জেমা আর্টাট্রন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জেমা আর্ট্রাটন
Gemma Arterton Toronto 2014.jpg
২০১৪ এ জেমা আর্ট্রাটন
জন্ম (1986-02-02) ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৬ (বয়স ৩৩)
পেশাঅভিনেত্রী
কার্যকাল২০০৭–বর্তমান
পরিবারহান্নাহ আর্ট্রাটন (বোন)

জেমা ক্রিস্টিনা আর্ট্রাটন[১] (born 2 February 1986)[২] একজন ব্রিটিশ অভিনেত্রী। আর্ট্রাটন হাস্য চলচ্চিত্র সেন্ট ট্রিনিয়ান্স এ অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রের জগতে প্রবেশ করেন। জেমস বন্ড (চলচ্চিত্র) চলচ্চিত্র সিরিজের "কোয়ান্টাম অফ সোলেজ"(২০০৮) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ব্যপক সাফল্য ও প্রশংসা অর্জন করেন। যেটা কিনা তাকে এ্যাম্পায়ার এ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট নিউকামার এনে দিয়েছিল। তিনি আরো পরিচিত ক্লাস অফ দ্যা টাইটানস(২০১০) , প্রিন্স অফ পার্সিয়া: দ্যা স্যান্ডস অফ টাইম (২০১০), বাইজানন্টাম (চলচ্চিত্র) (২০১৩) এবং হান্সেল অ্যান্ড গ্রেটেল: উইচ্ হান্টার্স (২০১৩)এ গ্রেটল চরিত্রের কারনে।

শুরুর জীবন[সম্পাদনা]

আর্ট্রাটন জন্মগ্রহন করেন কেন্ট হাসপাতালে।[৩] তারঁ মা শেলী এ্যনি (née Heap), একজন পরিষ্কারকারী এবং বাবা ব্যারি আর্ট্রাটন একজন খোদাইকারী[৩][৪][৫]

তিনি গ্রাভেসেন্ড গ্রামার স্কুল এ ভর্তি হন। সেখানের একটি স্থানীয় নাটকে অভিনয় করে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেন।[৬]

১৬ বছর বয়সে, আর্ট্রাটন নর্থ ওয়েস্ট কেন্ট কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে সরকারি ভাবে রয়্যাল একাডেমি অফ ড্রামাটিক আর্ট (RADA) এ যোগদানের সুযোগ পান। [৬] ২০০৮-এ RADA থেকে ডিগ্রী লাভ করেন।[৭][৮]

ব্যাক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

৫ জুন ২০১০-এ আর্ট্রাটন বিয়ে করেন Iইতালিয়ান স্টিফানো কাটেলিকে, তিনি স্পেনের একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে ফ্যাশন ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন।[৯][১০] ২০১৩ এর শুরতে তারা পৃথক হয়ে যান।[১১][১১][১২][১৩] ২০১৬ এর শুরুতে তিনি নতুন করে ফ্রেন্স চলচ্চিত্র প্রযোজক ফ্রাঙ্কলিন ওহেনসেনিন এর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান.[১৪]

মস্কো তে আর্টাট্রন

চলচ্চিত্র জীবন[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন
বছর শিরোনাম চরিত্র ব্যাখ্যা
২০০৭ সেন্ট ট্রিনিয়ান্স(২০০৭) কেলি জোনস
২০০৭ ক্যাপচারিং মেরি লিজা টেলিভিশন চলচ্চিত্র
২০০৮ লস্ট ইন আস্টেন এলিজাবেথ ব্যানেট টিভি সিরিজ (২ পর্ব)
২০০৮ টেস ডার্বিফিল্ড টেস ডার্বিফিল্ড টিভি সিরিজ (৪ পর্ব)
২০০৮ থ্রি এন্ড আউট ফ্যাঙ্কি কেসেডি
২০০৮ রক এন্ড রোলা জুন
২০০৮ কোয়ান্টাম অফ সোলস স্ট্রবেরী ফিল্ড
২০০৯ দি বোট দ্যাট রকর্ড ডিজাইরি
২০০৯ সেন্ট ট্রিনিয়ান্স :দ্যা লিজেন্ড অফ গোল্ড কেলী জোনস
২০১০ ক্লাস অফ দ্যা টাইটানস(২০১০) লো
২০১০ দি ডিজএ্যাপারেন্স অফ ক্রিড এ্যালাইস ক্রিড
২০১০ প্রিন্স অফ পার্সিয়া: দা স্যান্ডস অফ টাইম প্রিন্সেস তামিনা
২০১০ তামারা ড্রিই (চলচ্চিত্র ) তামারা ড্রিই
২০১১ দ্যা সিক্রেট প্যাসেজ শেলী
২০১২ "সং ফর ম্যারিয়ন" এলিজাবেথ
২০১২ বাইজান্টাইম ক্লারা
২০১৩ হান্সেল অ্যান্ড গ্রেটেল: উইচ্ হান্টার্স গ্রেটল
২০১৩ রানার রানার (চলচ্চিত্র) রেবেকা সাফরান
২০১৪ ইনসাইড নম্বর ৯ গিরি টেলিভিশন সিরিজ (এপিসোড "টম ও গিরী")
২০১৪ জেমা ববেরী(চলচ্চিত্র) জেমা ববেরী
২০১৫ দ্যা ভয়েস ফিয়োনা
২০১৬ সি হু ব্রিং গিফটস হেলেন
২০১৬ সাম মাদারর্স ডু'এভ'এম জোসিকা স্পেনসার
২০১৬ দেয়ার ফাইন্যাস্ট আওয়ার এন্ড হাফ চলছে
২০১৬ দ্যা হ্রিস্ট্রি অফ লাভ
২০১৬ ওরফেলিন
২০১৭ ওয়াটারশিপ ডাউন ক্লভার মিনিসিরিজ

