এডওয়ার্ড মরডেক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

এডওয়ার্ড মরড্রেক বা এডওয়ার্ড মরডেক ১৯ শতকের ইংরেজ অভিজাত মানুষদের একজন ছিলেন যিনি তার মাথার পেছনে বাড়তি একটি মুখ নিয়ে জন্মেছিলেন। মাথার পেছনের মুখ দিয়ে তিনি খেতে পারতেন না কিন্তু হাসতে ও কাঁদতে পারতেন। এডওয়ার্ড বলেন , রাতে ঘুমের সময় পেছনের মুখটি নাকি ভৌতিক ভাষায় ফিশফিশ করত। এজন্য এডওয়ার্ড ডাক্তারদের কাছে অনেকবার অনুরোধ করেছেন তার এই বাড়তি মুখটি সরিয়ে ফেলতে কিন্তু কোন ডাক্তারই এটি করতে সাহস করেন নাই। এরপর বিড়ম্বণা সহ্য করতে না পেরে ২৩ বছর বয়সে তিনি আত্মহত্যা করেন।[১] তার অবস্থা অনেকটা পেসকেল পিনন ও চেং টিজো পিং এর মতো ছিলো। দ্য বুক অফ লিস্টস এর ১৯৭৬ সালের প্রকাশনায় মারডেক ও পিনন উভয়ই পৃথিবীর ১০ জন মানুষের মধ্যে স্থান করে নেন যাদের অতিরিক্ত চেহারা বা অঙ্গ আছে।[২]

এডওয়ার্ড মরডেকের এই অবস্থা প্রতিষ্ঠা করা খুব কঠিন কারণ তার জন্ম ও মৃত্যুর কোন নথি-পত্র পাওয়া যায় নি এবং তার আত্মহত্যা ও আত্মহত্যার স্থান নিয়েও দ্বন্দ্ব আছে। তার ঘটনার অধিকাংশ মৌখিকভাবে প্রচলিত।

১৮৯৬ সালে অ্যানোমালিস এন্ড কিউরিওসিটিস মেডিসিনি[১] নামক একটি নিবন্ধে তার সম্পর্কে লেখার পর তিনি এখন অনেক নাটক,লেখা ও গানের বিষয়বস্তুতে পরিনত হন। যাইহোক, কিছু কিছু সময় তার এই গল্পকে অনেকেই মিথ্যা হিসেবে আক্ষায়িত করে। কারণ তাদের মতে ঘটনাটি ছিল অনেকটা কাল্পনিক ও এর কোন মেডিকেল ব্যাখ্যা ছিল না-অনেক বছর ধরে লোকমুখে প্রচলিত ছিল বলে এটি সত্য ঘটনার মত মনে হয়েছে।[৩] টম ওয়েটস অ্যালাইস অ্যালবামে এডওয়ার্ড মারডেককে নিয়ে একটি গান লেখেন যার শিরোনাম হলো, “পুওর এডওয়ার্ড”।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Anomalies and Curiosities of Medicine, pp. 188-189. George M. Gould, Walter L. Pyle. Kessinger Publishing. আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৬৬১-৩২১১-৫ (2003)
  2. The People's almanac presents the book of lists, p. 314. David Wallechinsky, Irving Wallace, Amy Wallace. Morrow. আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৮৮-০৩১৮৩-১ (1977)
  3. "EDWARD MORDAKE – "Poor Edward"" 
  4. Hoskyns, Barney (২০০৯)। Lowside of the Road: A Life of Tom Waits। Random House। পৃ: ৪০৫। আইএসবিএন 978-0-7679-2709-3 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]