কর্মসহায়ক গবেষণা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

কর্মসহায়ক গবেষণা এমন এক ধরনের গবেষণা যা তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করে। পাশাপাশি এটি সমস্যা সমাধানের এমন এক প্রতিফলনমূলক প্রক্রিয়া যা একজন ব্যক্তি অন্যদের সাথে বা দলে কাজের মাধ্যমে তাদের নির্দিষ্ট বিষয়সমূহের উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ব্যবহার করে।[১] দুই ধরনের কর্মসহায়ক গবেষণা রয়েছে: অংশগ্রহণমূলক কর্মসহায়ক গবেষণা ও ব্যবহারিক কর্মসহায়ক গবেষণা। Denscombe (2010, p. 6)-এর মতে, কর্মসহায়ক গবেষণার কৌশল মূলত নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে এবং ব্যক্তির পেশাদারিত্বের ক্ষেত্র সর্বোৎকৃষ্ট চর্চার জন্য গাইডলাইন হিসেবে কাজ করে।

কর্মউপযোগী গবেষণা এমন একটি মিথস্ক্রিয়াভিত্তিক অনুসন্ধান প্রক্রিয়া যেখানে সমস্যা সমাধানের কার্যক্রম পরিচালিত হয় উপাত্ত-ভিত্তিক যৌথ গবেষণা বা পরিপ্রেক্ষিতের ওপর ভিত্তি করে। এটি মূলত চলমান কার্যকারণের ভিত্তিতে ব্যক্তির এবং প্রতিষ্ঠানগত পরিবর্তনের ভবিষ্যৎ পূর্বানুমানকে উপলব্ধি করতে সহায়তা করে (Reason & Bradbury, 2002)। কর্মউপযোগী গবেষণা প্রক্রিয়া শুরুর ছয় দশক পর অনেক ধরনের পদ্ধতি এতে আত্মীকৃত হয়েছে যেখানে গবেষণা ও কাজের প্রতিফলনের মধ্যকার ভারসাম্যের মধ্যে সাযুজ্য আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

প্রধান তত্ত্বসমূহ[সম্পাদনা]

ক্রিস আরগ্রিস-এর কর্মউপযোগী বিজ্ঞান[সম্পাদনা]

ক্রিস আরগ্রিস-এর কর্মউপযোগী বিজ্ঞানের ধারণাটি শুরু হয় কীভাবে মানুষ বিভিন্ন কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের প্রতিক্রিয়া দেখায় এর ওপর ভিত্তি করে। মানবিক গঠনের প্রতিক্রিয়া নির্ভর করে বেশ কিছু পরম্পরার ওপর যা কিছু পরিবেশগত চলকের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে থাকে। How those governing variables are treated in designing actions are the key differences between single-loop learning and double-loop learning. When actions are designed to achieve the intended consequences and to suppress conflict about the governing variables, a single-loop learning cycle usually ensues.

এমআইটির সাবেক অধ্যাপক কার্ট লিউইন ১৯৪৪ সালে সর্বপ্রথম কর্মসহায়ক গবেষণা শব্দটি ব্যবহার করেন। ১৯৪৬ সালে তাঁর লেখা "Action Research and Minority Problems" বা "কর্মসহায়ক গবেষণা ও সংখ্যালঘু সমস্যা" প্রবন্ধে তিনি কর্মসহায়ক গবেষণাকে সামাজিক কর্মের বিভিন্ন ধরনের অবস্থা ও প্রভাবের তুলনামূলক গবেষণা ও গবেষণার মাধ্যমে সামাজিক সমাধানের পদ্ধতি হিসেবে বর্ণনা করেন যা সর্পিলাকার ধাপ ব্যবহারের মাধ্যমে পরিকল্পনা, কর্ম ও তথ্য-খোঁজার সম্মিলিত চক্র হিসেবে কাজ করে যার মাধ্যমে কোনো সমস্যার সমাধান খোঁজা হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. T., Stringer, Ernest। Action research (Fourth সংস্করণ)। Thousand Oaks, California। আইএসবিএন 9781452205083ওসিএলসি 842322985