পুরস্কার ও মনোনয়ন[সম্পাদনা]

বছর পুরষ্কার মনোনয়ন কাজ ফলাফল
২০০৮ এ্যাম্পায়ার এ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট নিউ কামারস সেন্ট ট্রিনিটি মনোনীত
২০০৮ ন্যশনাল মুভি এ্যওয়ার্ড ফর মুভি এক্ট্রেস সেন্ট ট্রিনিটি"
২০০৯ "এ্রাম্পায়ার এ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট নিউ কামারস" কোয়ান্টাম অভ সোলস বিজয়ী
২০১০ ২০১০ টিন চয়েজ এ্যওয়ার্ড ফর চয়েজ বব্রেকআউট ফিমেইল ক্লাস অফ টাইটানস মনোনীত
২০১০ ২০১০ স্ক্রিম এ্যওয়ার্ড ফর বেস্ট ব্রেকআউট পারফরম্যান্স ফিমেল প্রিন্স অফ পার্সিয়া :স্যন্ডস অফ টাইম
২০১০ Teen Choice Award for Choice Fantasy Actress Prince of Persia: The Sands of Time and Clash of the Titans
2011 BAFTA Rising Star Award Herself
2011 Glamour Award for Woman of the Year – Film Actress Herself বিজয়ী
2014 Whatsonstage.com Awards for Best Actress In A Musical Made in Dagenham (musical) মনোনীত
2015 Laurence Olivier Award for Best Actress in a Musical Made in Dagenham (musical)
2016 Laurence Olivier Award for Best Actress Nell Gwynn (play)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Film Review। Orpheus Pub.। ২০০৮। 
  2. Staff (২৯ জানুয়ারি ২০১৩)। "Interview: 'Hansel & Gretel: Witch Hunters' Cast at the Sydney Premiere"The Young Folks। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০১৩"...everyone thinks [my birthday is] in January, but it's not. 
  3. Mottram, James (২৯ মার্চ ২০১০)। "Gemma Arterton: from a council estate to Clash of the Titans"The Herald। সংগ্রহের তারিখ ১৩ অক্টোবর ২০১০ 
  4. "How St Trinian's Gemma makes easy work of a Shakespearean comedy"Daily Mail। London, UK। ৮ জুন ২০০৭। ১৪ এপ্রিল ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০১৬ 
  5. "When GQ met Gemma Arterton"GQ। ৩১ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০১৫ 
  6. Fletcher, Damien (৯ মে ২০০৮)। "Exclusive: Bond Girl Gemma Arterton shops at Primark and mum's a cleaner"Daily Mirror। London, UK। ১০ জুন ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১০ 
  7. "Gemma Arterton Nominated for 2011 BAFTA Rising Star Award"Royal Academy of Dramatic Art। ২০১১। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৩ 
  8. Jones, Alice (১৫ জুলাই ২০১১)। "Artertons are the new Minogues"। The Independent 
    - "Atlantis, The Earth Bull"। BBC। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  9. Nathan, Sara (৯ জুন ২০১০)। "Gemma Arterton enters the Bond of marriage as she weds Italian she pencilled in her diary as 'future husband'"Daily Mail। London। ১০ জুন ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০১৬ 
  10. Cochrane, Kira (৯ সেপ্টেম্বর ২০১০)। "Tamara Drewe and the rise of Gemma Arterton"The Guardian। London, UK। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৬ 
  11. "Gemma Arterton 'Break-Ups Are Part of Life'"Female First। ১৩ মে ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০১৬ 
  12. "Gemma Arterton's divorce from Italian husband Stefano Catelli granted three years after couple split"The Daily Mirror। ২১ আগস্ট ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০১৫ 
  13. Bryant, Tom (২ মে ২০১৩)। "Gemma Arterton doubts she will ever find her soul mate after marriage split"The Daily Mirror। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৬ 
  14. "Gemma Arterton: I'Ve Always Felt Too Old for My Body", Female First, 8 February 2016

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]