ঘেট কচু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

খারকোন
Typhonium trilobatum
Typhonium trilobatum 2.jpg
ঘেট কচুর গাছ
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Plantae
বিভাগ: Tracheophyta
শ্রেণী: Liliopsida
বর্গ: Alismatales
পরিবার: Araceae
গণ: Typhonium
প্রজাতি: Typhonium trilobatum
দ্বিপদী নাম
Typhonium trilobatum
(L.) Schott
প্রতিশব্দ

Typhonium triste

ঘেট কচু বা খারকোন (বৈজ্ঞানিক নাম: Typhonium trilobatum) Araceae পরিবারের একটি উদ্ভিদ প্রজাতি। অন্যান্য স্থানীয় নাম: ঘের কচু, খারকান, খারকন, খানমান ইত্যাদি। রংপুর অঞ্চলে এটি চামঘাস নামেও পরিচিত। আদিবাসি চাকমা সম্প্রদায় খারকন কে খারবাস, খারাকেও, গাড়ো সম্প্রদায় কালমান বলে।

বর্ণনা[সম্পাদনা]

খারকোন শাকের গাছের ডাটা লম্বা হয়। পাতা গাড় সবুজ রং। ডাটার রং কিছুটা খয়েরি। পাতা দেখতে তিন কোনা খাজ কাটা হয়। লাল রং এর ফুল হয়।ফুল দেখতে অনেকটা কলমের মত।

চট্টগ্রাম,পার্বত্য চট্টগ্রাম,টাংগাইল,সিলেট এবং ঢাকায় এই শাক পাওয়া যায়।

প্রধান ব্যবহার[সম্পাদনা]

শাক হিসেবে খায়, ওষুধি অন্যান্য ব্যবহার :প্রধান ব্যবহার: এই শাকের ডাটাসহ পাতা রসুন কালোজিরা,শুকনা মরিচ ভেজে পাটায় বেটে ভর্তা করে খাওয়া হয়। টাংগাইল এলাকায় গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ খুদের ভাতের সাথে এই শাকের ভর্তা খেতে খুব পছন্দ করে।  এছাড়া অনেকে ডাটা ছোট ছোট করে কেটে ভেজে শুঁটকি মাছ দিয়ে রান্না করে খায়।

এই শাকের ডাটাসহ পাতা রসুন, পেঁয়াজ, কালোজিরা, শুকনা মরিচ সরিষার তেলে ভেজে পাটায় বেটে পরিমাণ মতো লবণ মিশিয়ে ভর্তা করে খাওয়া যায়। অনেক এলাকায় খুদের ভাতের সাথে এই শাকের ভর্তা খেতে খুব পছন্দ করে। এছাড়া অনেকে এটির ডাটা ছোট ছোট করে কেটে ভেজে শুঁটকি মাছ দিয়ে রান্না করে খায়। তবে ভাতের সাথে মিশিয়ে খাওয়ার সময় লেবু বা তেঁতুল মিশিয়ে খেলে গলা চুলকানোর ভয় থাকে না।

এছাড়াও কুচিকুচি করে কেটে রসুন, পেয়াজ, তেল ইত্যাদি দিয়ে দীর্ঘক্ষণ অল্পতাপে জ্বাল দিয়ে শাক হিসাবে খাওয়া হয়।

ওষুধি ব্যবহার[সম্পাদনা]

কলার সাথে খারকোন খেলে পাকস্থলীর সমস্যা ভাল হয়ে যায়। গরুর শরীরে ঘা হলে গাড়ো সম্প্রদায়ের মানুষ এই শাকের শিকড় মিহি করে বেটে পেষ্ট তৈরি করে সেখানে ব্যবহার করে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]