কিরকোফের বর্তনীর সমীকরণসমূহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

কির্শফ এর বর্তনীর সমীকরণসমূহে দুইটি সমীকরণ বর্ণনা করে, একটি চার্জ সংরক্ষণ এবং অপরটি শক্তি বৈদ্যুতিক বর্তনীতে। ১৮৪৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী গুস্টাফ কির্শফের জটিল বর্তনীর রোধ, বিদ্যুৎ প্রবাহ ইত্যাদি নির্ণয়ের জন্য এই দুইটি সূত্র প্রতিপাদন করেন।[১] সূত্র দুইটি তড়িৎ প্রবাহ এবং তড়িৎ বিভব পার্থক্যের সাথে সম্পৃক্ত।

তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশলে একে অধিক মাত্রায় ব্যবহার করা হয়। এদেরকে কির্শফ এর নিয়ম বা সাধারণভাবে কির্শফের সূত্রও বলা হয়ে থাকে।

কির্শফের তড়িৎ সূত্র[সম্পাদনা]

i1 + i2 = i3 + i4 +i5

তড়িৎ বর্তনীর কোন সংযোগ বিন্দুতে মিলিত প্রবাহমাত্রাগুলোর বীজগাণিতিক যোগফল শূণ্য হয়।[২] কোন একটি জাংশন থেকে তড়িৎ বের হলে ঋণাত্মক এবং প্রবেশ করলে ধনাত্মক রাশি হিসেবে ধরে নেয়া হয়। সূত্রটিকে নিম্নোক্তভাবে উপস্থাপন করা যায়

\sum_{k=1}^n {I}_k = 0
এখানে n হচ্ছে জাংশনের দিকে প্রবশেকৃত বা জাংশন হতে বাইরের দিকে প্রবাহিত মোট শাখার সংখ্যা।

কির্শফের বিভব সূত্র[সম্পাদনা]

কোন আবদ্ধ তড়িৎ বর্তনীর বিভিন্ন অংশগুলোর রোধ এবং তাদের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহের গুণফলসমূহের বীজগাণিতিক সমষ্টি ঐ বর্তনীর অন্তর্ভুক্ত মোট তড়িচ্চালক শক্তির সমান।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Oldham, Kalil T. Swain (2008)। The doctrine of description: Gustav Kirchhoff, classical physics, and the "purpose of all science" in 19th-century Germany (Ph. D.)। University of California, Berkeley। পৃ: 52। 3331743। 
  2. B. L. Theraja, Basic Electronics: Solid State। Kirchhoff's current law। S. Chand & Company Ltd.। পৃ: 30। আইএসবিএন 81-219-2555-X 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]