জি জি পোন্নামবালাম
মাননীয় জি জি পোন্নামবালাম সংসদ সদস্য, আইনসভার সদস্য, রাজ্যসভা সদস্য | |
|---|---|
ஜி. ஜி. பொன்னம்பலம் | |
| শিল্প, শিল্প গবেষণা এবং মৎস্যসম্পদ মন্ত্রী | |
| কাজের মেয়াদ ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮ – ২২ অক্টোবর ১৯৫৩ | |
| পূর্বসূরী | সি সিত্তাম বালাম |
| উত্তরসূরী | কান্দিয়া ভাইদিয়ানাদান |
| স্টেট কাউন্সিল অব সিলনের সদস্য পয়েন্ট পেড্রো | |
| কাজের মেয়াদ ১৯৩৪ – ১৯৪৭ | |
| জাফনা নির্বাচনী এলাকা আসনের সীলনিজ সংসদ সদস্য | |
| কাজের মেয়াদ ১৯৪৭ – ১৯৬০ | |
| উত্তরসূরী | আলফ্রেড দুরাইআপ্পা |
| কাজের মেয়াদ ১৯৬৫ – ১৯৭০ | |
| পূর্বসূরী | আলফ্রেড দুরাইআপ্পা |
| উত্তরসূরী | সি এক্স মার্টিন |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ৮ ডিসেম্বর ১৯০১ |
| মৃত্যু | ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৭ (বয়স ৭৫) |
| রাজনৈতিক দল | অল সীলন তামিল কংগ্রেস |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | ফিটসউইলিয়াম কলেজ, ক্যামব্রিজ |
| জীবিকা | আইনজীবী |
| ধর্ম | হিন্দু |
| সম্প্রদায় | তামিল |
গণপতিপিল্লাই গঙ্গসের পোন্নামবালাম (৮ নভেম্বর ১৯০১ - ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৭) ছিলেন একজন শ্রীলঙ্কান রাজনীতিবিদ, আইনজীবী এবং মন্ত্রী। তিনি 'অল সীলন তামিল কংগ্রেস' নামের একটি রাজনৈতিক দল গড়ে তোলেন শ্রীলঙ্কার প্রথম রাজনৈতিক দল তামিল জাতিদের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে।
পূর্ব জীবন এবং পরিবার
[সম্পাদনা]১৯০১ সালের ৮ নভেম্বর পোন্নাম্বালামের জন্ম হয়।[১][২][৩][৪] তার পিতা গঙ্গসের একজন পোস্টমাস্টার ছিলেন।[৪] তিনি সেন্ট প্যাট্রিক্স কলেজ জাফনা এবং সেন্ট জোসেফ'স কলেজ কলম্বোতে পড়েন।[৪][৫][৬] সরকারী বৃত্তি নিয়ে পোন্নামবালাম ফিটসউইলিয়াম কলেজ, ক্যাম্ব্রিজে চলে যান এবং প্রকৃতি বিজ্ঞানে ফার্স্ট ক্লাস ডিগ্রি অর্জন করেন।[৪][৭][৮][৯] ক্যামব্রিজ থেকে তিনি এমএ এবং এলএলবিও পাশ করেন।[৫]
পোন্নাম্বালাম রোজ আলাগুমানি ক্লাউ নামের এক নারীকে বিয়ে করেন, তাদের এক মেয়ে এবং এক ছেলে হয়।[৪]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]আইন
[সম্পাদনা]পোন্নামবালাম লন্ডনের লিঙ্কন'স ইন এ ডাক পান।[১০] তিনি ফ্রান্স ভ্রমণ শেষে ১৯২৭ সালে সিলন চলে আসেন এবং এ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করা শুরু করেন।[৪][৭] পোন্নাম্বালাম একজন ভালো যুক্তিবিদ হিসেবে অল্প সময়ের মধ্যে পরিচিতি পেয়ে যান এবং তিনি অপরাধ বিষয়ক আইনজীবী হিসেবে কাজ করা শুরু করে দেন।[৪] ১৯৫৪ সালে তিনি রঞ্জন নামের এক সন্ত্রাসীকে আইনে লড়াইয়ে বাঁচিয়ে দেন।[২][১১] বড় বড় অপরাধীদের পক্ষে কথা বলার জন্য তাকে সিলন থেকে বহিষ্কার করা হলে তিনি সিঙ্গাপুর চলে যান এবং ওখানেও একই ধরনের কাজ করা শুরু করেন।[১২]
রাজনীতি
[সম্পাদনা]পোন্নামবালাম একজন তামিল ছিলেন এবং শ্রীলঙ্কায় তামিলদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি 'অল সিলন তামিল কংগ্রেস' নামের একটি রাজনৈতিক দল বানান ১৯৪৪ সালে।[২][১৩] তিনি ঐ রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[১৩]
শ্রীলঙ্কার স্বাধীনতার পরে পোন্নাম্বালাম পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশ নেন, তার দল অল সিলন তামিল কংগ্রেস পার্লামেন্টে ঢুকতে পারলেও অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়। তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সিংহলী জাতিদের দ্বারা অপমানিত এবং ভারতের দালাল বলে আখ্যায়িত হন।[১৪]
