জেরেমি রেনার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
জেরেমি রেনার
Jeremy Renner SDCC 2014.jpg
সান ডিয়াগো কমিক-কন ইন্টারন্যাশনাল ২০১৪ এর অনুষ্ঠানে রেনার
জন্ম জেরেমি লি রেনার
(১৯৭১-০১-০৭) ৭ জানুয়ারি ১৯৭১ (বয়স ৪৬)
মডেস্টো, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
পেশা অভিনেতা, গায়ক
কার্যকাল ১৯৯৫-বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গী সোনি প্যাচেকো (বি. ২০১৪; তা. ২০১৫)
সন্তান ১ জন

জেরেমি লি রেনার (জন্ম: ৭ জানুয়ারি, ১৯৭১)[১][২][৩] একজন মার্কিন অভিনেতা ও গায়ক। ২০০০ দশকের বেশিরভাগ সময় জুড়ে তিনি বেশ কয়েকটি স্বাধীন চলচ্চিত্র যেমন ডাহমার (২০০২) ও নিও নেড (২০০৫) এ অভিনয় করেন। তিনি বেশ কিছু বিগ বাজেটের চলচ্চিত্রে পার্শ্ব চরিত্রেও অভিনয় করেন। তার মধ্যে এস.ডব্লিউ.এ.টি (২০০৩) ও ২৮ উইকস লেটার (২০০৭) অন্যতম। পরবর্তীতে তিনি দ্য টাউন (২০১০) চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেন যা তাকে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন এনে দেয়।

রেনার হার্ট লকার (২০০৮) চলচ্চিত্র যাতে অভিনয় করে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতার বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন পান, মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের চলচ্চিত্র থর (২০১১), দ্য অ্যাভেঞ্জার্স (২০১২), অ্যাভেঞ্জার্স: এজ অব আলট্রন (২০১৫) ও ক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার (২০১৬) তে হকআই এর চরিত্রে অভিনয় করে বেশ পরিচিতি পান। এছাড়া তিনি মিশন: ইম্পসিবল - গোস্ট প্রোটোকল (২০১১), দ্য বর্ন লিগ্যাসি (২০১২), হান্সেল অ্যান্ড গ্রেটেল: উইচ্ হান্টার্স (২০১৩), আমেরিকান হাসল (২০১৩), মিশন: ইম্পসিবল - রোগ নেশন (২০১৫), অ্যারাইভাল (২০১৬) চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন যেগুলো বেশ ব্যবসা সফল হয়।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

রেনারের জন্ম ক্যালিফোর্নিয়ার মডেস্টোতে। তার মায়ের নাম ভ্যালেরি সার্লি এবং বাবা লি রেনার। তার বাবা ১৯৮০ এর দশকে "ম্যাকহেনরি বল" নামে মডেস্টোতে একটি বোলিং অ্যালি চালাতেন।[৪][৫][৬] তার পিতা-মাতা খুব অল্প বয়সেই বিয়ে করেন। তার দশ বছর বয়সের সময়ে তারা তালাক নিয়ে নেন।[৭][৮][৯] সাত ভাই বোনের মধ্যে রেনার সবচেয়ে বড়।[১০] তার পূ্র্ব পুরুষেরা জার্মান, ইংরেজ, স্কটিশ, সুইডীয়, আইরিশ, পানামানীয় ছিলেন।[১১][১২]

রেনার মডেস্টোর ফ্রেড সি. বেয়ার হাই স্কুল থেকে ১৯৮৯ সালে পড়ালেখা শেষ করেন।[৫] পরবর্তীতে তিনি মডেস্টো জুনিয়র কলেজে ভর্তি হয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও অপরাধতত্ত্ব নিয়ে পড়াশোনা করেন। এখানে নাটকের ক্লাস করতে গিয়ে তিনি অভিনয়কেই পেশা হিসাবে নির্ধারণ করেন।[৫][১৩]

চলচ্চিত্রের তালিকা[সম্পাদনা]

