাস্টিন ল্যান্স ব্ল্যাকের চিত্রনাট্য
- ওয়ার্নার ব্রসের চলচ্চিত্র
- ব্রায়ান গ্রেজার প্রযোজিত চলচ্চিত্র
- মালপাসো এন্টারটেইনমেন্টের চলচ্চিত্র
- ইমাজিন এন্টারটেইনমেন্টের চলচ্চিত্র
- লস অ্যাঞ্জেলেসে ধারণকৃত চলচ্চিত্র
- ভার্জিনিয়ায় ধারণকৃত চলচ্চিত্র
- ১৯১০-এর দশকের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- ১৯২০-এর দশকের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- ১৯৩০-এর দশকের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- ১৯৪০-এর দশকের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- ১৯৫০-এর দশকের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- ১৯৬০-এর দশকের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- ১৯৭০-এর দশকের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- সত্য ঘটনা অবলম্বনে নাট্য চলচ্চিত্র
- ওয়াশিংটন, ডি.সি.র পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- সমকামী পুরুষ সম্পর্কিত চলচ্চিত্র
- ২০১০-এর দশকের ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র
- ২০১০-এর দশকের মার্কিন চলচ্চিত্র
- ইংরেজি ভাষার জীবনীমূলক নাট্য চলচ্চিত্র
- ২০১১-এর মার্কিন চলচ্চিত্র
- ২০১১-এর ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র
- যৌন নিপীড়ন সম্পর্কে চলচ্চিত্র