প্রথম প্রধানমন্ত্রী ডি এস সেনানায়ক শ্রীলঙ্কায় বসবাসরত সকল তামিলদেরকে ভারতীয় বলে আখ্যায়িত করে তাদেরকে দেশ থেকে বিতাড়িত করার উদ্যোগ নেন। পোন্নামবালাম আন্দোলনের ডাক দিলে ডি এস সেনানায়ক গোল টেবিল বৈঠকে বসেন এবং পোন্নামবালামকে মন্ত্রীত্ব দেওয়া হবে এবং ১২ শতাংশ তামিলদেরকে শ্রীলঙ্কান (তখন সিলনিজ) ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানান, পোন্নামবালাম রাজি হয়ে যান।[১৫] ১৯৫৩ সালে তিনি মন্ত্রীত্ব থেকে অব্যাহতি পান এবং পরের বছর এক সন্ত্রাসীর পক্ষে আইনি লড়াই চালানোর কারণে জন কোটলাওয়ালা সরকার কর্তৃ্ক লাঞ্ছিত হন, তাকে ১৯৫৬ সালে সিলন ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়, তিনি এরপর সিঙ্গাপুর চলে যান।[২][৫] মাঝখান দিয়ে তিনি কয়েকবার সিলন এসে নির্বাচনে অংশ নিতে আসেন কিন্তু তাকে কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।
মৃত্যু
[সম্পাদনা]সিঙ্গাপুর থেকে ফিরে ১৯৭১ সালে ফিরে এসে পোন্নামবালাম সারা দেশে তামিল জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ডাক দেন এবং গ্রেফতার হন। জেলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ১৯৭৬ সালে ছেড়ে দেওয়া হয়, ১৯৭৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তিনি তার গ্রামে বিনা চিকিৎসায় মারা যান।[৩][১৬]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Directory of Past Members: Ganapathipillai Gangaser Ponnambalam"। Parliament of Sri Lanka।
- 1 2 3 4 Vinayagamoorthy, A. (৮ নভেম্বর ২০০৩)। "103rd Birth Anniversary today : G. G. Ponnambalam – Founder of ACTC"। Daily News।
- 1 2 Ponnambalam, G. G. (২০০১)। G.G. Ponnambalam: The Marathon Crusade for 50-50 (Balanced Representation) in the State Council 1939 (পিডিএফ)। Manimekalai Prasuram। পৃ. xxxvii। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- 1 2 3 4 5 6 7 Arumugam, S. (১৯৯৭)। Dictionary of Biography of the Tamils of Ceylon (পিডিএফ)। পৃ. ১৪১।
- 1 2 3 Rajasingham, K. T.। "Chapter 15: Turbulence in any language"। Sri Lanka: The Untold Story। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০১৭।
- ↑ Dwight, Richard (১২ অক্টোবর ২০১০)। "I come from the land of the Buddha"। Daily News।
- 1 2 Ponnambalam, Kumar (৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৭)। ""Fifty-Fifty" my father's cry"। The Sunday Times।
- ↑ Wilson, A. Jeyaratnam (২০০০)। Sri Lankan Tamil Nationalism: Its Origins and Development in the Nineteenth and Twentieth Centuries। C. Hurst & Co.। পৃ. ৬৬। আইএসবিএন ১-৮৫০৬৫-৫১৯-৭।
- ↑ Dissanayake, T. D. S. A. (২০০৫)। War Or Peace in Sri Lanka। Popular Prakashan। পৃ. ৯। আইএসবিএন ৮১-৭৯৯১-১৯৯-৩।
- ↑ Dissanayake, T. D. S. A. (২০০৫)। War Or Peace in Sri Lanka। Popular Prakashan। পৃ. ২। আইএসবিএন ৮১-৭৯৯১-১৯৯-৩।
- ↑ Sameer, Firoze (২৭ আগস্ট ২০০৬)। "New Books: The other side of the Sathasivam case"। The Sunday Times।
- ↑ Hoole, Ratnajeevan (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "Who Will Speak For Tamils at UNHRC?"। The Sunday Leader। ৭ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০১৭।
- 1 2 Rajasingham, K. T.। "Chapter 10: Lord Soulbury and his soulless report"। Sri Lanka: The Untold Story। ৭ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০১৭।
- ↑ "Result of Parliamentary General Election 1947" (পিডিএফ)। Election Commission of Sri Lanka।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ Gunasekara, S. L. (২২ এপ্রিল ২০০১)। "S. L. Gunasekara takes on A. Vinayagamoorthy M.P."। The Island। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০১৭।
- ↑ Vinayagamoorthy, A. (৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৩)। "Appreciation: G. G. Ponnambalam QC"। The Island। ১২ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০১৭।