ইহসান বারাকাত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ইহসান জুহদি বারাকাত (জন্ম ১৯৬৪) একজন জর্দানীয় বিচারক যিনি ২০১৭ সালে দেশের প্রথম নারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবং দেশের সুপ্রিম কোর্ট-এ নিযুক্ত হওয়া প্রথম নারী ছিলেন।

প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা[সম্পাদনা]

বারাকাতের মা ছিলেন একজন শিক্ষিকা।[১] তিনি ১৯৮৬ সালে জর্দান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন।[২]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

বারাকাত ১৯৮৮ সালে তার নিজস্ব ল ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, জর্ডান সেন্ট্রাল ব্যাংক সহ উচ্চ প্রফাইল ক্লায়েন্টদের তিনি আকর্ষণ করেছিলেন।[৩] ২০০২ সালে তিনি আম্মানে প্রথম ইনস্ট্যান্স কোর্ট-এর একজন বিচারক নিযুক্ত হন এবং ২০০৪ সালে আপিল কোর্টে স্থানান্তরিত হন।[৩] ২০০৪-২০০৫ সালে তিনি নয় মাসের জন্য বিচার মন্ত্রণালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক অধিদফতরের পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।[৩][২]

বারাকাত ছিলেন আম্মান আপীল আদালত-এর একজন বিচার বিভাগীয় পরিদর্শক এবং বিচারক।[১] মে ২০০৭-এ, তিনি পশ্চিম আম্মানের প্রথম ইনস্ট্যান্ট কোর্টের চিফ অব কোর্ট পদে নিযুক্ত হন, এই পদে অধিষ্ঠিত তিনিই প্রথম নারী।[৪][৫] বারাকাত ছিলেন আরব উইমেন লিগ্যাল নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সভাপতি, ২০০৫ সালে রাণী রানিয়া-এর সমর্থনে এটি গঠিত হয়েছিল।[১] তিনি জর্দানিয়ান ন্যাশনাল কমিশন ফর উইমেনের এক্সিকিউটিভ বোর্ডের সদস্য এবং জর্ডানের জাতীয় ফোরামের উচ্চ পরিষদের সদস্য।[২]

ডিসেম্বর ২০১০-এ, বারাকাতকে দেশের প্রথম নারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়,[৬][৭] এবং আপীল আদালতে তিনি সরকারকে প্রতিনিধিত্ব করেন।[৮] সে সময় তিনি বলেন, "এই অবস্থানটি নারীর ক্ষমতার পরীক্ষা করবে ... আমার কয়েকজন সহকর্মী আমার নিয়োগের কারনে ক্ষুব্ধ হয়েছেন।"[৮]

বারাকাতকে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্টে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে তিনি হন দেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদে আসীন হওয়া প্রথম নারী।[৯] ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে, তিনি ক্যাসেশন কোর্টে বিচারক নিযুক্ত হন, যেটি হচ্ছে সব জর্দানীয় আদালতের উপর বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ।[১০] একই সময়ে, প্রধানমন্ত্রী হানি মুলকি খালি পদে লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করার জন্য সকল মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।[১০]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

বারাকাতের দুই কণ্যা রয়েছে,[৮] তাদের মধ্যে একজন লন্ডনে আইন বিষয়ে অধ্যায়ন করছে।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Pudney, Harriet (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭)। "Jordan now has its first female Supreme Court judge"Emirates Woman। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১৮ 
  2. "Judge Ihssan Barakat" 
  3. Hindi, Linda (২৯ মে ২০০৭)। "First Woman Appointed as Chief of Court in Jordan"The Jordan Times। American Bar Association। ১৪ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১৮ 
  4. "First woman chief of court for Jordan"IOL। ২৯ মে ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১৮ 
  5. Smail Salhi, Zahia (২০১৩)। Gender and Violence in Islamic Societies: Patriarchy, Islamism and Politics in the Middle East and North Africa। I. B. Tauris। পৃষ্ঠা 118। 
  6. "Jordan names first woman chief district attorney"The Jerusalem Post। ৯ ডিসেম্বর ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১৮ 
  7. "Jordan Names First Woman Chief District Attorney"। Fox News। ৯ ডিসেম্বর ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১৮ 
  8. Pretorius, Richard (২৮ ডিসেম্বর ২০১০)। "Jordan's female attorney general challenges tradition"The National UAE। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১৮ 
  9. "Barakat promoted to highest Judicial Council rank"The Jordan Times। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১৮ 
  10. "Barakat becomes first female Cassation Court judge"The Jordan Times। ২৫ জানুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১৮