সাল চলচ্চিত্রের নাম ভূমিকা টুকিটাকি
১৯৯৫ ন্যাশনাল ল্যাম্পুন'স সিনিয়র ট্রিপ ডাগস
১৯৯৬ পেপার ড্রাগনস চলচ্চিত্রে নাম দেখানো হয় নি
২০০১ ফিস ইন এ ব্যারেল রেমি
২০০২ ডাহমার জেফ্রি ডাহমার
২০০২ মাংকি লাভ ডিল
২০০৩ এস.ডব্লিউ.এ.টি ব্রায়ান গ্যাম্বল
২০০৪ দ্য হার্ট ইজ ডিসিটফুল অ্যাবাভ অল থিংস এমারসন
২০০৫ এ লিটল ট্রিপ টু হ্যাভেন ফ্রেড
২০০৫ নর্থ কান্ট্রি ববি শার্প
২০০৫ ১২ অ্যান্ড হোল্ডিং গাস মেইটল্যান্ড
২০০৫ নিও নেড নেড
২০০৫ লর্ডস অব ডগটাউন জে অ্যাডামস ম্যানেজার চলচ্চিত্রে নাম দেখানো হয় নি
২০০৬ লাভ কামস টু দ্য এক্সিকিউশনার চিক প্রিগুসিভাক
২০০৭ দ্য অ্যাসাসিনেশন অব জেসি জেমস বাই দ্য কাওয়ার্ড রবার্ট ফোর্ড উড হাইট
২০০৭ ২৮ উইকস লেটার সার্জেন্ট ডয়েল
২০০৭ টেক সল
২০০৮ দ্য হার্ট লকার সার্জেন্ট ফার্স্ট ক্লাস উইলিয়াম জেমস
২০০৯ ইনজেনিয়াস স্যাম চলচ্চিত্রটি "লাইটবাল্ব" নামেও পরিচিত
২০১০ দ্য টাউন জেমস "জেম" কফলিন
২০১১ থর হকআই বিশেষ উপস্থিতি
২০১১ মিশন: ইম্পসিবল - গোস্ট প্রোটোকল উইলিয়াম ব্রান্ড
২০১২ দ্য অ্যাভেঞ্জার্স ক্লিন্ট বার্টন/ হকআই
২০১২ দ্য বর্ন লিগ্যাসি অ্যারন ক্রস / কেনেথ জে. কিটসম
২০১৩ হান্সেল অ্যান্ড গ্রেটেল: উইচ্ হান্টার্স হান্সেল
২০১৩ দ্য ইমিগ্র্যান্ট জাদুকর অরল্যান্ডো
২০১৩ আমেরিকান হাসল কারমাইল পোলিটো
২০১৪ কিল দ্য মেসেঞ্জার গ্যারি ওয়েব প্রযোজকও ছিলেন
২০১৫ অ্যাভেঞ্জার্স: এজ অব আলট্রন ক্লিন্ট বার্টন/ হকআই
২০১৫ মিশন: ইম্পসিবল - রোগ নেশন উইলিয়াম ব্রান্ড
২০১৬ ক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার ক্লিন্ট বার্টন/ হকআই
২০১৬ অ্যারাইভাল ইয়ান ডনেলি
২০১৭ উইন্ড রিভার কোরি ল্যাম্বার্ট
২০১৭ দ্য হাউস
২০১৮ আর্কটিক জাস্টিস: থান্ডার স্কোয়াড সুইফটি (কণ্ঠ) ধারণ কার্য চলছে
২০১৮ অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার ক্লিন্ট বার্টন/ হকআই ধারণ কার্য চলছে

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Renner drives into action"Dudley News। ডিসেম্বর ৩১, ২০১১। সংগৃহীত এপ্রিল ১৬, ২০১৩ 
  2. "Today in History - Jan. 7"U-T San Diego। জানুয়ারি ৭, ২০১১। সংগৃহীত এপ্রিল ১৬, ২০১৩ 
  3. According to the State of California. California Birth Index, 1905-1995. Center for Health Statistics, California Department of Health Services, Sacramento, California. Searchable at [১]
  4. Walden, Celia (১১ ডিসেম্বর ২০১১)। "Jeremy Renner on Mission Impossible 4"The Daily Telegraph (London)। 
  5. Rowlandmrowland, Marijke (৭ মার্চ ২০১০)। "Renner has taken a long, slow road to fame – Jeremy Renner"Modesto Bee। সংগৃহীত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  6. Lippolis, Raffaella (১৭ জুন ২০১২)। "Jeremy Renner, l'antiero dagli occhi di ghiaccio"Cinefilos (Italian ভাষায়)। আসল থেকে আগস্ট ২৪, ২০১২-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৬ এপ্রিল ২০১৩ 
  7. Pardee, Thomas; John Holland (৫ জানুয়ারি ২০০৮)। "Actor Jeremy Renner escapes injury as huge tree topples"The Modesto Beeআসল থেকে এপ্রিল ১৮, ২০০৮-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ 
  8. "Jeremy Renner Finally Gets Some Action"Details। সংগৃহীত ১১ ডিসেম্বর ২০১১ 
  9. Braun, Liz। "Renner tackling bigger missions | Movies | Entertainment"Toronto Sun। সংগৃহীত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  10. "Jeremy Renner on His Daughter"। সংগৃহীত এপ্রিল ২০, ২০১৫ 
  11. "'Hurt Locker' Star Jeremy Renner on Ditching His Mom, Dancing With Madonna (VIDEO)"AOL TV। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০। আসল থেকে ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১২-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  12. Galloway, Stephen (৪ এপ্রিল ২০১২)। "Jeremy Renner's Shot at Playing Hero"The Hollywood Reporter। সংগৃহীত ১৬ এপ্রিল ২০১৩ 
  13. Staff writers (২ ফেব্রুয়ারি ২০১০)। "Oscar Nominee Renner: 'It's Awesome. Really Awesome': Modesto actor nominated for best actor in 'The Hurt Locker'"The Modesto Bee। সংগৃহীত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]