ইজয়েড ভাষাসমূহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
ইজয়েড
অঞ্চল দক্ষিণ নাইজেরিয়া
নাইজার-কঙ্গো
  • ইজয়েড
ভাষা কোডসমূহ
আইএসও ৬৩৯-৩
গ্লোটোলগ ijoi1239[১]

ইজয়েড হল একটি প্রস্তাবিত ভাষা কিন্তু ইজো ভাষার সাথে সংযুক্ত একটি অপ্রকাশিত ভাষাগুচ্ছ সাথে সংকটাপন্ন ডেফাকা ভাষা ও রয়েছে। যাহোক, তাদের মধ্যে সাদৃশ্য হচ্ছে ডেফাকা ভাষা ইজো ভাষা দ্বারা প্রভাবিত।[২]

ইজয়েড, বা খুব সম্ভবত ইজো ভাষা, বিভিন্ন উপভাষার ন্যায় নাইজার-কঙ্গো ভাষা পরিবার গঠন করেছে এবং তাদের উদ্দেশ্য–বিদেয়–ক্রিয়ার মৌলিক শব্দের ক্রমের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত,অন্যকথায় যা নাইজার-কঙ্গো ভাষার এক অসাধারণ বৈশিষ্ট্য, তবে দূরবর্তী শাখা-প্রশাখার সাথে যেমন- মান্দে ভাষা এবং ডগণ ভাষার সাথে সম্পর্কযুক্ত। মান্দে এবং ডগণ এর মতো, ইজয়েড ভাষায় ও বিশেষ্য শ্রেণীর অভাব রয়েছে যা নাইজার-কঙ্গো ভাষার বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়, এবং এভাবেই এটি এই ভাষা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]

  • Jenewari, Charles E. W. (1989) 'Ijoid'. In Bendor-Samuel, John and Hartell, Rhonda L. (eds.), The Niger–Congo languages: A classification and description of Africa's largest language family, 105-118. Lanham, MD: University Press of America.
  • Williamson, Kay. 1969. 'Igbo' and 'Ịjọ', chapters 7 and 8 in: Twelve Nigerian Languages, ed. by E. Dunstan. Longmans.
  • Williamson, Kay. 1971. The Benue–Congo languages and Ịjọ. In: Current Trends in Linguistics, Vol. 7, series ed. by T. A. Sebeok, 245-306.
  • Williamson, Kay. 1988. Linguistic evidence for the prehistory of the Niger Delta. In: The Prehistory of the Niger Delta, ed. by E.J. Alagoa and others. Hamburg: Helmut Buske Verlag.
  • Williamson, Kay. 1998. Defaka revisited. The multi-disciplinary approach to African history, edited by Nkparom C. Ejituwu, Chapter 9, 151-183. Port Harcourt: University of Port Harcourt Press.
  • Williamson, Kay. 2004. The language situation in the Niger Delta. Chapter 2 in: The development of Ịzọn language, edited by Martha L. Akpana, 9-13.
  • Williamson, Kay & Blench, Roger (2000) 'Niger–Congo', in Heine, Bernd and Nurse, Derek (eds) African Languages: An Introduction. Cambridge: Cambridge University press, pp. 11–42.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. নোরধোফ, সেবাস্টিয়ান; হামারস্ট্রাম, হারাল্ড; ফোস্কেল, রবার্ট; হাস্পেলম্যার্থ, মার্টিন, সম্পাদকবৃন্দ (২০১৩)। "ইজয়েড"গ্লোটোলগ। লিপজিগ: বিবর্তনীয় নৃতত্ত্বে ম্যাক্স প্লাংক ইনস্টিটিউট। 
  2. Roger Blench, Niger-Congo: an alternative view

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]