এলিজাবেথ ওয়ারেন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

এলিজাবেথ অ্যান ওয়ারেন ( née Herring ; জন্ম ২২ জুন, ১৯৪৯) একজন আমেরিকান রাজনীতিবিদ এবং প্রাক্তন আইন অধ্যাপক । তিনি ম্যাসাচুসেটস থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র সিনেটর হিসেবে ২০১৩ থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন সদস্য এবং একজন প্রগতিশীল সদস্য হিসেবেই বিবেচিত,[১] সিনেটে থাকাকালীন তিনি ভোক্তা সুরক্ষা, অর্থনৈতিক সুযোগ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে মনোনিবেশ করেছেন। ওয়ারেন ২০২০ সালের ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রাইমারিতে প্রার্থী ছিলেন, শেষ পর্যন্ত তৃতীয় স্থানে ছিলেন।

ওয়ারেন একজন হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং রজার্স ল স্কুল এবং সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এর স্নাতক, আইন শিখেছেন হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের, অস্টিন এ টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়, পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ওয়ারেন ১২ টি বই এবং ১০০টিরও বেশি নিবন্ধ লিখেছেন। [২][৩][৪]

পাবলিক পলিসিতে তার প্রথম অভিযান শুরু হয় ১৯৯৫ সালে, যখন তিনি বিরোধীদলীয় হিসেবে কাজ করেছিলেন । ব্যক্তিদের জন্য দেউলিয়া অ্যাক্সেসকে সীমাবদ্ধ করে একটি আইন ২০০৫ সালে পাশ হয় যা অবশেষে ২০০৫ সালের একটি আইনে পরিণত হয়েছিল । [৫][৬] ২০০০ -এর আর্থিক সংকটের পর আরো কঠোর ব্যাংকিং প্রবিধানের পক্ষে তার জোরালো পাবলিক অবস্থান অনুসরণ করে ২০০৭-৮

-এর দশকের শেষের দিকে, তখন ওয়ারেনের জাতীয় প্রোফাইল বৃদ্ধি পায়।

তিনি সমস্যাগ্রস্ত সম্পদ ত্রাণ কর্মসূচির কংগ্রেসনাল ওভারসাইট প্যানেলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি কনজুমার ফাইন্যান্সিয়াল প্রোটেকশন ব্যুরো প্রস্তাব করেন এবং প্রতিষ্ঠা করেন , যার জন্য তিনি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অধীনে প্রথম বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। [৭]

২০১২ সালে, ওয়ারেন বর্তমান রিপাবলিকান স্কট ব্রাউনকে পরাজিত করেন এবং ম্যাসাচুসেটস থেকে প্রথম মহিলা মার্কিন সিনেটর হন। [৮] তিনি ২০১৮ সালে রিপাবলিকান মনোনীত প্রার্থী জিওফ ডাইহেলকে পরাজিত করে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে পুনরায় নির্বাচনে জয়লাভ করেন। [৯] ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ এর ৯ তারিখে, ওয়ারেন ২০২০ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার প্রার্থীতার ঘোষণা দেন। [১০] ২০১৯ সালের শেষের দিকে তাকে গণতান্ত্রিক মনোনয়নের জন্য সংক্ষিপ্তভাবে প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল, কিন্তু তার প্রচারণার জন্য সমর্থন হ্রাস পেয়েছিল ।তিনি ২০ মার্চ ২০২০ তারিখে নির্বাচনী দৌড় থেকে সরে আসেন। [১১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Relman, Shayanne Gal, Eliza। "Bernie Sanders and Elizabeth Warren are the 2020 progressive standard-bearers. Here's where they disagree on policy"Business Insider। মার্চ ৪, ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-০৪ 
  2. "Elizabeth Warren"। Harvard Law School। ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২০ 
  3. Italie, Hillel (এপ্রিল ১৮, ২০১৭)। "US Sen. Elizabeth Warren launches book tour"The Seattle Times। নভেম্বর ১৭, ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১৬, ২০১৭ 
  4. Lerer, Lisa (মে ১, ২০২১)। "Elizabeth Warren Grapples with Presidential Loss in New Book"। The New York Times 
  5. "14 Years Ago, Warren And Biden Battled Over Bankruptcy. Their Fight Still Defines A Party Rift"www.wbur.org (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৮-০৩ 
  6. Meyer, Theodoric। "Inside Biden and Warren's Yearslong Feud"POLITICO Magazine (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৮-০৩ 
  7. Warren –, Elizabeth। "Testimony of Elizabeth Warren Before the Subcommittee on TARP, Financial Services, and Bailouts of Public and Private Programs"Consumer Financial Protection Bureau (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৮-০৩ 
  8. "Elizabeth Warren defeats Scott Brown in Massachusetts Senate race"the Guardian (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১২-১১-০৭। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৮-০৩ 
  9. LeBlanc, Steve (নভেম্বর ৭, ২০১৮)। "Sen. Warren wins re-election, promptly rips into Trump"AP News। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ৩, ২০২১ 
  10. Lee, MJ; Krieg, Gregory (ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯)। "Elizabeth Warren kicks off presidential campaign with challenge to super-wealthy – and other Democrats"CNN। জানুয়ারি ১, ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯ 
  11. "Warren ends 2020 presidential bid after Super Tuesday rout"WDTN। মার্চ ৫, ২০২০। মার্চ ৬, ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ৬, ২০২০